ঢাকা সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

মাদক সম্রাট আল-আমিন-সামিদুলের দৌরাত্ম্য: প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সচেতন মহলের প্রশ্ন


কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া  photo কাইয়ুম মাহমুূদ, উল্লাপাড়া
প্রকাশিত: ২২-৬-২০২৬ দুপুর ৪:১১

​সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা এলাকায় বেড়েই চলেছে চুরি, ছিনতাই ও মাদকের ভয়ংকর থাবা। স্থানীয়দের অভিযোগ, সলঙ্গায় একটি শক্তিশালী চোর সিন্ডিকেট এবং মাদক সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে চিহ্নিত অপরাধী আল-আমিন ও সামিদুল।

তাদের ধারাবাহিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অথচ দীর্ঘ দিন ধরে এই চক্রটি রাত ভর ইয়াবা সেবন করে চুরি ডাকাতিসহ প্রকাশ্যেই তারা নানা অপকর্ম   চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের রহস্যজনক নীরবতা নিয়ে,  তীব্র ক্ষোভে নানান প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

​অনুসন্ধানে জানা যায়, সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের পাচলিয়া মহাসড়কের পাশে রড চরি, তেল চুরি, কয়লা চুরি, ভুট্টা চুরিসহ পাঁচলিয়া  বাজার এলাকায় ও ধোপাকান্দী গ্রামে ইদানীং মোটরসাইকেল, বাসা-বাড়ির মালামাল এবং গবাদিপশু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এই চোর সিন্ডিকেটের মূল নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কিশোর গ্যাং লিডার ও মাদক সম্রাট  আল-আমিন ও সামিদুলের হাতে। শুধু চুরিই নয়, এই চক্রটি এলাকায় পাইকারি ও খুচরা মাদক সরবরাহের একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। এদের কারণে এলাকার উঠতি বয়সী যুবসমাজ ব্যাপকভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যার ফলে বাড়ছে পারিবারিক অশান্তি ও সামাজিক অপরাধ।

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আল-আমিন ও সামিদুল এতটাই বেপরোয়া যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। প্রতিবাদ করলে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে টর্চার ছেলে নির্যাতনসহ নানা হুমকি-ধমকি ও হেনস্থার শিকার হতে হয়।

​এলাকায় কারা চুরি করছে আর কারা মাদক বেচছে, তা সবাই জানে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এই দুই হোতার বিরুদ্ধে কোনো স্থায়ী বা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তারা মাঝে মাঝে ধরা পড়লেও কয়েকদিনের মধ্যে জামিনে বেরিয়ে এসে আবার একই কাজ শুরু করে। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।"

​সচেতন মহলের দাবি, এই অপরাধী চক্রের খুঁটির জোর কোথায়, তা নিয়ে এখন জনমনে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও প্রশাসন কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা জানতে চান সাধারণ নাগরিকরা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী জানান, "মাদক ও চুরির বিষয়ে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। আল-আমিন ও সামিদুলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অতি দ্রুত এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এমএসএম / এমএসএম

নেত্রকোণায় ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৮টি ক্লাব উদ্বোধন

কুড়িগ্রামে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি সেবার সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণে অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

আদমদীঘিতে মাসিক আইনশৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

রাণীশংকৈলে বিনামূল্যে বীজ-সার বিতরণ শুরু

ধামরাইয়ে বেহাল সড়কের সংস্কার করলেন নাজমুল হাসান অভি

যমুনায় অভিযান: ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ, জরিমানা

লালমনিরহাটে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন: লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখের বেশি শিশু

গজারিয়ার বালুয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা

শান্তিগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

বিচারপ্রার্থীদের পাশে দাঁড়াতে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করার আহ্বান বিচারপতি জাফর আহমেদের

বগুড়া জেলা নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওযয়ে ধর্ষণচেষ্টা ও পর্নোগ্রাফি মামলার আসামি গাজীপুরে গ্রেপ্তার

কুতুবদিয়ায় সংঘর্ষের মামলায় ‘নির্দোষ’ তিনজনকে আসামী করার অভিযোগ, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন