ঢাকা রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬

ইউনিসেফ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১-৮-২০২৬ বিকাল ৭:২৮

‎ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী বলেছেন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ সমাজের মানুষের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত ও গ্রহণযোগ্য। তাঁরা শুধু ধর্মীয় বিষয়েই নয়, মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক জীবনেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারেন। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা একটি মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমকে আরও জোরদার করতে আগ্রহী।

‎মঙ্গলবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর ২য় তলায় অবস্থিত সভাক্ষে শিশু, কিশোরী, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের পুষ্টি এবং শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ বিষয়ে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ইউনিসেফ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‎মহাপরিচালক বলেন, শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা, মায়ের সুস্বাস্থ্য এবং কিশোরীদের পুষ্টি নিশ্চিত করার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে আরও সক্ষম ও মানবিক করে গড়ে তোলা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

‎সভায় বক্তারা বলেন, সুস্থ মা ও সুস্থ শিশুই একটি সুস্থ, দক্ষ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং প্রারম্ভিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে দেশের মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইমাম, খতিব, আলেম-ওলামা ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

‎সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রসমূহ থেকে মা ও শিশুর জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য ও পুষ্টিসেবা প্রদান করা হচ্ছে।

‎সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপ, গবেষণা ও ২০২৫ সালের বাংলাদেশ মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে (MICS)-এর তথ্য ও ফলাফল আলোচনায় তুলে ধরে বক্তারা বলেন, দেশে বিশেষ করে গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, কিশোরী এবং ০-৩ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে পুষ্টিঘাটতি এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায়ে মা ও শিশুর পুষ্টি বিষয়ে যথাযথ জ্ঞান ও তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রচলিত ভুল ধারণা ও কুসংস্কারের কারণেও মা ও শিশুর পুষ্টি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

‎সভায় আরও বলা হয়, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, পারিবারিক মূল্যবোধ ও সামাজিক আচরণে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। বিশেষ করে জুমার খুতবা, ওয়াজ-মাহফিল, ধর্মীয় শিক্ষা, পারিবারিক পরামর্শ এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তাঁরা মা ও শিশুর পুষ্টি, স্বাস্থ্য, পরিচর্যা এবং শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ বিষয়ে সঠিক ও বিজ্ঞানসম্মত তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন। ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জনসচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করা হলে তা পরিবার ও কমিউনিটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

‎অ্যাডভোকেসি সভায় মা ও শিশুর পুষ্টি ও বিকাশ সম্পর্কিত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিষয়গুলো হলো- গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের পুষ্টি এবং মাল্টিপল মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সাপ্লিমেন্টেশন (MMS); ০-২৩ মাস বয়সী শিশুর পুষ্টি; কিশোরীদের পুষ্টি; শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ; এবং শিশুদের অতিপুষ্টি বা ওবেসিটি প্রতিরোধ।

‎সভায় এসব বিষয়ে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মতামত, অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ গ্রহণ করা হয়। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মতামতের ভিত্তিতে কমিউনিটি পর্যায়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য সহজবোধ্য, গ্রহণযোগ্য ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্মত প্রয়োজনীয় তথ্য-উপকরণ তৈরির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

‎সভায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মুফতি ওয়ালিয়ুর রহমান খান, পরিচালক, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সরকার সরোয়ার আলম, ইউনিসেফের এসবিসি অফিসার উম্মে হালিমা, ইউনিসেফের নিউট্রিশন স্পেশালিস্ট মোঃ আজিজ খান, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের (IPHN) প্রতিনিধি, মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এস এম তরিকুল ইসলাম (যুগ্ম সচিব), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক, মোঃ মহিউদ্দিন, ড. হারুনুর রশীদ, বজলুর রশিদ, আব্দুল হামিদ খান, আনিসুজ্জামান শিকদার, সরকার সরোয়ার আলম,

‎পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মুফতি ওয়ালিয়ুর রহমান খান,

‎ইউনিসেফ বিসিও-এর এসবিসি সেকশনের চীফ (অফিস ইনচার্জ) শেখ মাসুদুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশগ্রহণকারীগণ বক্তব্য প্রদান করেন।

‎সভায় বক্তারা বলেন, মা ও শিশুর পুষ্টি উন্নয়নে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সঙ্গে কমিউনিটির একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করা সম্ভব। ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে মসজিদভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে পুষ্টি, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুর পরিচর্যা, কিশোরীদের স্বাস্থ্য এবং শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ বিষয়ে পরিবার ও সমাজে ইতিবাচক সচেতনতা তৈরি হবে।

‎সভায় আরও অভিমত ব্যক্ত করা হয়, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মা ও শিশুর পুষ্টি বিষয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা এবং সঠিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি আচরণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ইউনিসেফের মধ্যে সমন্বিতভাবে কার্যক্রম গ

এমএসএম / এমএসএম

ইপনায় নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডার কোর্সের সনদ বিতরণ: অর্জিত জ্ঞানকে মানবিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণের আহ্বান উপাচার্যের

ঢাকা ব্যাংক প্রেজেন্টস মার্ক্সেলেন্স ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

ঘরেরবাজারের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি এবং ল শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীন বরণ

ইউনিটি গ্র্যান্ড বিজনেস ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ অ্যাঙ্কর ইন

শিক্ষার্থী অর্থায়নে সহযোগিতা জোরদারে কমিউনিটি ব্যাংক ও স্পিøটপে বাংলাদেশ’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ইউনিসেফ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

সিঙ্গাপুরে ন্যাশনাল ব্যাংক এক্সচেঞ্জ হাউজের পাঁচ রেমিটারকে ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ রেমিটার্স সম্মাননা ২০২৬’ প্রদান

তিন সহোদরা বোনের অনন্য কৃতিত্ব, এসএসসি ২০২৬-এ তিনজনই গোল্ডেন এ+

এসএসসির ফলাফলে মাইলস্টোন কলেজের প্রশংসনীয় সাফল্য

দুর্গম অঞ্চলের জনগোষ্ঠী ও শিক্ষার্থী-ফ্রিল্যান্সারদের জন্য টেলিটকের বিশেষ আকর্ষণীয় ডাটা ও ভয়েস অফার চালু

শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কনটেন্ট লিডস, এভরিথিং ফলোস’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বাজেট প্রতিযোগিতা