পেকুয়ায় রাতের আঁধারে বেড়িবাঁধ কাটার চেষ্টা, জব্দ স্কেভেটর ও ১৫ নাসি
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে গভীর রাতে সরকারি উপকূলীয় প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ কেটে পানি প্রবাহের জন্য পাইপ (স্থানীয়ভাবে নাসি) স্থাপনের চেষ্টা বন্ধ করে দিয়েছে করেছে প্রশাসন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি স্কেভেটর ও স্থাপনের উদ্দেশ্যে রাখা ১৫টি বড় আকারের পাইপ জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় তিন ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে শরৎঘোনা এলাকায় গোপনে এ কার্যক্রম চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান। খবর পেয়ে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী গ্রাম পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে খননকাজ বন্ধ করে দেন।
চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি বেড়িবাঁধ কেটে নাসি বসানোর প্রস্তুতি চলছে। সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর নির্দেশনায় স্কেভেটর ও ১৫টি পাইপ জব্দ করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য ঘটনাস্থলে গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, শরৎঘোনা এলাকার হারুন মাতবরপাড়ার নুর মুহাম্মদ, লালমিয়া পাড়ার মনু ও শরৎঘোনার জহিরুল ইসলাম এ কাজের সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বেড়িবাঁধ কেটে লবণ মাঠ ও চিংড়িঘেরে পানি সরবরাহের নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি মৌসুমে লবণ চাষি ও ঘের মালিকদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারে অর্থ নিয়ে পানি সরবরাহ করা হয়। এ উদ্দেশ্যেই বারবার সরকারি বেড়িবাঁধে অবৈধভাবে নাসি বসানোর চেষ্টা করা হয়, যা পুরো উপকূলীয় এলাকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্তরা বলেন, ওই স্থানে আগে থেকেই নাসি ছিল। নতুন করে তা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকেও অনুমতির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি উপকূলীয় প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাটা বা সেখানে নাসি স্থাপনের কোনো বিধান নেই। এ ধরনের কাজের জন্য কারিগরি সমীক্ষা, পরিবেশগত মূল্যায়ন এবং যথাযথ প্রশাসনিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক। অনুমোদন ছাড়া রাতের বেলায় এ ধরনের কার্যক্রম আইনবহির্ভূত।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বঙ্গোপসাগরের কুতুবদিয়া চ্যানেলসংলগ্ন এই প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ উপকূলীয় জনপদকে জলোচ্ছ্বাস ও লবণাক্ত পানির আগ্রাসন থেকে রক্ষা করে। তাই বাঁধে অবৈধ হস্তক্ষেপের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুরুল আখতার নিলয় বলেন, বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরে এলে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
গোদাগাড়ীতে নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
জিয়ানগর সুধীজনদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা
সিংড়ায় ৫ টি বক অবমুক্ত করলো ইউএনও
শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির ৮ প্লাটুন মোতায়েন
কালিয়ায় অনলাইন প্রতারনায় দুইজন আটক, নগদ টাকা জব্দ
মনপুরায় পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
ইট ভেঙে জীবিকা চলে শতবর্ষী ছব্দুলের, পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে সেবার মানউন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান নবাগত তত্বাবধায়ক ডাঃ আলী আশরাফ
শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির নতুন কমিটি, সভাপতি মানিক লাল সম্পাদক সুধা রঞ্জন
আত্রাইয়ে বান্দাইখাড়া টেকনিক্যাল কলেজে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন
নাগরপুরে দশম শ্রেণির বখাটে ছাত্রর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত
বাঘায় বিশ্ব সাদা ছড়ি নিরাপত্তা দিবস পালন