কুড়িগ্রামে খাদ্য বিভাগের দুর্নীতির বর পুত্র পেলেন অতিরিক্ত গুদামের দায়িত্ব,জেলা জুড়ে তোলপাড়
কুড়িগ্রামে ধান চাল সংগ্রহের অনিয়ম দুর্নীতির মূল হোতা উলিপুর উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মো: আশরাফুল আলম পেলেন অতিরিক্ত দায়িত্ব কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদাম। দুর্নীতির বর পুত্র হিসেবে খাদ্য বিভাগে সুপরিচিত ওই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের তদন্ত কিংবা শাস্তির ব্যবস্থা না করে উল্টো অতিরিক্ত গুদামের দায়িত্ব দেওয়ায় খাদ্য বিভাগের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শাস্তি মুলক ব্যবস্থা দেখে কৃষক সহ খাদ্য ব্যবসায়ীদের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে । উলিপুর উপজেলা ধান সংগ্রহে অনিয়মের অভিযোগে টেলিভিশন সহ বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হয়। খাদ্য বিভাগের তদন্ত কমিটি দুর্নীতিবাজ ওসিএলএসডি আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা না করে উল্টো তাকে পুরস্কৃত করেছে খাদ্যবিভাগ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় চলতি বছরের বোরো ধান সংগ্রহে উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের আফতাবগঞ্জ মিয়াজীপাড়ার কৃষক সফিকুল ইসলাম যাহার জাতীয় পরিচয়পএ নং:৫০৯৯৪৬০০৪৯, আছমা বেগম যাহার জাতীয় পরিচয়পএ নং :১৯০৪৯৪৯৭৯৭।
ধান সংগ্রহের নাম লটারিতে উঠলেও সিন্ডিকেট চক্র গুদামে ধান সরবরাহ করে হাতিয়ে নিয়েছেন টাকা।তাঁদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা।
এমন পরিস্থিতির শিকার উপজেলার অন্য ইউনিয়নের প্রকৃত কৃষকদের।
অসংখ্য কৃষক বলেন ইরি,বোরো মৌসুমে উপজেলা কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি ধান কেনায় অনিয়ম হয়েছে তেমনিভাবে আসল চাষীদের বাদ দিয়ে তালিকায় নেয়া হয়েছে দরিদ্র ও ভুমিহীনদের।
এমন প্রমাণ পাওয়া যায় বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের আফতাব গঞ্জ সরকার পাড়া গ্রামের রুজিনা বেগম যাহার জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ৫৯৫৪৯৪৭৩৭৯, মোছাঃ কেলেকভান যাহার জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ৪৬০৪৯৪১৫৮৫, মোছাঃ শিমু বেগম যাহার জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ২৩৫৬৮৬৩১২২।
এই তিন ব্যক্তির ১০ শতাংশ ভিটেমাটি ছাড়া আর কোন জমি নাই। আর এসব ব্যক্তিদের নাম কৃষক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে গোডাউনে ধান দিচ্ছে অসাধু চক্র। বিনিময়ে এসব ব্যক্তিদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা।এতে ফসল উৎপাদন করেন নায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অনেক কৃষক।
এবিষয়ে উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল করিম বলেন ৭-৮ বিষা জমিতে ধান চাষ করে সরকারিভাবে ধান বিক্রি করতে পারি না।উলিপুর উপজেলার খাদ্য পরিদর্শক কার কাছে কীভাবে ধান নেয় আমরা আবেদন করেও আমার নাম লটারীতে উঠে না।
চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম উলিপুর উপজেলার ধান সংগ্রহের লক্ষ্য মাএা ছিল ২২শত ৯৪ মেট্রিক টন থাকলেও ফরিয়া সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করে ২২ শত ৭১ মেট্রিক টন এবং চাউল ১ হাজার ৬৭ মেট্রিক টন থাকলেও তা পুরোপুরি সংগ্রহ হয়েছে বলে জানা যায়।
কৃষকের ধান সিন্ডিকেট করে লুটপাট করে খাওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত মুলক শাস্তির দাবিতে ফুসে উঠেছে কুড়িগ্রামের সচেতন মহল।।
এবিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হক জানান কুড়িগ্রাম সদরে খাদ্য পরিদর্শক না থাকায় আশরাফুল ইসলামকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এই সপ্তাহে নতুন খাদ্য পরিদর্শক আসবে তখন আশরাফুল ইসলাম থাকবে না।এছাড়া বিভিন্ন মিডিয়ায় উলিপুর উপজেলার ধান সংগ্রহের নানা অনিয়মের প্রতিবেদন আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এমএসএম / এমএসএম
তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে, ইসমাইল জবিউল্লাহ
বরগুনায় জি,টিভির প্রাইভেটকারও ইজিবাইকের সংঘর্ষে নিহত -২
পর্যটন ও পরিবেশ সুরক্ষায় কুয়াকাটায় তারুণ্যের উৎসব
পরনের কাপড় ছাড়া কিছুই নাই,চাল আসবাবপত্র সব পুড়ে ছাই
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে শালিখা থানা পুলিশের মোটরসাইকেল মহড়া
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের অধিগ্রহণের চেক বিতরণ
এসি বাস চালু হতেই ফের বাধা, বাঁশখালীতে আটকে দেওয়া হলো এসআর পরিবহনের দুই এসি বাস
কুমিল্লা কবি পরিষদের দাউদকান্দি শাখার সভাপতি আমিনুল হক, সাধারণ সম্পাদক শাকিল সরকার
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
গোপালগঞ্জে সাইফুর রহমান নান্টুর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কক্সবাজার জেলা ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান
নড়াইলে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণে নড়াগাতী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে বৈষম্যের অভিযোগ
Link Copied