ঢাকা মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষাবিদ এস. কে.দত্ত অনুপ


এম টি রহমান মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার photo এম টি রহমান মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: ১-৯-২০২৬ দুপুর ২:১৬
 বাংলাদেশের সমাজে কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের পরিচয় কোনো পদ-পদবি, প্রতিষ্ঠান কিংবা আনুষ্ঠানিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাঁদের প্রকৃত পরিচয় তৈরি হয় মানুষের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা, শিক্ষা, মূল্যবোধ এবং সমাজের জন্য কিছু করার নিরন্তর প্রয়াসের মধ্য দিয়ে। তিনিই হলেন এস. কে.  দও অনুপ।  তাঁরা প্রচারের আলোয় থাকার চেয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। নিজেদের কর্ম ও আচরণের মাধ্যমে তাঁরা সমাজে তৈরি করেন আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গা। শিক্ষাবিদ এস. কে. দত্ত অনুপ তেমনই একজন আলোকিত মানুষ।
একজন মানুষের জীবনকে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর অর্জনের তালিকার পাশাপাশি দেখতে হয় তিনি কতজন মানুষের জীবনকে স্পর্শ করতে পেরেছেন। কতজনকে অনুপ্রাণিত করেছেন, কতজনের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং তাঁর কর্মের মাধ্যমে সমাজে কতটুকু ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে। 
এই বিচারে এস. কে. দত্ত অনুপের দীর্ঘ জপথচলা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
১৯৬৭ সালের ২০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ঝিউরি গ্রামে তাঁর জন্ম। প্রয়াত বিকর্ণ লাল দত্ত ও অনন্ত বালা দত্তের পাঁচ পুত্রের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। একটি সম্ভ্রান্ত ও সুপরিচিত পরিবারে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি পারিবারিক মূল্যবোধ, শিক্ষা ও মানবিক চেতনা তাঁর ব্যক্তিত্ব নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শৈশবের সেই মূল্যবোধ পরবর্তী জীবনে তাঁর চিন্তা, কর্ম ও মানুষের সঙ্গে আচরণের মধ্যে গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
তাঁর জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়গুলোর একটি হলো শিক্ষা। দীর্ঘ ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। শিক্ষকতা তাঁর কাছে কেবল জীবিকা অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষ গড়ার এক মহান দায়িত্ব। একজন শিক্ষক একটি শ্রেণিকক্ষে শুধু পাঠ্যবইয়ের বিষয় পড়ান না; তিনি শিক্ষার্থীর চিন্তা, বিবেক, মূল্যবোধ, স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণে ভূমিকা রাখেন। এই সত্যকে ধারণ করেই এস. কে. দত্ত অনুপ তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন পার করেছেন। আমরা মানবতার সংগঠন বাংলাদেশ এপেক্স 
একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তাঁর রয়েছে সমৃদ্ধ শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা। হিসাববিজ্ঞানে এম.কম, এমবিএ, শিক্ষাবিজ্ঞানে বি.এড এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি-সংক্রান্ত পেশাগত যোগ্যতা তাঁর জ্ঞান ও দক্ষতার বহুমাত্রিকতার পরিচয় বহন করে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রশাসনিক দায়িত্বের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা এবং একটি সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন।
তবে একজন মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন শুধু তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বা পেশাগত সাফল্য দিয়ে হয় না। মানুষের আসল পরিচয় ফুটে ওঠে তাঁর মানবিকতায়। তিনি অন্যের জন্য কতটুকু ভাবেন, সমাজের প্রতি কতটুকু দায়বদ্ধ এবং তাঁর উপস্থিতি অন্য মানুষের জীবনে কতটুকু ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, সেটিই তাঁর প্রকৃত পরিচয়।
এস. কে. দত্ত অনুপের ব্যক্তিত্বের অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতা। বয়স, পেশা কিংবা সামাজিক অবস্থানের পার্থক্য তাঁর কাছে সম্পর্ক তৈরির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। সহকর্মী, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের কর্মী কিংবা সাধারণ মানুষ, সবার সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে তিনি সক্ষম হয়েছেন। তাঁর মধ্যে নেতৃত্ব রয়েছে, কিন্তু সেই নেতৃত্বে কর্তৃত্বের চেয়ে সহযোগিতার মানসিকতাই বেশি দৃশ্যমান।
তিনি বিশ্বাস করেন, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই প্রকৃত নেতৃত্ব। একা সফল হওয়ার চেয়ে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়াকে তিনি বেশি গুরুত্ব দেন। তাই তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম শক্তি হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য। বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়েছে।
মানবিকতার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা আসে মানুষের দুঃসময়ে। আনন্দের সময়ে পাশে থাকার মানুষ অনেক পাওয়া যায়, কিন্তু বিপদে, অসহায়ত্বে কিংবা সংকটে যে পাশে থাকে, সেই মানুষই প্রকৃত অর্থে মানবিক। মানুষের কষ্টকে অনুভব করা, প্রয়োজনকে উপলব্ধি করা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মানসিকতা একজন মানুষকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। এস. কে. দত্ত অনুপের দীর্ঘ সামাজিক পথচলায় এই মানবিক মূল্যবোধেরই প্রতিফলন দেখা যায়।
মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য হিসেবেও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। দুর্যোগ, অসহায়ত্ব ও মানবিক সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর যে বৃহত্তর সামাজিক দায়িত্ব, তার সঙ্গে যুক্ত থাকা তাঁর সমাজসচেতনতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও শিক্ষা ও মূল্যবোধের সুন্দর সমন্বয় রয়েছে। শিক্ষিকা শ্রীমতী সঙ্গীতা দত্ত তাঁর জীবনসঙ্গী। তাঁদের একমাত্র সন্তান ওম্মকার দত্ত জয় একজন স্থপতি ও গবেষক। শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীলতার এই ধারাবাহিকতা একটি পরিবারের সুন্দর মানসিক পরিবেশেরই প্রতিচ্ছবি। একটি পরিবার যখন শিক্ষা, মানবিকতা ও মূল্যবোধকে ধারণ করে, তখন সেই পরিবারের ইতিবাচক প্রভাব বৃহত্তর সমাজেও ছড়িয়ে পড়ে।
এস. কে. দত্ত অনুপের আরেকটি উল্লেখযোগ্য গুণ হলো তাঁর আজীবন শেখার মানসিকতা। জ্ঞান অর্জনের কোনো নির্দিষ্ট বয়স নেই, মানুষের জন্য কাজ করারও কোনো অবসরকাল নেই, এই বিশ্বাস তাঁর কর্মজীবনে স্পষ্ট। বয়সের সঙ্গে নিজেকে গুটিয়ে না নিয়ে তিনি শিক্ষা, সমাজ ও মানুষের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তাঁর জীবন আমাদের শেখায়, একজন মানুষের কর্মস্পৃহা ও মানবিক দায়িত্ববোধ বয়সের সীমারেখায় আবদ্ধ নয়।
বর্তমান সময়ে সমাজে যখন ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ক্রমেই বাড়ছে, পারস্পরিক সম্পর্কের জায়গায় অনেক ক্ষেত্রে স্বার্থ প্রাধান্য পাচ্ছে, তখন এস. কে. দত্ত অনুপের মতো মানুষের জীবন আমাদের নতুন করে ভাবতে শেখায়। একটি সুন্দর সমাজ শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বড় বড় স্থাপনা কিংবা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গড়ে ওঠে না। সুন্দর সমাজ গড়ে ওঠে ভালো মানুষ দিয়ে। আর ভালো মানুষ তৈরির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হলো পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ।
একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে এস. কে. দত্ত অনুপ মানুষ গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। একজন সামাজিক মানুষ হিসেবে মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করেছেন। একজন সংগঠক হিসেবে মানুষকে একত্রিত করেছেন। আর একজন মানবিক মানুষ হিসেবে সমাজের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর জীবন তাই বহুমাত্রিক, কিন্তু সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু একটাই, মানুষ।
আজকের তরুণ প্রজন্মের সামনে যখন নানা ধরনের বিভ্রান্তি, হতাশা ও মূল্যবোধের সংকট, তখন এস. কে. দত্ত অনুপের মতো ব্যক্তিত্বের জীবন থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। সাফল্য মানে শুধু নিজের জন্য কিছু অর্জন করা নয়; সাফল্যের প্রকৃত অর্থ হলো নিজের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য দিয়ে অন্যের জীবনকে কিছুটা হলেও সুন্দর করা।
তাঁর জীবনের পথচলা আমাদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়, সমাজের জন্য বড় কিছু করতে সবসময় বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক পরামর্শ দেওয়া, একজন তরুণকে ভালো কাজে উৎসাহিত করা, একজন বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো কিংবা একজন হতাশ মানুষকে আশার কথা বলা, এগুলোও সমাজসেবার গুরুত্বপূর্ণ রূপ।
এস. কে. দত্ত অনুপ তাই শুধু একজন শিক্ষাবিদ নন, তিনি সত্যিকার অর্থেই একজন মানুষ গড়ার কারিগর। তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় কোনো পদ-পদবি নয়, তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন কোনো পুরস্কার বা সম্মাননাও নয়। দীর্ঘ জীবনে মানুষের মনে যে আস্থা, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গা তিনি তৈরি করতে পেরেছেন, সেটিই তাঁর প্রকৃত অর্জন।
সমাজে এমন মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে, সামাজিক বন্ধন তত শক্তিশালী হবে। নতুন প্রজন্ম তাঁদের কাছ থেকে শিখবে দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা, মানবিকতা, শৃঙ্খলা এবং নেতৃত্বের প্রকৃত অর্থ। তাঁরা বুঝবে, মানুষের জন্য কাজ করা কোনো ছোট বিষয় নয়; বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা হতে পারে।
এস. কে. দত্ত অনুপের জীবন ও কর্ম তাই একটি সুন্দর বার্তা বহন করে। মানুষের জন্য কাজ করার মধ্যেই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা। শিক্ষা দিয়ে মানুষ গড়া, মানবিকতা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং নিজের কর্মের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের চেষ্টা করা, এই তিনের সমন্বয়েই একজন মানুষ হয়ে ওঠেন সত্যিকারের আলোকিত মানুষ।
এস. কে. দত্ত অনুপ সেই আলোকিত পথেরই একজন পথিক। তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবন, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে চলার মানসিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। সময়ের স্রোতে পদ-পদবি পরিবর্তিত হবে, দায়িত্বের অধ্যায় শেষ হবে, কিন্তু একজন মানুষের ভালো কাজ, সুন্দর ব্যবহার এবং মানুষের হৃদয়ে রেখে যাওয়া ভালোবাসা থেকে যায়। আর সেই জায়গাতেই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তৈরি হয়। তিনি আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন  বাংলাদেশ এপেক্স এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ।  তিনি মানবতার বীর সৈনিক।  আমরা তাঁর সুস্হতা কামনা করছি..?

