একাত্তরের গণবাহিনী

একাত্তরের গণবাহিনীকবি গোলাম মতিন রুমিমুক্ত ‘ক’ অঞ্চল ছিল পাটগ্রাম উনিশ শ’ একাত্তর সালেএলাকাটি ছিল যেন মগের মুল্লুক মুক্তিযুদ্ধ কালে।বাংলাদেশ-পাকিস্তান কোন প্রশাসনের ছিলনা নিয়ন্ত্রণ,জান-মালের তাই নিরাপত্তা নিয়ে ছিল ভীত জনগণ।বিপদ আতঙ্কে সাধারণ মানুষ কেটে ছিল নয় মাস,সেই অসহায় জনতার সুরক্ষায় গড়ে গণবাহিনী ইতিহাস।চুরি-ডাকাতি-খুন, নারী ধর্ষন, লুটপাট-রাহাজানিকরে প্রতিরোধ, গোটা এলাকাটি নিয়ন্ত্রণে পুরা আনি ।জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা রাতে আছিল পাহারারত,সন্ত্রাসী-ডাকাত সংঘর্ষে জানি হয় অনেকে আহত।শঙ্কিত জনারে দেয় সান্ত্বনা, গড়ে-সাহসিক মনোবল,পাটগ্রামবাসীর ছিল ওই দুর্দিনের সাথী গণবাহিনী সম্বল।বাংকার খনন মুক্তিযুদ্ধের রসদ জোগান আরমুক্তি-মিত্র বাহিনীর সহায়তা দানে ছিল ওরা তৎপর।রণাঙ্গনে ওই দুই বাহিনীর সর্বদা পাশে জাগিজোগায় সাহস শক্তি মনোবল কাজ করে ভাগাভাগি।স্বাধীনতা পরবর্তী মুক্তি বাহিনীর জীবন মান উন্নীত হল,একাত্তরের গণবাহিনী বিরল অবদানের স্বীকৃতি নাহি পেল।পরিশেষে তাই অবহেলিত এবার হয়েছে দারস্থ তাঁরযিনি মানবতার জননী বঞ্চিত জনের করে প্রদান অধিকার।সেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেজানাইছে আবেদন রাষ্ট্র সহায়তা মূল্যায়নের তরে।
এমএসএম / এমএসএম

নিষ্ফল ডায়েট

মুখোশ

অনিকেত জীবনের গল্প

আজ ২২শে শ্রাবণ, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস

আসছে আরফান হোসাইন রাফির প্রথম কাব্যগ্রন্থ: ‘সুদিন ফিরে আসছে’

বহুরূপী

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে মানিক লাল ঘোষের একগুচ্ছ কবিতা

একুশ ও আমরা

মানিক লাল ঘোষের একগুচ্ছ একুশের ছড়া

অপূর্ব চৌধুরী'র নতুন বই

সাহায্যের হাত বাড়াই

কেমুসাস সাহিত্য পুরস্কার পেলেন সব্যসাচী লেখক মীর লিয়াকত আলী

একজন নসু চাচা
Link Copied