ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬

দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রাখছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল


শামীম রেজা, চুয়াডাঙ্গা photo শামীম রেজা, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশিত: ২৬-১০-২০২১ দুপুর ৩:৪৩

চুয়াডাঙ্গায় দারিদ্র বিমোচনে ভূমিকা রেখে চলেছে ব্লাক বেঙ্গল গোট (কালো জাতের) ছাগল। এই অঞ্চলের গ্রামীন জনপদের প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে কালো ছাগলের ছোট-বড় খামার করে অনেকেই স্বাবলম্বী। বিশ্বখ্যাত কালো জাতের ছাগল পালন করে এ জেলার কৃষি পরিবারসহ অস্বচ্ছল পরিবারেও ফিরেছে স্বচ্ছলতা। এ জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই দেখা মিলবে ব্লাক ব্যাঙ্গল গোট বা কালো জাতের ছাগল।

বাংলাদেশের স্থানীয় জাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মানের দিক থেকে বিশ^সেরা হিসেবে স্বীকৃত। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা এফএও এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আইএইও ২০১৫ সালের মূল্যায়ন অনুযায়ী ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বিশে^র অন্যতম সেরা জাত। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ছগল ‘কুষ্টিয়া গ্রেড’ হিসেবে পরিচিত। তবে বর্তমানে বৃহত্তর কুষ্টিয়ার জেলার অংশ অধুনা, চুয়াডাঙ্গা জেলায় এই ছাগল বেশি পালন হওয়াতে জেলা প্রশাসন থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলা ব্র্যান্ডিং হিসেবে ‘ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল’ ঘোষণা করা হয়েছে। গুণগত মানের চামড়া ও সুস্বাদু মাংসের জন্য সারা পৃথিবীতে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের যেমন খ্যাতি রয়েছে তেমনি যে কোনো পরিবেশে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া ও বছরে দুবারে ৩ ৪টি বাচ্চা প্রদানের কারণে দারিদ্র বিমোচনে বিরাট ভূমিকা রয়েছে।

এ জেলায় শুধুমাত্র (ব্লাক বেঙ্গল গোট) কালো জাতের ছাগলই নয়, হরিয়ানা, যমুনাপাড়ী, তোতামুখি ও বিটল জাতের ছাগলও গৃহ পালিত হিসেবে পালন করে আসছে এ জেলার মানুষেরা। চুয়াডাঙ্গা জেলা জুড়ে কয়েক প্রজাতির ছাগল দেখতে পাওয়া গেলেও এর মধ্যে ৭০ শতাংশই ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল। এই অঞ্চলের বেকার যুবক-যুবতী ও নতুন উদ্যোক্তা এবং দরিদ্র কৃষকরা ব্লাকবেঙ্গল ছাগল পালন করে জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি জাতিকে পুষ্টি সরবরাহের কাজেও অগ্রণি ভুমিকা রাখছে।

এই ছাগল পালনে বাড়তি তেমন খরচ না থাকায় খুব সহজেই এর দেখভাল করতে পারেন পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও। অনেকেরই জীবনযাত্রা পাল্টে গেছে এই কালো জাতের ছাগল লালন-পালন করে। চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলা ঘুরে মূল সড়ক পেরিয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট এবং মেঠো পথেও দেখা যায় ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের। কোথাও উঠানে, কোথাও বা বাড়ির মাচায় চলছে ছাগল লালন-পালন। অনেক খামারি ২০/৩০টি ছাগল পালন করে বছরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করছে। যা দিয়ে তাদের সংসারের দেখভালের চাহিদা মেটাতে পারছেন।
চুয়াডাঙ্গা পৌরশহরের শাহাবুদ্দীন নামের এক ছাগল পালনকারী বলেন, ‘আমি সারা বছরই কৃষি কাজের পাশাপাশি ছাগল পালন করে আসছি। বর্তমানে আমার বাড়িতে ৫০ টির অধিক ছাগল রয়েছে। ২৪ বছর পূর্বে শখের বসেই মাত্র দুটি ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন করতে শুরু করি। এক বছরের মধেই তিনটি বাচ্চা দেয়। এর পর থেকে এই পর্যন্ত আমার সংসারে আর কখনই অভাব স্পর্শ করতে পারেনি। এই ছাগল দেড় বছরের মধ্যে আট থেকে দশ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। এরা বাড়ির আশপাশের গাছের পাতা, সবজির বর্জ্য, ঘাট ও বিচুলি খেয়েই বড় হয়। তাই এদের পালতে বাড়তি কোনো খরচেরও দরকার হয়না।’

