মনিরামপুর পৌর সভায় ভূয়া ওয়ারিশ সনদ নিয়ে তোড়পাড়
যশোরের মনিরামপুর পৌরসভায় পিতার চেয়ে বয়সে বড় একামাত্র ওয়ারিশ হিসেবে পুত্র সন্তানের ভূয়া সনদ নিয়ে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় তোড়পাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। যে পুত্র যাকে পিতা হিসেবে দাবী করে এই সনদ নিয়েছেন তিনি আদৌ তার সন্তান নন বলে একটি পক্ষের দাবী। ওই পিতার চার ছেলে-মেয়ে থাকলেও পৌরসভার সচিব স্বাক্ষরিত একমাত্র ওয়ারিশ দাবী করা কেয়ামদ্দিনের পুত্র মহোর মোল্যা সংশ্লিষ্ট ভ’মি অফিসে ৩ একর ১৭ শতক জমি নামপত্তন করতে আবেদন করেন। যার বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা। প্রায় একই সময় শাহাবুদ্দিন নামের একজন একই খতিয়ান থেকে তার ক্রয়কৃত ১০ শতক জমির নামপত্তনের আবেদন করলে এই অনিয়ম-দুর্নীতি বেরিয়ে আসে।
এদিকে পৌরসভার সচিবের দাবী তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ওয়ারিশ সনদ বানানো হয়েছে। ওয়ারিশ সনদধারিদের দাবি, তারা যথাযথ নিয়মে আবেদন করেই পৌরসভা থেকে এই সনদ নিয়েছেন। কিন্তু মৃত্যুর প্রায় ৮৬ বছর পর পৌরসভা থেকে মৃত্যু প্রতয়ন পাওয়ায় অনেকেই ঘটনাটি সন্দেহের চোখে দেখছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবী উঠেছে।
জানাযায়, চলতি বছরের ২৪ মে পৌরসভা থেকে কেয়ামদ্দিনের নামে একটি মৃত্যু সনদ দেওয়া হয়। যার পিতার নাম দেখানো হয়েছে মৃত হোসেন আলী মোল্যা। যিনি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের কামালপুরের বাসিন্দা।
সনদ নম্বর ১৩৭৬৯৬১৩৯২৫ এবং মৃত্যু নিবন্ধন নম্বর ১৯৪০৪১২৬৭৭৮০৫০৭২৬। এতে কেয়ামদ্দিনের মৃত্যু দেখানো হয়েছে ১৯৪০ সালের ১০ মে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে একই ওয়ার্ডের (কামালপুর) মৃত হোসেন আলীর মোল্যার কেয়ামদ্দিন নামে কোন সন্তান নেই। তার চার ছেলে-মেয়ের সবাই জীবিত রয়েছেন। মৃত হোসেন আলী মোল্যার প্রকৃত জন্ম ও মৃত্যু সনদ অনুযায়ী জন্ম তারিখ ১৯২১ সালের ১২ মার্চ এবং মৃত্যুর তারিখ ২০০৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি। অপরদিকে মহোর আলী মোল্যার আদেনকৃত ওয়ারিশ সনদে কেয়ামদ্দিন ১৩৬ বছর বয়সে ১৯৪০ সালের ১০ মে মৃত্যুবরণ করেন বলে দেখানো হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে সন্তানের চেয়ে পিতার বয়স কম।
কেয়ামদ্দিন মৃত হোসেন আলীর একমাত্র ওয়ারিশ দাবীকৃত সনদ নিয়ে কেয়ামদ্দিনের ছেলে মহোর মোল্যা ৯৯ নম্বর কামালপুর মৌজায় ৩১৮ নম্বর খতিয়ানভূক্ত সর্বমোট ১৫টি দাগের মৃত হোসেন আলীর তিন একর ১৭ শতক জমি নামপত্তন করতে দিলে অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়টি বেরিয়ে আসে।
মৃত হোসেন আলীর পুত্র তোফায়েল আহম্মেদ জানান, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কেয়ামদ্দিন মারা গেলে তার সন্তানরা ভিটেমাটি বিক্রি করে অন্যত্রে চলে যায়। তাদের বংশের কেউ না হলেও একামত্র ওয়ারিশ হিসেবে কেয়ামদ্দিন সনদ পাওয়ায় তারা হতবাক হয়েছেন। তিনি আরও জানান, তার বাবা জীবিত থাকাকালে মাস্টার শাহাবুদ্দিনের কাছে একই ৩১৮ খতিয়ান হতে ১০ শতক জমি বিক্রি করেন (যার হাল দাগ ৮২৬)। সম্প্রতি শাহাবুদ্দিনের ক্রয়কৃত জমি নামপত্তন করতে গেলে এই জাল-জালিয়াতি জানতে পারেন।
এ ব্যাপারে নামপত্তন করতে দেওয়া কাগজপত্রে দেওয়া মহোর মোল্যার মোবাইলে ফোন দিলে তার নাতি শামীম হোসেন জানান, সব নিয়ম মেনেই পৌরসভা থেকে ওয়ারিশ সনদ নিয়ে জমি নামপত্তন করতে আবেদন করেন তার দাদা মহোর মোল্যা।
জানতে চাইলে পৌরসভার সচিব তফিকুল আলম মৃত্যুর প্রত্যয়ন সনদ দেওয়ার কথা জানিয়ে বলেন, তাদেরকে ওয়ারিশ সনদ দেওয়া হয়নি।
এমএসএম / এমএসএম
তারাগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচিতে এমপি ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা
বিতর্কিত এসআই নেয়ামতের বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ
গৌরনদীতে গভীর রাতে সৌদি প্রবাসীর বাড়ির দেয়াল ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর
রূপসার ফখরুল হত্যার ঘটনায় ‘কাটাপ্পা’ গ্রেপ্তার
কাছাইট গ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান মহারাজ আর নেই
শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে পেকুয়ায় গ্রন্থপাঠ কার্যক্রম
অভয়নগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন, চার চাষিকে পুরস্কার
শ্রীনগরে মদ্যপ অবস্থায় কৃষক দল নেতার নাচগানের ভিডিও ভাইরাল
পটুয়াখালীতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন
নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ছয় দফা দাবিতে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-সহস্রাধিক শিক্ষার্থী-অভিভাবকের অংশগ্রহণ
উলিপুরে জাতীয় মৎস পক্ষের উদ্বোধন
মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন