সাতকানিয়া-শহরে গোসল করে এনে নিহতের লাশ লুকোচুরি করে দাফন,চেহারা দেখেনি স্ত্রী সন্তানেরাও
আবারো কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার কালিয়াইশে।কালিয়াইশ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আহমদ কবিরের ভাতিজা সাইফুদদীনকে কে তিন আগে কুপিয়ে জখম করা হয় । আজ রবিবার (১৩ই সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি (নিহত সাইফুদ্দিন) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
নিহত সাইফুদদীন সাতকানিয়া উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মলেয়াবাদ এলাকার ফজল করিম সওদাগরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালিয়াইশ ইউনিয়নের ফজল করিম সওদাগরের ছেলে সাইফুদ্দিনের সাথে পূর্ব বিরোধ ছিলো স্থানীয় ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির সাথে।
ওই পূর্ববিরোধের জেরে ইলিয়াস সানির নেতৃত্বে ৩দিন আগে হামলা করা হয় সাইফুদদীনের উপর।
ইলিয়াস সানি একই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কাঠগড় এলাকার শফি ড্রাইভারের ছেলে।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলনেতা ইলিয়াস সানির নেতৃত্বে ৮ই সেপ্টেম্বর সংঘটিত হামলায় আরো অংশ নেয় আব্দুল জব্বার মানিক,হাসান,কায়েফ,আসিফসহ আরো ১০/১২জন।
এদিকে সাইফুদদীনের উপর গুরুতর হামলার ঘটনাকে ব্যবসায় রূপান্তরিত করে আহত সাইফুদ্দীনের খালাত ভাই মিজান ও হামলাকারী আব্দুল জব্বার মানিক।ফলে সাতকানিয়া থানায় এজাহার দায়ের না করে সাইফুদদীনকে চিকিৎসাধীন রেখে একটি আর্থিক দফারফা করে শেষ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠেছে।
ওই অভিযোগের রেষ না কাটতেই আহত অবস্থায় সাইফুদদীন চমেক এ আহত শরীর নিয়েই মৃত্যু বরণ করেন।
নিহতের আত্বীয় মিজান বলেন,আমি হামলার ঘটনার পরে গেছি।তিনি আরো বলেন, ঘটনা হয়তো বুধবার কিংবা বৃহস্পতিবারে হয়েছে।ঘটনার ২/১ দিন পর অর্থাৎ পরসু শুক্রবারে আহত সাইফুদ্দীন বাড়ি চলে আসছিল।পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তিনি আবারো হাসপাতালে যান পরে আজকে চিকিসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।তবে হামলার ঘটনায় আপোষ সংক্রান্ত বিষয়ে আমি জড়িত নয়।কেউ হয়তো আপনাকে ভুল তথ্য দিয়েছে। আপনি নিহতের বড় ভাই জসিমের সাথে কথা বলেন তিনি চট্টগ্রামে থাকেন।মারধরের পর থেকে তিনিই সাইফুদদীনকে চিকিৎসা করিয়েছেন। তারা এখন লাশ নিয়ো বাড়িতে আসতেছে আমি কথা বলেছি। মারামারির সময় কে কে ছিল জানতে চাইলে মিজান প্রতিবেদককে বলেন, ভাই আমি মারামারির ঘটনার পরে গেছি আহত অবস্থায় পেয়েছি সাইফুদদীনকে কারা মারছে জানিনা।তবে উভয় পক্ষে মারামারি হয়েছে সেটা সঠিক।
রাতে স্থানীয়রা এই প্রতিবেদককে আরো বলেন, নিহতের বড় ভাই জসিম বলেন,ভাই আমার ভাই মারধরের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজকে মারা গেছে, আমি বেশী কথা বলতে পারছিনা আমি টেনশনে আছি। কারা মারছে সেটাও আপাতত আমি আপনাকে বিস্তারিত বলতে পারছিনা।
হত্যাকারীদের বাঁচাতে আপন বড় ভাই জসিম নিহতের লাশ চট্টগ্রাম থেকে গোসল করে সাতকানিয়া এনে গভীর রাতে স্ত্রী সন্তানদেরকে লাশের মুখ না দেখিয়ে দাফন করেছে।
অপরদিকে রাতের আঁধারে নিজ বাড়িতে না নিয়ে দাফন করার বিষয়ে সাতকানিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো: আরিফ নিহতের পরিবারকে প্রশ্ন করলে নিহতের বড় ভাই নাকি স্বাভাবিক মৃত্যুর কিছু ডকুমেন্টস সরবরাহ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে এই মৃত্যু নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয়রা প্রতিবেদককে শতভাগ নিশ্চিত করেছেন আহত সাইফুদ্দীনের রক্ত বন্ধ করা হয় দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে অবস্থার অবনতি হলে চমেক এ নিয়ে গেছিল।
এমএসএম / এমএসএম
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চত্বরে গরুর খামার, ছয় মাসেও জানেন না কর্তৃপক্ষ
কাশিয়ানীতে র্যাব সদস্যের দাপটে অসহায় ১০ পরিবার
কালের পরিক্রমায় সাপের খেলা এখন স্মৃতির ফ্রেমে বন্দী
খাবার তৈরির পরিবেশ অপরিচ্ছন্ন, টুঙ্গিপাড়ায় দুই রেস্টুরেন্টকে জরিমানা
পঞ্চগড়ে দিনে হট্টগোল রাতে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশ সহ আহত ২১
কাপ্তাইয়ে হেলে পড়েছে জাতীয় গ্রিডের তার: প্রতিনিয়ত তাড়া করছে আতঙ্ক।
দর্শনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিল্লাদ গ্রেফতার
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযানে ২৬০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার
সাতকানিয়া-শহরে গোসল করে এনে নিহতের লাশ লুকোচুরি করে দাফন,চেহারা দেখেনি স্ত্রী সন্তানেরাও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে তিতাস কমিউটারের স্টাফদের মারধরের অভিযোগ, টিকিট বিক্রি বন্ধ
প্রতিবেশীর লাঠির আঘাতে এক ব্যক্তি নিহত
মুকসুদপুরে বিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২ বার চুরি