কালো জাতের ছাগল পালন করে সংসারে স্বচ্ছলতা এনেছে লিমা থাতুন। বছর তিনেক আগেও দুশ্চিন্তায় দিন কাটতেন তিনি। স¦ামী মনোয়ার হোসেন ও ৩ সন্তান নিয়ে তার সংসার। চুয়াডাঙ্গা জেলা দামুড়হুদা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। স্বামীর ১বিঘা জমিতে কৃষিকাজ আর অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে চলে সংসার। এমতাবস্থায় লিমা তার কিছু প্রতিবেশীর কাছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘ছাগল পালন সমিতি’র খবর পেয়ে দেখতে যান। একদিন তিনি মাঠ কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানতে পারেন ওয়েভ ফাউন্ডেশন ছাগল পালনের উপর প্রশিক্ষণ, কারিগরি পরামর্শ, টিকা সেবা ও কৃমিনাশক প্রদান, ছাগলের অসুস্থতায় চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং প্রয়োজনে ছাগল ক্রয়ের জন্যও আর্থিক ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়। বিষয়টি স্বামীর সাথে আলোচনা করে সমিতির সদস্য হন এবং ঋণ নিয়ে ছাগল ক্রয় করার সিদ্ধান্তে উপনীত হন।

লিমা খাতুন প্রথমে ২০০০০ টাকা ঋণ নিয়ে ২টি ছাগি ক্রয় করেন এবং ১০ ছাগলের জন্য মাচাযুক্ত ঘর তৈরি করেন। ছাগি দুটি প্রথমেই একটি করে খাসি বাচ্চা প্রসব করে এবং বছর দেড়েকের মধ্যে লিমা খাসি দুটি ৩০০০০ টাকায় বিক্রি করেন। এই সময়ে প্রথম দুই মা ছাগি ও অন্যান্য বাড়ন্ত ছাগিরাও বাচ্চা দেয়। খাসি দুটি বিক্রিত টাকা ও দ্বিতীয় দফা ২৫০০০ টাকা ঋণ একত্র করে একটি গরু কেনেন। মাস ছয়েক পরেই ঈদে গরুটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। আস্তে আস্তে লিমা খাতুন তার ছাগল সংখ্যাও বাড়তে থাকে। বর্তমানে তার ছাগলের সংখ্যা ২৩টি। ছাগল পালনের প্রতি তার ও তার পরিবারের প্রচণ্ড আগ্রহ ও সাফল্য দেখে সংস্থার কর্মকর্তারা তাকে পাঁঠা পালনে উদ্বুদ্ধ করে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে প্রাণিসম্পদ ইউনিটের আওতায় তাকে বাক সেন্টার প্রদর্শনী দেয়া হয়।
কথা হয় বেসরকারি সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেন থেকে ঋণ নিয়ে ছাগল পালন শুরু করে স্বালম্বী হওয়া চুয়াডাঙ্গা পৌর শহরের আরও একজন ছাগল খামারী মাহমুদুন্নবীর সঙ্গে। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে দুইট ছাগল থেকে যিনি বর্মমানে ৬০টির অধিক ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের (কালো জাতের ছাগল) মালিক।  মাহমুদুন্নবী বলেন, ব্লাকবেঙ্গল জাতের ছাগল পালন করে আমার জীবন বদলে গেছে। ঋণ নিয়ে মাত্র দুটি ছাগল কিনে পালন করতে শুরু করে এখন আমার ৬০টির বেশি ছাগল রয়েছে। ছাগল ও দুধ বিক্রি করে প্রতি বছরে ভালো পরিমানের টাকা আয় হয় আমার। বর্তমানে কোন সরকারি চাকরিজীবীর থেকে কোন অংশেই কম নেই আমার। তিনি আরোও বলেন, ‘যে কেউই চাইলেই বেকার থেকে স্বাবলম্বী হতে পারে কালো জাতের ছাগল পালন করে। নিজ বাড়িতে অতিসহজেই এই জাতের ছাগল পালন করা যায়। এই ছাগলের তেমন কোন রোগবালায়ে আক্রান্ত হয় না।’

