ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

বৃষ্টির পানিতে ডুবলো সড়ক: দুই গ্রামের ভরসা সরু বাঁশের সাঁকো


ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি photo ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২-৭-২০২৬ দুপুর ৩:২৮

সামান্য বৃষ্টি হলেই জলমগ্ন হয়ে পড়ে চলাচলের একমাত্র রাস্তাটি। কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও থৈ থৈ করছে জমে থাকা জল। ফলে সাধারণ মানুষের হেঁটে চলারও কোনো উপায় থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে যাতায়াতের জন্য গ্রামবাসীর এখন একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে নিজেদের উদ্যোগে নির্মিত একটি সরু বাঁশের সাঁকো।
​ঘটনাটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের। ইউনিয়নের  কুকাদাইর গ্রামের শেষপ্রান্তে এবং রাউৎবাড়ী গ্রামের শুরুতে গোলাপ খাঁর বাড়ির পাশের রাস্তাটি একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে গিয়ে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আর এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই গ্রামের শতাধিক পরিবারের মানুষসহ স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা।
​সরেজমিনে দেখা যায়, সামান্য বৃষ্টিতেই ওই এলাকার মূল রাস্তাটি হাঁটু পানিতে তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় দিনের পর দিন জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নেয়। রাস্তায় পানি জমে থাকায় গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে যাতায়াত করাও চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন এই বিপদজনক পথ পার হয়েই শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে তাদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

গোলাপ খাঁ ও আনায়ার হোসেন সহ ​স্থানীয়রা জানান, এলাকাবাসীর যাতায়াতের সুবিধার জন্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আমাদের এই রাস্তাটি করে দিয়েছিলেন। এরপর আর রাস্তাটি কোনো মেরামত করা হয়নি। এদিকে টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তাটি তলিয়ে যায়। রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় জনপ্রতিনিধিরা কেউ এগিয়ে না আসায় অনেকটা বাধ্য হয়ে তারা নিজেদের উদ্যোগ ও খরচে বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। তবে সাঁকোটি অত্যন্ত সরু হওয়ায় একসঙ্গে একাধিক মানুষের পারাপার হওয়া অসম্ভব। ফলে প্রায়শই ঘটছে ছোট-খাটো দুর্ঘটনা, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য এটি একটি আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​ভুক্তভোগী এক গ্রামবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একটু বৃষ্টি হলেই দুই গ্রামের সংযোগস্থল এই রাস্তাটি ডুবে যায়। আমাদের চলাচলের আর কোনো বিকল্প পথ নেই। বছরের পর বছর এই ভোগান্তি সহ্য করতে হচ্ছে, কিন্তু স্থায়ী ড্রেন বা রাস্তা উঁচুকরণের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।"
​এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সময়ের মধ্যে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রাস্তাটি উঁচু করে সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ ও জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

এ ছাড়া গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতে উপজেলার গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। পরবর্তীতে বৃষ্টির পানি নেমে গেলেও এখনো উপজেলার গোবিন্দাসী, নিকরাইল, ফলদা ইউনিয়নসহ বেশ কিছু এলাকার রাস্তা কাদামাটিযুক্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোথাও আবার নিজেদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে সেখান দিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ পথচারীরা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল কর্মকর্তা মো. তোরাব আলী বলেন, উপজেলাটি নদীবেষ্টিত এলাকা হওয়ায় এখানকার রাস্তা তৈরিতে বালুমাটি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে রাস্তাগুলো একটু বৃষ্টিতেই ভেঙে যায় এবং নিচু এলাকার রাস্তাগুলো পানিতে তলিয়ে যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। আমরা ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর সংস্কারকাজ শুরু করেছি। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছি। অনুমোদন হয়ে এলে রাস্তাগুলো পাকাকরণ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

দীর্ঘদিন বন্ধ ইউনিয়ন উপ স্বাস্থ্যেেকন্দ্র ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

জেলেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে হাজিরহাটে নতুন কমিটি গঠন

নড়াইল বাস-মিনিবাস পরিবহণ মালিক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

পাবনায় ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের জমি নির্বিঘ্নে পরিচালনা নিশ্চিতের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন

লালমনিরহাটে চোরাচালান মামলায় ভারতীয় নাগরিকের কারাদণ্ড

বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা

প্রবাসে থেকেও শিক্ষা উন্নয়নে অনন্য দৃষ্টান্ত: নৈয়াইর ডিগ্রি মাদ্রাসার উন্নয়নে এগিয়ে এলেন সিঙ্গাপুর প্রবাসী বিএনপির সহ-সভাপতি মো. বাবুল খন্দকার

টঙ্গী হাজীর মাজার বস্তিতে জিএমপির বিশেষ অভিযান: অবৈধ বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন

একটা ঘর আর তিন বেলা খাবার ব্যবস্থা হলে মরেও শান্তি পাইতামঃ বকশীগঞ্জের অসহায় বৃদ্ধ দম্পতির আকুতি

ভূরুঙ্গামারীতে রবীন্দ্র, নজরুল ও ভাওয়াইয়া চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন

নানিয়ারচর ও লংগদু সংযোগ সড়ক বাস্তবায়নে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে-দীপেন দেওয়ান এমপি

বৃষ্টির পানিতে ডুবলো সড়ক: দুই গ্রামের ভরসা সরু বাঁশের সাঁকো

দখলমুক্ত হলে ফিরবে স্বস্তি সরকারি খাল পুনঃখননের অপেক্ষায় মনপুরা