সেনবাগে কোটি টাকার খাল পুনঃখননপ্রকল্পে অনিয়ম- দুর্নীতির অভিযোগ
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় কাবিলপুর ইউনিয়নের ছমিরমুন্সির হাট থেকে কল্যান্দী বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের কাজে নির্ধারিত গভীরতা ও প্রস্থ বজায় না রেখে ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিন দিয়ে খালের পাশ ড্রেসিং এবং প্রকল্পে শ্রমিক ব্যবহার না করে অর্থ হরিলুটে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ইজিপিপি কর্মসূচির আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। ওয়েজ ও নন-ওয়েজ মিলিয়ে প্রায় এক কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয়ে ফতেহপুর পপুলার বিস্কুট ফ্যাক্টরি থেকে ছমিরমুন্সির হাট হয়ে কল্যান্দী বাজার পর্যন্ত খালটি পুনঃখনন করা হয়। গত ২৪ এপ্রিল এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিন ফারুক।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্প বাস্তবায়নে চরম অনিয়ম করা হয়েছে। খনন কাজ শুরুর কয়েক দিনের মাথায় বৃষ্টির পানি জমে খাল ডুবে যায়। এরপর খালের প্রকৃত গভীরতা খনন না করে ভেকু (এক্সকাভেটর) মেশিন দিয়ে শুধু পাশ ড্রেসিং করে কাজ শেষ দেখানো হয়েছে।
এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী অন্তত ৫০ শতাংশ শ্রমিক ব্যবহার করার কথা থাকলেও বাস্তবে কোনো শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়নি। পুরো কাজই মেশিন দিয়ে করা হয়েছে। এতে করে প্রকল্পের বড় একটি অংশের অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। অভিযোগ ওঠেছে, নামে মাত্র কাজ দেখিয়ে কোটি টাকার প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থ লুটপাট করা হয়েছে, ফলে খাল পুনঃখননের উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, প্রকল্প শুরুর আগে অনেকের কাছ থেকে কাজ দেওয়ার কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্প উদ্বোধনের পর তাদের কাউকেই কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তাদের পরিবর্তে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ব্যাংকে একাউন্ট করা ব্যক্তির স্বাক্ষরের সঙ্গে মাস্টার রোলের স্বাক্ষর বা টিপসইয়ে কোন মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। শ্রমিকের ভুয়া একাউন্ট ও মাস্টার রোল তৈরি করে লুট করা হচ্ছে সরকারি অর্থ।
কাবিলপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলেন, এই খালটি সঠিকভাবে খনন করা হলে কৃষি সেচ ও পানি নিষ্কাশনে অনেক উপকার হতো। কিন্তু কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে আমরা সেই সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
সেনবাগ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কাজ সঠিকভাবে বাস্তবায়নে এমপি মহোদয়ের প্রতিনিধি দ্বারা তদারকি করা হয়েছে। প্রকল্পে শ্রমিক এবং ভেকু মেশিন দুটোই ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিকভাবে কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
তবে প্রকল্পে শ্রমিকের কাজ করার ছবি অথবা ভিডিও আছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি সঠিক কোন প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেননি।
এমএসএম / এমএসএম
জিয়ানগরের খায়েরহাট বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ধুনটের চৌকিবাড়ীতে গোলাম মাহবুব প্যারিসের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল
পেকুয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রদল
পিরোজপুরের কাউখালীতে টহল শেষে ফেরার পথে নৌ পুলিশের ওপর হামলা
ধামইরহাটে গৃহবধুকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার-২
বিলাইছড়িতে তীব্র পুষ্টিহীন শিশুদের সুরক্ষায় কাজ করছে আশিকার
কাউনিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি
গোদাগাড়ীতে গোয়ালঘরে মিলল ১৪০ বস্তা সার, ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
মনপুরার মেঘনায় জেলের জালে দুই কেজির ‘রাজা ইলিশ’, বিক্রি ৯ হাজার টাকায়
বাগমারায় প্রতারণা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
ত্রিশালে দোয়া মাহফিল
শান্তিগঞ্জে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা