ঢাকা বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

সলঙ্গায় রয়েল রুপালী হোটেলের পেছনে ও প্রবেশপথে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে ক্রেতা-পথচারী


কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া  photo কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া
প্রকাশিত: ৭-৬-২০২৬ দুপুর ২:১৪

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় রামারচর অবস্থিত রয়েল রুপালী হোটেলের পেছনে এবং পূর্ব সাইডে প্রবেশপথের পাশে জমে থাকা নোংরা পানি ও ময়লা-আবর্জনার স্তূপের কারণে এলাকায় তীব্র পরিবেশ দূষণের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্গন্ধ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও যাতায়াতে দুর্ভোগের কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং হোটেলে আসা ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

দীর্ঘদিন ধরে হোটেলের ব্যবহৃত বর্জ্য ও নোংরা পানি খোলা জায়গায় ফেলার কারণে এলাকাটি এখন মশার প্রজনন কেন্দ্র ও ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন হোটেলের ক্রেতারা চরম বিপাকে পড়েছেন, অন্যদিকে আশেপাশের ব্যবসায়ী ও পথচারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।

হোটেল মালিক আল-আমীন এর মিষ্টি হাসি ও টাকার বিনিময়ে কিছু প্রভাবশালীদের হাত করে করছে রমরমা ব্যবসা।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সলঙ্গায় রামারচর এলাকায় মহাসড়ক ঘিরে অন্যতম ব্যস্ত এই খাবার হোটেলটিতে প্রতিদিন শত শত মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে খেতে আসেন। কিন্তু হোটেলের ঠিক পেছনে ও প্রবেশ পথেই রয়েছে ডাস্টবিনের মতো নোংরা পরিবেশ। পচা খাবার, প্লাস্টিক বর্জ্য ও হোটেলের ড্রেনের নোংরা পানি একাকার হয়ে সেখানে তীব্র দুর্গন্ধের সৃষ্টি করছে। বাতাসে সেই দুর্গন্ধ হোটেলের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতারা বসে শান্তিতে খাবার খেতে পারছেন না।

​হোটেলের কয়েকজন নিয়মিত ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাইরে থেকে হোটেলটি দেখতে পরিষ্কার মনে হলেও এর পেছনের পরিবেশ অত্যন্ত ভয়াবহ। খাওয়ার সময় দুর্গন্ধ ভেসে আসে, যা সত্যিই অস্বাস্থ্যকর। প্রশাসন কেন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

​আশেপাশের ব্যবসায়ীরা জানান, এই ময়লার স্তূপ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে তাদের দোকানে বসে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে। এছাড়া মশা ও মাছির উপদ্রব এতটাই বেড়েছে যে, যেকোনো সময় এলাকায় ডায়রিয়া, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও মশাবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

​খাদ্য ও হোটেল আইনে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকলেও রয়েল রুপালী হোটেল কর্তৃপক্ষ তা তোয়াক্কা করছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই বর্জ্য অপসারণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করা না হলে এলাকার পরিবেশ আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করবে।

রয়েল রুপালী হোটেলের মালিক আল-আমীন হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​এবিষয়ে স্থানীয় ভুক্তভোগী ও ক্রেতারা সলঙ্গা থানা প্রশাসন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

উল্লাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমিন আক্তার রিমা বলেন,  অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে করে সত্যতা পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ বলেন, নিউ রয়েল রুপালি হোটালের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে এবং তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া হোটেলের দুই পাশের ময়লার ভাগাড়ের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

তারাগঞ্জে একই দিনে মাদকবিরোধী জোরালো অভিযান

জেলা ট্রেজারি পরিদর্শন ও ভেরিফিকেশন কার্যক্রম পরিচালনা করলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার

চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

ভূরুঙ্গামারীতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে ১৭১তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

উলিপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার

সুনামগঞ্জে সিয়ামের চুরি হওয়া সিএনজি ১ মাসেও উদ্ধার হয়নি, পরিবারে হতাশা

বোদা পৌরসভার ৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

পাঁচবিবিতে মাদক নির্মূলে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি

রাজশাহীতে ‘Run for Padma’র সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও'র যোগদান