ঢাকা মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাতক্ষীরায় মাদক সহ দুই পুলিশ সদস্য গ্রেপ্তার


এস কে কামরুল হাসান, সাতক্ষীরা photo এস কে কামরুল হাসান, সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ৮-৯-২০২৬ দুপুর ৩:১৬

সাতক্ষীরায় ৫৬ বোতল কোরেক্স সিরাপসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরা বাইপাস সড়ক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কনস্টেবল মোস্তাইন বিল্লাহ ও কনস্টেবল নাজমুল ইসলাম। মোস্তাইন বিল্লাহ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের এসএফ শাখায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। নাজমুল ইসলাম সাতক্ষীরা ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে বাইপাস সড়ক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৫৬ বোতল কোরেক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশের একটি সূত্রের দাবি, মোস্তাইন বিল্লাহ ও নাজমুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা শহরের সার্কিট হাউস মোড় এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তাইন বিল্লাহর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করে বিক্রির অভিযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্র আরও জানায়, গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সার্কিট হাউস মোড় থেকে কাঁচাবাজার পার হয়ে একটি চা ও ক্যারাম খেলার দোকানে বসে মোস্তাইন বিল্লাহ ইয়াবা, কোরেক্স ও গাঁজা বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই কাজে দোকান মালিক তাইফুর সহযোগিতা করতেন বলেও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
তবে মোস্তাইন বিল্লাহ, নাজমুল ইসলাম ও তাইফুরের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, “নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।”
পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পুলিশ সদস্য হলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনগত নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রেপ্তার বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষণ, পরীক্ষা ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মামলার পর গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এমএসএম / এমএসএম

প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে শান্তিগঞ্জে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

হাটহাজারীতে এক গহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

সিংড়ায় রফিকুলের বিরুদ্ধে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ

ধুনটে পুলিশের অভিযানে একই দিনে পরোয়ানাভুক্ত ১০ আসামিসহ গ্রেপ্তার ১২

বিলাইছড়িতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

জয়পুরহাটে ব্র্যাকের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন

মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র ্যালী আলোচনা সভা

ঘিওরে পাটের ভালো দাম পেয়ে কৃষকের চোখেমুখে হাঁসির ঝিঁলিক

মনিরামপুরে মাছের ঘেরের ভেড়ি হিসেবে পাকা সড়ক ব্যবহার: ধসে পড়ছে রাস্তা ও গাছপালা

নরসিংদী জেলা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক