অধ্যক্ষের পদ ফিরে পেতে রাষ্ট্রের কাছে আকুতি জানালেন বৃদ্ধ শিক্ষক ফরিদ আহমেদ
নিজের প্রতি অন্যায়,অবিচার ও জুলুমের প্রতিবাদ এবং স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌর সদরস্থ কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফরিদ আহমেদ। স্থানীয় বোয়ালমারী বাজারের একটি রেস্টুরেন্টে এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন,রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র,শিক্ষকদের আন্তঃকোন্দল আর প্রশাসনিক হেয়ালিপনার বলি হয়ে তিনি চাকুরী জীবনে ফিরতে পারছেননা। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাময়িক বরখাস্তাদেশ অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলিয়ে রেখে তাকে গভীর অন্ধকারের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ফরিদ আহমেদ। তিনি বলেন,গত ২৪ সালের পাঁচ আগস্টের পর কলেজ শিক্ষকদের একটি অংশের উস্কানিতে বহিরাগত কিছু শিক্ষার্থী মব সৃষ্টি করে তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির মনগড়া অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবী করেন। এ প্রেক্ষিতে তৎকালীন কলেজ প্রশাসন ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে ফরিদ আহমেদকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া থেকে রহস্যজনকভাবে বিরত থাকেন। অর্থাৎ ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে আনিতো দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণে কোন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। বিষয়টি আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হয়নি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও। ফলে সাময়িক বরখাস্ত হবার পর ৬০ কার্য দিবসের মধ্যে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিধান থাকলেও কৌশলে তা এড়িয়ে যাওয়া হয়।ফলে সঠিক কোন তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই দূর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগে ঝুলে যায় ফরিদ আহমেদের চাকরি জীবন। একপর্যায়ে তার বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেয়া হয়। আটকে দেওয়া হয় তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। আয়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন-জীবিকার তীব্র সংকটের মুখে পড়েন ফরিদ আহমেদ। এ পর্যায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। হাইকোর্টের আদেশে ফরিদ আহমেদ চাকুরী,বেতন-ভাতা ফিরে পেলেও তাকে চেয়ারে বসতে দিচ্ছেনা শিক্ষক আর ম্যানেজিং কমিটির একটি অংশের যৌথ সিন্ডিকেট। বরং তারা উচ্চ আদালতে পাল্টা রিট করে ফের আটকে দিয়েছেন ফরিদ আহমেদের পদ।পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের শিকার ফরিদ আহমেদ বলেন,আমি নির্দোষ। আমার নীতি,আদর্শ সততায় ঈর্ষান্বিত হয়ে শিক্ষকদের একটি অংশ ষড়যন্ত্র করে আমাকে ফাঁসিয়েছে। কলেজ থেকে আমাকে দূরে সরিয়ে আমার পদ দখল করেছে। কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়েছে। বাসা-বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর,লুটপাট করেছে। পরিবারের সদস্যদের মারধর করেছে। এর জন্য কলেজের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডক্টর হোসনেয়ারা বেগম,সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মান্নান-মোঃ আজহার আলী,প্রভাষক সৈয়দা দিল আশরাফি,সেকশন অফিসার কামরুল ইসলাম ও অফিস সহায়ক মানিক হোসেনকে দায়ী করে তাদের বিচার দাবি করেন ফরিদ আহমেদ । আবেগ ঘন কন্ঠে রাষ্ট্রের কাছে স্বপদে পুনর্বহালের আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, আমি এখন বয়োবৃদ্ধ। চাকরির বয়স আর মাত্র দুই মাস বাকি আছে। এই মুহূর্তে চাকরিটা ফিরে না পেলে অবসর জনিত প্রাপ্য নিয়ে কঠিন সমস্যার মুখে পড়তে হবে। তাই এ বিষয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন বৃদ্ধ কলেজ শিক্ষক ফরিদা আহমেদ।
এমএসএম / এমএসএম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ময়মনসিংহে মতবিনিময় সভা
নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌরসভার অনুমোদন ছাড়াই বাসা নির্মাণকাজ--নির্বাহী কর্মকর্তার পরিদর্শনে কাজ বন্ধ
লোকালয় থেকে উদ্ধারকৃত অজগর কাপ্তাই জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত
উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরেকটি মাইলফলক
সুবর্ণচরে নারী, শিশু, ব্রাককর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও শিক্ষার মান উন্নয়ন ও ৪টি ক্লাব গঠনের নির্দেশ
কুড়িগ্রামে জমিজমা নিয়ে সংঘর্ষ, স্বামী-স্ত্রীসহ আহত ৫
হানিট্রাপের অভিযোগ সেনাসদস্যের সম্মানহানি তদন্ত দাবি
চাঁদপুর যাত্রী টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে মায়ার লিমিটেড ও কবিরস সিন্ডিকেট জেভি
ভূরুঙ্গামারী থানা জেলার শ্রেষ্ঠ, সেরা সার্কেল এএসপি মুনতাসির ও ওসি আজিম
শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কাটার টাকা ফেরত দিলেন বিএনপি নেতা
মেহেরপুরে ৭০ মেধাবী শিক্ষার্থীকে জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান