ঢাকা শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬

মাদক সম্রাট আল-আমিন-সামিদুলের দৌরাত্ম্য: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলের প্রশ্ন


কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া  photo কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া
প্রকাশিত: ২২-৬-২০২৬ দুপুর ৪:১১

​সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা এলাকায় বেড়েই চলেছে চুরি, ছিনতাই ও মাদকের ভয়ংকর থাবা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সলঙ্গায় একটি শক্তিশালী চোর সিন্ডিকেট এবং মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে চিহ্নিত অপরাধী আল-আমিন ও সামিদুল।

তাদের ধারাবাহিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অথচ দীর্ঘ দিন ধরে এই চক্রটি রাত ভর ইয়াবা সেবন করে চুরি ডাকাতিসহ প্রকাশ্যেই তারা নানা অপকর্ম   চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে,  তীব্র ক্ষোভে নানান প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের পাচলিয়া মহাসড়কের পাশে রড চরি, তেল চুরি, কয়লা চুরি, ভুট্টা চুরিসহ পাঁচলিয়া  বাজার এলাকায় ও ধোপাকান্দী গ্রামে ইদানীং মোটরসাইকেল, বাসা-বাড়ির মালামাল এবং গবাদিপশু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এই চোর সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক সম্রাট  আল-আমিন ও সামিদুলের হাতে। শুধু চুরিই নয়, এই চক্রটি এলাকায় পাইকারি ও খুচরা মাদক সরবরাহের একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এদের কারণে এলাকার উঠতি বয়সী যুবসমাজ ব্যাপকভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যার ফলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক অপরাধ।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আল-আমিন ও সামিদুল এতটাই বেপরোয়া যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে টর্চার ছেলে নির্যাতনসহ নানা হুমকি-ধমকি ও হেনস্থার শিকার হতে হয়।

​এলাকায় কারা চুরি করছে আর কারা মাদক বেচছে, তা সবাই জানে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এই দুই হোতার বিরুদ্ধে কোনো স্থায়ী বা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তারা মাঝে মাঝে ধরা পড়লেও কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে এসে আবার একই কাজ শুরু করে। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।"

​সচেতন মহলের দাবি, এই অপরাধী চক্রের খুঁটির জোর কোথায়, তা নিয়ে এখন জনমনে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা জানতে চান সাধারণ নাগরিকরা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী জানান, "মাদক ও চুরির বিষয়ে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। আল-আমিন ও সামিদুলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অতি দ্রুত এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এমএসএম / এমএসএম

কবিরহাট পৌরসভার প্রথম নারী মেয়র প্রার্থী নূর জাহান গাজীর মৃত্যু

বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায় এই সরকার, ভোলায় - প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় খুনের মামলার আসামি চারদিন পার হলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

পরীক্ষা ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশনে একিউএ গ্লোবালের সঙ্গে এনইউ'র চুক্তি

মেয়াদোত্তীর্ণ ও নকল ওষুধ, টুঙ্গিপাড়ায় দুই ফার্মেসিকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা

কুড়িগ্রামের চ‌রে জমি দখলকে কেন্দ্র ক‌রে সংঘর্ষ, নিহত ১

গলাচিপায় স্ব-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ঋণের চেক বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

গলাচিপায় আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদ্যাপিত

নেত্রকোণায় মহিলা ডিগ্রি কলেজে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ,শিক্ষক ও কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন

চারঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করলো র‍্যাব-৫

আত্রাইয়ে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

রাজস্থলীতে র‌্যালি মধ্যে দিয়ে ও আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত