বাংলাদেশ বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে উপস্থাপনা বিভাগে অসংগতির অবসান চান উপস্থাপক-উপস্থাপিকারা
বাংলাদেশ বেতারকে বলা হয়- সবার জন্য সব সময় সব খানে। তবে এতবড় একটা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উপস্থাপক-উপস্থাপিকা তথা শিল্পীরা কোনখানে এই প্রশ্ন এখন অনেকেরই মনে মনে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতারের বাজেট সংকটের অজুহাতে প্রায় ৮০ ভাগ অনুষ্ঠান বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। বেতারের ট্রান্সমিশন শিডিউলও কমানো হয়েছে। এই পরিবর্তনের আঁচ লেগেছে বাংলাদেশ বেতারের জনপ্রিয় সেকশন- বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও। বাণিজ্যিকের অনুষ্ঠান প্রচারের সময়সূচি সকাল নয়টা থেকে সন্ধা সাতটা পর্যন্ত চলমান থাকায় তিন শিফট অর্থাৎ তিন পালায় উপস্থাপক উপস্থাপিকারা দায়িত্ব পালন করতেন।
তবে কিছুদিন থেকে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের শিডিউলে ব্যাপক পরিবর্তন চলমান রয়েছে। তিন শিফটের অনুষ্ঠানমালা দুই শিফটে কমিয়ে আনা হয়েছে। একইভাবে উপস্থাপক -উপস্থাপিকাদের শিডিউলে ব্যাপক পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে তারা তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করলেও এখন দুই শিফটে দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে। এতে করে অনেকে বাদ পড়েছেন আবার কারো কারো উপস্থাপনার কার্যক্রম কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে চরম অসংগতির জায়গাটা পরিলক্ষিত হয় অনুষ্ঠান উপস্থাপক উপস্থাপিকাদের মাসিক শিডিউল তৈরীর সময়। দেখা যায় কাউকে তিনদিন, কাউকে চারদিন, কারো দুইদিন আবার কারো কারো মাত্র একদিন উপস্থাপনা থাকে গোটা মাসজুড়ে। কিসের ভিত্তিতে এমনটা করা হয় তা সত্যিই নিউটনের আপেল নিয়ে গবেষনা করার মতো পর্যায়ে চলে গেছে বলে মনে করেন অনেকে। অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে না আসা ব্যক্তিও তুলনামূলক বেশি ডিউটি পায় প্রায় ক্ষেত্রে। আবার ঘন ঘন নির্ধারিত ডিউটি বাতিল করা ব্যক্তিটির নামও শিডিউলে থাকে নিয়মিত। আবার দেখা যায়, বিশেষ কারনে কেউ আসতে না পারলে উপস্থিত উপস্থাপক উপস্থাপিকাদের দ্বারা অনুষ্ঠান পরিচালনা করা হয়। সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির পরিবর্তে বিকল্প হিসেবে কাউকে ডাকা হয় না কিংবা দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়া হয় না। যারা দায়িত্বশীল আচরণ করেন এবং প্রফেশনালিজম বজায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করেন নিয়মিত তাদের নিয়মানুবর্তিতার জন্য তারা কখনো প্রশংসাও পান না এমনকি তাদের ডিউটির সংখ্যাও বাড়ানো হয় না বরং ফাঁকিবাজদের সাথে একই কাতারে গন্য করা হয় তাদের।
এ বিষয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুষ্ঠান পরিচালনায় সংশ্লিষ্টদের অবগত করা হলেও ইফেকটিভ কোন পদক্ষেপ চোখে পড়েনি আজ অবধি। এই হলো বাংলাদেশ বেতারের বর্তমান বাস্তবতা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কারো কারো সাথে সম্পর্ক ভালো থাকার কারনেও অনেকে ডিউটি পালনে সুবিধা পান বলে অভিযোগ রয়েছে তবে সেটা প্রমাণ সাপেক্ষ! বাস্তবতা এমন পর্যায়ে এসেছে যে, একজনের উপস্থাপনার মান যেমনই হোক তার লবিং ঠিক থাকলে আর কোন চিন্তা নেই। অক্টোবর/২৬ মাসের উপস্থাপনার ডিউটি চার্ট হচ্ছে তারই বাস্তবতা!
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, প্যাকেজ অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান কমানোর পাশাপাশি নতুন কোন অনুষ্ঠান নির্মাণের চিন্তা যেন আকাশ কুসুম কল্পনায় পরিনত হয়েছে বেতার কর্তৃপক্ষের কাছে। তাই তো শিল্পীদের মধ্যে অনেকেই আক্ষেপ করে বলেন- বেতার আসলে তুমি কার!
এমএসএম / এমএসএম
বাংলাদেশ বেতারের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে উপস্থাপনা বিভাগে অসংগতির অবসান চান উপস্থাপক-উপস্থাপিকারা
মেকআপ ছাড়া ছবির সঙ্গে যা লিখলেন সাদিয়া আয়মান
ফের ভিকির সিরিজে তৌসিফ, সঙ্গে নতুন মুখ
‘গানের পথে দেখা’ হলো রূপঙ্কর ও জয়ের
নীল জলরাশির প্রেমে পারশা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে উচ্ছ্বসিত ইয়ামি গৌতম
স্ত্রীকে রেখে ‘তরুণী’ সঙ্গিনীকে নিয়ে ফ্রেমবন্দী গোবিন্দ
জাতীয় পুরস্কার পেয়ে কার্তিক বললেন—যাত্রাটি অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল
বিদ্যা বালানের পারিশ্রমিক দিতে নিজের বাড়ি বন্ধক রেখেছিলেন দিয়া মির্জা
শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানে আগ্রহ বাড়াতে হৃতিকের নাম পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করার পরিকল্পনা
সুশান্তের ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের মৃত্যু মামলায় ফের তদন্ত, নেপথ্যে যে কারণ
বিবাহিত সহশিল্পীর প্রেমে সাবা কামার, অতঃপর...