এমএসএম / এমএসএম

বিদেশ থেকে শূন্য হাতে ফেরত আসা মানেই স্বপ্ন শেষ নয়, বরং নতুন স্বপ্নের শুরুঃ মো. মামুন খন্দকার

কুড়িগ্রামে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পুকুর পাড়ে সুরক্ষাদেয়ালের দাবি: রাজশাহী বর্ণালী-যাদুঘর সড়ক সংস্কারে ধীরগতি

খালিয়াজুরীতে কাদায় বেহাল সড়ক, নিজ অর্থায়নে সংস্কার করে দিলেন শাকিল

শার্শায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নেত্রকোণায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবন্ধী পরিবারের ফসল নষ্ট-হামলার অভিযোগ

শেরপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

‎সাভারে বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আনন্দ র‍্যালি, এমপি বাবুর নেতৃত্বে জনতার ঢল

আন্তর্জাতিক সেবা সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষাবিদ এস. কে.দত্ত অনুপ

ঐক্যের বার্তা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে লোহাগড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নাজিরপুরের শেখমাটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপির সাবেক ছাত্রনেতা রেজাউল করিম লিটন

নেত্রকোণায় সাবেক এমপি আবু আব্বাস এর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

ধামইরহাটে গভীর রাতে মোবাইল কোর্টে ২ মাদকসেবীকে অর্থ ও কারাদণ্ড প্রদান