ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঠিকাদারি বিরোধে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে ‘নাশকতার’ মামলা, তদন্তে পুলিশ


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৬-৯-২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলা নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে হওয়া এ মামলায় চার বিএনপি নেতাকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এলডিপির নেতাকর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে তাদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, নাশকতার উদ্দেশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিল এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে পদদলিত করার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।

তবে মামলার এজাহারে উল্লিখিত রাজনৈতিক পরিচয় ও ঘটনার বিবরণের সঙ্গে অভিযুক্তদের আসল পরিচয়, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যে চরম অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সড়ক বিভাগের ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই ঠিকাদার সমিতির বিরোধের জেরে মূলত একটি ব্যানার সরানোকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সড়ক বিভাগ কার্যালয়ের নির্ধারিত একটি কক্ষে আলোচনা সভা করলেও সেখানে কোনো মিছিল বা নাশকতার ঘটনা ঘটেনি।

এসব অসঙ্গতি সামনে আসার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম।

এর আগে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সাতকানিয়া থানায় মামলাটি করেন মো. আব্দুল কাদের সিকদার নামে একজন। বিষয়টি পরবর্তীতে জানাজানি হলে আলোচনা শুরু হয়। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। 


আসামির তালিকায় রয়েছেন— আফিল উদ্দিন আহমদ (৫২), মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫), ইলিয়াছ বাবুল (৫৫) এবং কামাল উদ্দিন চৌধুরী বাচ্চা (৪৮)।

মামলার এজাহারে আসামিদের এলডিপি এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ অভিযুক্তদের রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে তাদের বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা হিসেবে পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আফিল উদ্দিন গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা যুবদলের সদস্য। ইলিয়াস বাবুল সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক। অন্য আসামি কামাল উদ্দিন চৌধুরী বাঁচাও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।

নেপথ্যে দুই ঠিকাদার সমিতি, নেতৃত্বে বিএনপির দুই পক্ষ

খোঁজ নিয়ে মামলার নেপথ্যে ঠিকাদারি কাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ কার্যালয় ঘিরে ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার সমিতি’ এবং ‘চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগ ঠিকাদার কল্যাণ সমিতি’ নামে দুটি অনিবন্ধিত সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। সরকারি বা আইনি কোনো অনুমোদন না থাকলেও সড়ক বিভাগের কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ ও ভাগ-বাটোয়ারার সুবিধার্থে স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ নিজেদের মতো করে এসব সমিতি গড়ে তুলেছে।

একটি সমিতির সভাপতি চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী। অন্য সমিতির সভাপতি বিএনপি নেতা আফিল উদ্দিন আহমদ। এর সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম এবং সিনিয়র সহসভাপতি সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস বাবুল।

দুই পক্ষের এই বিরোধের মধ্যেই গত সোমবার দুপুরে এম এ হাশেম রাজুর নেতৃত্বাধীন সমিতি সড়ক বিভাগ কার্যালয়ের মাঠে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। অভিযোগ রয়েছে, প্যান্ডেল তৈরির সময় রাজুর অনুসারীরা অপর সমিতির টানানো একটি ব্যানার সরিয়ে ফেলেন। ব্যানার সরানোর খবর পেয়ে রাতে আফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে অপর পক্ষের নেতা-কর্মীরা সড়ক বিভাগ কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা একটি নির্ধারিত কক্ষে নিজেদের আলোচনা সভা করেন। এ ঘটনাকেই পরে মিছিল, নাশকতার প্রস্তুতি ও ছবি অবমাননার ঘটনায় রূপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার আসামিরা।

এজাহারে গুরুতর অভিযোগ

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জোট বেধে রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, জনসাধারণের ক্ষতিসাধন ও নাশকতার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সড়ক বিভাগ কার্যালয়ের সামনে মিছিল করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, মিছিল চলাকালে আসামিরা সড়ক বিভাগের কার্যালয়ের মূল ভবনে টানানো বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জসীম উদ্দীন আহমেদের ছবি সংবলিত ব্যানার ছিঁড়ে পায়ের নিচে পিষে উল্লাস করেন। পরে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এলে আসামিরা পালিয়ে যান বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে আসামিদের দাবি, তারা কোনো মিছিল করেননি, নাশকতার প্রস্তুতিও নেননি। ছবি সংবলিত ব্যানার ছেঁড়া বা পদদলিত করার অভিযোগও তারা অস্বীকার করেছেন।

আফিল উদ্দিন আহমদ বলেন, আমি গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি এবং উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। বিএনপির দুঃসময়ে বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে থেকে দলের হাল ধরেছি। আজকে কি তার পুরস্কার হিসেবে সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি হতে হলো? পুলিশ কোনো ধরনের প্রাথমিক তদন্ত না করে মধ্যরাতে কীভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মতো মারাত্মক মামলা রুজু করল, তা দেশবাসীর কাছে আমার প্রশ্ন। সেখানে আমাদের সমিতির কিছু ব্যানার ছিল, যা হাশেম রাজুর লোকেরা সরিয়ে ফেলেছিল। খবর পেয়ে আমরা শুধু সেখানে গিয়ে নির্ধারিত কক্ষে নিজেদের আলোচনা সভা করেছি। ছবি পদদলিত করার প্রশ্নই ওঠে না।

সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা যুবদলের সদস্য। আমাদের বিরুদ্ধে নাকি অভিযোগ, আমরা আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডারদের নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছি! এই গাঁজাখুরি কথা কোনো পাগলেও বিশ্বাস করবে না। স্রেফ ঠিকাদারি সমিতির দ্বন্দ্ব এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ওপর এই আইনি নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।

ইলিয়াস বাবুল বলেন, আমি সাতকানিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক। আজীবন আন্দোলন-সংগ্রামে জেল-জুলুম সহ্য করেছি। মূল বিষয় হলো, সোমবার রাতের সেই আলোচনা সভায় আমি উপস্থিতই ছিলাম না। তা সত্ত্বেও আমাকে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আসামি করা হলো।

যা বললেন বাদী ও সাক্ষী

মামলার বাদী মো. আব্দুল কাদের সিকদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মামলার পেছনে ঠিকাদারি সমিতির দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করেন। তবে বিস্তারিত বলতে চাননি। তিনি বলেন, আমি ঢাকায় এসেছি, গাড়ি থেকে নামছি, একটু পর ফোন দেন। এরপর তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মামলার ১ নম্বর সাক্ষী এম এ হাশেম রাজুও বিস্তারিত বক্তব্য দিতে চাননি। তিনি বলেন, সাক্ষী হিসেবে আমার যা বলার, তা আমি পুলিশ ও আদালতকে বলব। ঘটনাস্থলে সড়ক বিভাগের সিসিটিভি ক্যামেরা ছিল এবং তার ফুটেজও সংরক্ষিত আছে। ক্যামেরা জব্দ করা হয়েছে, ফুটেজ দেখলেই সত্য-মিথ্যা প্রমাণ হয়ে যাবে। আপনারা বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করুন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, ঠিকাদার সমিতির একটি অনুষ্ঠান ছিল, আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও আমি যাইনি। রাতে কী ঘটেছে বা মামলা হয়েছে কি না, তার কিছুই আমার জানা নেই। এছাড়া এই ঠিকাদার সমিতিগুলোর সরকারি কোনো নিবন্ধন নেই। এগুলো ঠিকাদাররা নিজেদের সুবিধার্থে নিজেরাই গড়ে তুলেছে।

পুলিশ পেয়েছে ছেঁড়া ব্যানার

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহির আমিন বলেন, ঠিকাদারি সমিতির দ্বন্দ্বের বিষয় জানা নেই। মামলা রুজু হওয়ার পর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকটি ছেঁড়া ব্যানার পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার পেছনে অন্য কোনো বিষয় আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানের কাজ চলছে। বাদী এজাহারে যা উল্লেখ করেছেন, সেটির ওপর ভিত্তি করেই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিএনপি নেতাদের ছবি ও ব্যানার অবমাননার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছি। নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তদন্তে নেমেছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

মামলার ঘটনা এবং পুলিশের প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বুধবার (১৬ জুলাই) ঢাকা পোস্টকে বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যেই আমার নজরে এসেছে এবং এতে আমি নিজেও বেশ উদ্বিগ্ন। ঘটনাটির পেছনে আসলে কী ঘটেছে এবং পুলিশের প্রাথমিক পদক্ষেপ সঠিক ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এবং সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যে তারা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন। প্রতিবেদন পেলেই পুরো বিষয় এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ স্পষ্ট হবে।

ঠুনকো ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

ঠিকাদারি সমিতির আধিপত্য বিস্তার ও ব্যানার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করার আইনি ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়া হাবীব আহসান বলেন, মামলা যেকোনো নাগরিক যেকোনো ধারায় করতে পারেন, কিন্তু এটি আইনসিদ্ধ বা গ্রহণযোগ্য কি না, তা বস্তুনিষ্ঠ তদন্তে বেরিয়ে আসবে। অভিযোগ সত্য না হলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসবে, আর সত্য হলে অভিযোগপত্র হবে। যেহেতু এটি স্পর্শকাতর দলীয় কোন্দল, তাই তদন্তের কাজ স্রেফ একজন এসআইয়ের ওপর ছেড়ে না দিয়ে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি মনিটরিং ও নিরপেক্ষ তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, যেকোনো পেশাজীবী বা সামাজিক সংগঠনের নিজস্ব একটি গঠনতন্ত্র ও নিয়ম-নীতি থাকে। কেউ অপরাধ বা বিশৃঙ্খলা করলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম না মেনে কথায় কথায় ফৌজদারি মামলা, দ্রুত বিচার আইন বা দণ্ডবিধিতে মামলা করা এবং মারামারিতে জড়িয়ে পড়ার কারণে সামাজিক অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে ও সমিতিগুলোর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

অন্যদিকে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর আইনে মামলা দায়েরের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইদ্রিস মিয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। কার বিরুদ্ধে কী মামলা হয়েছে, তাও জানি না। আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছি। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে দেখব।

aliul / aliul

সব ধর্মের মানুষের জন্য সেফ সিটি গড়তে চাই : ডা. শাহাদাত

গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ

বন্ধ কাফকোর রাসায়নিক বর্জ্যে নিধন হচ্ছে মাছ, দিশেহারা চাষিরা

ফুলকলির দূষণ নিয়ে ‘ভুল তথ্য’, বিএনপি নেতাকে শাসালেন এমপি এনাম

৭০ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধ, স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার

অস্ত্রের তথ্য দিন, আইনি জটিলতা ছাড়াই পুরস্কার: এসআরবি

হামের উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৭

তেজগাঁও মসজিদে চলছিল গোপন বৈঠক, সন্দেহভাজন ২৩ জন গ্রেপ্তার

মালিবাগে ককটেল বিস্ফোরণ

ব্যাগে স্বর্ণের পেস্ট ও পকেটে ৩৫টি গয়নাসহ শাহ আমানতে যাত্রী আটক

মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্টেও করা যাবে ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন

বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের বাড়িতে উঠলেন ফুটপাতে থাকা গোলাপি বেগম