মগনামার মটকাভাঙ্গা সড়কের বেহাল দশা, সড়ক নয় যেন চাষের জমি
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মটকাভাঙ্গা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ৩ কিলোমিটারের সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার হয়ে পড়ে, ফলে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারীসহ সাধারণ মানুষের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষা মৌসুমে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন শত শত মানুষ। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন অসুস্থ রোগী ও জরুরি সেবাপ্রত্যাশীরা। প্রয়োজনের সময় অ্যাম্বুলেন্স পর্যন্ত এলাকায় প্রবেশ করতে পারে না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী জানান, নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোট শেষে আর তাদের খোঁজ নেওয়া হয় না। সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ থাকলেও এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে বলে দাবি তাদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে নই, আমরা শুধু আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই। একটি চলাচলযোগ্য রাস্তা আমাদের মৌলিক প্রয়োজন। উন্নয়ন যেন সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আসিফ জানান, মটকাভাঙ্গা ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী ও অসুস্থ রোগীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। জরুরি সময়ে অ্যাম্বুলেন্সও এলাকায় প্রবেশ করতে পারে না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি, কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়েনি। সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে দ্রুত সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের জোর দাবি জানাচ্ছি।
তারা সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান, স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং উপজেলা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত সড়কটি স্থায়ীভাবে সংস্কারের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, সড়কটি দীর্ঘবছর ধরে সংস্কারবিহীন রয়েছে। দীর্ঘ ৩ কিলোমিটারের সড়কটি বেশ কিছু আমি নতুন করে সংস্কার করেছি। সরকারের কাছে এই সড়কের চাহিদা দিয়েছি। আশাকরি আগামী অর্থবছরে সড়কটির কাজ হয়ে যাবে।
পেকুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউসার আহমদ বলেন, আগামীতে বরাদ্দ আসলে আমরা সড়কটির কাজ করার চেষ্টা করবো।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে এবং নিরাপদ ও স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবেন হাজারো মানুষ।
এমএসএম / এমএসএম
দৌলতপুরে পুলিশ পরিচয়ে ইয়াবা, নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
জলাবদ্ধতায় কাজে আসেনি ১৪০ কোটি টাকার প্রকল্প–ডুবছে ভবদহ
মগনামার মটকাভাঙ্গা সড়কের বেহাল দশা, সড়ক নয় যেন চাষের জমি
মনপুরায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, আটক ৩
রাণীশংকৈলে মডেল মসজিদের উদ্বোধন
বগুড়ায় ৭ শ্রমিকের মৃত্যু : স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল
বগুড়ায় নিহত বেড়ে ৭, স্পিডব্রেকার নির্মাণের আশ্বাসে সড়ক ছাড়লেন স্থানীয়রা
নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ড, একই পরিবারের দগ্ধ ৩
ট্রেনের ৫ বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
আমিও বিশ্বাস করতে চাই তিনি ডিসেম্বরেই আসবেন, আইনের মুখোমুখি হবেন’
কুমিল্লা বার্ডে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপিত
আদমদীঘিতে গৃহবধুর শ্লীলতাহানির চেষ্টা মামলার আসামী গ্রেফতার