ঢাকা বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

নাগরপুরে তীব্র নদী ভাঙ্গন অর্ধশত বসত বাড়ি,মসজিদ ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন


রিফাত মিয়া, নাগরপুর photo রিফাত মিয়া, নাগরপুর
প্রকাশিত: ১-৭-২০২৬ দুপুর ৩:৪০

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শুরু হয়েছে তীব্র নদী ভাঙ্গন। ১ ঘন্টার ব্যবধানে নাগরপুর সলিমাবাদ ইউনিয়নের সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া বিস্তীর্ন এলাকার প্রায় অর্ধশত বাড়িঘর, কুয়েতী মসজিদ,ফসলি জমি ও বহু গাছপালা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে পাকা রাস্তা,স্কুল,মাদ্রসা ও হাটবাজার।

গতকাল ৩০ জুন মঙ্গলবার সরেজমিন ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,যমুনার প্রবল স্রোতে চোখের পলকেই ধসে পরছে নদীর তীর। ঘর বাড়ি ও শেষ সম্বলটুকু বাঁচানোর জন্য নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা তাদের ঘর বাড়ি আসবাবপত্র নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিচ্ছে। বাস্তুভিটা হারিয়ে অসহায় পরিবার কেউ কেউ নিকট আত্মীয়র বাড়িতে,আবার অনেকেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। ভাঙ্গন আতংকে রয়েছে নদীর পাড়ের সহস্রাধীক পরিবার। গত কয়েক দিনের টানা ভাঙ্গনে সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া বিস্তীর্ন এলাকার ঘর বাড়ি ভিটা মাটি এবং শত শত বিঘা ফসলি জমি ইতি মধ্যেই নদী গর্ভে বীলিন হয়ে গেছে। 

রাক্ষসী যমুনার গর্ভে তলিয়ে গেছে কুয়েতের অর্থায়নে নির্মিত ২২ বছরের পূরনো মসজিদ। ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ প্রতি বছর বর্ষা মৌশুমে এই এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয় কিন্তু ভাঙ্গন রোধে কার্যকরি কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। ফলে বার বার তাদের ঘর বাড়ি সরাতে হয়। ভিটে মাটি হারিয়ে তারা নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। নদী গর্ভে শেষ সম্বল বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন আব্দুল হক (৫০)।তিনি কান্না জরিত কন্ঠে বলেন, মাত্র ১৩ শতাংশ নিয়ে তার বসত বাড়ি। গোটা বসত বাড়ি এখন নদীর পেটে। বসত বাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। সহায়সম্বল হারিয়ে তিনি এখন দিশেহারা। সুফিয়ান (৫২) নামের আরেক ব্যক্তি জানান,তার একটি মাত্র ছাপরা ঘর ছিলো । গাছপালা সহ বসত ঘরটি সর্বগ্রাসী যমুনায় গিলে খেয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত শাহ জামাল জানান,এক ঘন্টার মধ্যে ১০ বিঘা জমি সহ বসত ভিটা নদীতে তলিয়ে গেছে। কিছুই রক্ষা করতে পারিনি।একই অবস্থা ওই এলাকার কালাম,ছালাম, বাবুল,শাহালম,মতিন ও শাহিন সহ আরো অনেকের। সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের (প্যানেল) চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন ভূইয়া জানান, যমুনা নদীর তীরে প্রচন্ড ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রতি বছর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন শূরু হয়। গত ২৪ ঘন্টায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ টি পরিবার বসত ভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পরেছে। এখনই জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বেরিবাধ না হলে মানচিত্র থেকে মুছে যাবে পশ্চিম সলিমাবাদের বিস্তীর্ন এলাকা।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উদ্বৃতি দিয়ে নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ এরফান উদ্দিন জানান,ভাঙ্গন রোধে ৫ টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কাজ করা হবে। এ ছাড়া ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা শেষে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ দফা দাবিতে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার মানববন্ধন

জাতীয় স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্পে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সৌজন্য সাক্ষাৎ

গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুরে পৃথক অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা, হেরোইন ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১২

আগামী দিনে আরও নিরাপদ রাজশাহী গড়ে উঠবে: ভূমিমন্ত্রী মিনু

রায়গঞ্জল বস্তার অভাব, জায়গা সংকট; লক্ষ্যমাত্রা পূরণে হোঁচটে ধান-চাল সংগ্রহ

সিংগাইরে এবার অটোরিক্সা চালক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

সিংড়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬৮৬ কৃষকের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ

সংস্কার কাজে অনিয়ম-দূর্নীতি, হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

ভূরুঙ্গামারীতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ভূরুঙ্গামারীতে সুপারি বাগানে গাঁজা চাষ,পুলিশের অভিযানে ৪টি গাঁজা গাছ উদ্ধার

নাগরপুরে তীব্র নদী ভাঙ্গন অর্ধশত বসত বাড়ি,মসজিদ ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন

কালিয়ায় সরকারি বই বিতরণে ২ শত টাকা আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে

​রাণীনগরে প্রাক-প্রাথমিক ও কুরআন শিক্ষায় সাড়া জাগিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন