সুষ্ঠু তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর
কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা
যশোরের কেশবপুরে এক মেধাবী স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে।পিতা বলছেন মৃত্যু নয় হত্যা। পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা গেছ, কেশবপুর শহরের পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী ফারিয়া ইয়াসমিন তিশা (১৬)। নিহত কিশোরী উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামের ঠিকাদার আলমগীর হোসেনের ছোট মেয়ে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একই গ্রামের মোঃ আহাদ আলীর ছেলে অভিযুক্ত রাজিদুর রহমান নিশানের (২১) সাথে কিশোরীর দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল। পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে পরবর্তীতে তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এ ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই কিশোরী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে পরিবার দাবি।
এঘটনায় এলাকায় বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জনও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়নি।
তিশার পিতা আলমগীর হোসেন বলেন, ঘটনার সময় আমি এবং তিশার মা অসুস্থতার কারণে ঢাকায় ছিলাম। বাড়িতে তিশা আর আমার আব্বা ছিলেন। তিশাকে নিজ বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে থাকা অবস্থায় পাওয়া গেছে।
পার্শ্ববর্তী বসবাসকারী মোঃ আহাদ আলীর ছেলে রাজিদুর রহমান নিশান আমার মেয়ে তিশাকে বিভিন্ন সময় বিরক্ত করতো। এমনকি ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলো। আমরা বাড়িতে না থাকায় তিশাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে।
এদিকে পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তোলা হলেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তিদের মন্তব্য, তিশার অকাল মৃত্যু আমারা সবাই ব্যথিত। এমন একটি সংবেদনশীল ঘটনায় গুজব নয়, প্রয়োজন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত। প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে যদি কেউ দোষী হয়ে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন মিথ্যা অভিযোগের শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি। সত্য উদঘাটনই হোক ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে, কেশবপুর থানার পুলিশ তদন্ত অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের (PM Report) রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। রিপোর্ট পেতে প্রায় ৩০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছ। স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী এ ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তাদের মতে, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হওয়া জরুরি এবং দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যেন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এমএসএম / এমএসএম
সিংড়ায় পুকুর নিয়ে বিরোধ, গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার অভিযোগ
বাঘা থানার অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ আটক ৮
সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সাকিলা ফারজানাকে হাটহাজারীতে সংবর্ধনা
ক্ষেতলালে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
পটিয়ায় বসতঘর থেকে দুই সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধার
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে সরকার: এমপি মিলন
নেত্রকোণার মদনে পোনামাছ অবমুক্তকরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী--টুকু
কেশবপুরে স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু নাকি হত্যা
বড়লেখায় পুলিশের অভিযানে ১৩ এয়ারগান উদ্ধার; মামলা ও জব্দ তালিকায় দুই চিত্র
জুড়ী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি
পত্নীতলায় হুইল চেয়ার বিতরণ
শিবচরে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নারী ও শিশুসহ ২ জন নিহত আহত ৩