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ জেলায় বছরে প্রায় পাচ লাখ ছাগল উৎপাদন হয়ে থাকে। এর থেকে প্রাই ২৩ হাজার মেট্রিক টন মাংস উৎপাদন হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি ছাগলের মাংসের দাম প্রকার ভেদে ৬৫০/৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জেলায় ছাগলের মাংস ও চামড়া বিক্রি করে বছরে আয় হচ্ছে ২ হাজার কোটি টাকা। এছাড়াও ছাগলের চামড়া বিক্রি করেও মোটা অংকের বৈদেশীক মুদ্রা আয় হচ্ছে। থাকে। ফলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটছে এ জেলার মানুষের। এছাড়াও ছাগল উন্নয়ন খামার থাকায় সহজে উন্নত জাতের ছাগি ও পাঠা পাচ্ছে পালনকারীরা। এতে ব্লাক বেঙ্গল গোটের প্রজনন বৃদ্ধি করতে পারছে ।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের প্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জাতের ছাগলের রোগব্যাধি বলতে শীতকালে ঠান্ডাজনিত রোগ ছাড়া তেমন কোনো রোগবালাই হয় না। যদি রোগ হয়, প্রাণিসম্পদ দফতরের প্রশিক্ষিত চিকিৎসক রয়েছেন। তারা সার্বিক সহযোগিতা করে থাকেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রাণিবিদ্যাবিষয়ক স্বীকৃত জার্নালগুলোতে ব¬্যাক বেঙ্গল নিয়ে শতাধিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত এই গবেষণার মাঝ পর্যায়ে ২০০৭ সালের ২০ মার্চ জাতিসংঘের সংবাদ সংস্থা ইউএন নিউজে ব¬্যাক বেঙ্গল ছাগল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ। কিন্তু এখানেই রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রাণিসম্পদ ব¬্যাক বেঙ্গল ছাগলের বসতি। ওই বছরই আইএইএর ওয়েবসাইটে ব¬্যাক বেঙ্গল ছাগলকে বিশ্বসেরা হিসেবে উলে¬খ করা হয়।

এদিকে, জেলার এই ঐতিহ্যবাহী ব্লাক বেঙ্গল গোটের জাত সংরক্ষণে চুয়াডাঙ্গা তথা দেশের বৃহৎ বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওয়েভ ফাউন্ডেশন দামুড়হুদা উপজেলার কোষাঘাটায় ৩৫ বিঘা জমির উপর একটি মিশ্র খামারে ব্লাক বেঙ্গল গোটের জাত সংরক্ষণে আধুনিক পদ্ধতিতে ছাগী, পাঁঠি ও পাঁঠার উৎপাদনসহ বানিজ্যিকভাবে বিপন্ন করছে এবং ছাগল পালনের উপর এলাকার ও দেশের আগ্রহী যুবকদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থাও রেখেছে।

চুয়াডাঙ্গা ছাগল উন্নয়ন খামারের প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আরমান আলী জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলার বিশ্ববিখ্যাত ব্লাকবেঙ্গল গোটের জাত সংরক্ষণে ১৯৯৬ সালে চুয়াডাঙ্গায় ছাগল উন্নয়ন খামার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর এ খামার থেকে খুলনা বিভাগের ১০টি জেলাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে নির্ধারিত মূল্যে পাঠা-ছাগি সরবরাহ করা হয়ে থাকে। প্রতিটি পাঠা ১ হাজার ২শ টাকা ও ছাগীর মূল্য নেয়া হয় ১ হাজার ৮শ টাকা। এ খামারে পাঠা-ছাগি মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার ছাগল পালন করা হয়। এর ফলে ব্লাক বেঙ্গল জাত সম্প্রসারণ ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কালো জাতের ছাগল পৃথিবীর সেরা একটি জাত। আর এই জাতের ছাগলের উৎস চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ,  মেহেরপুর ও যশোরের কিছু আংশিক এলাকায়। তবে বলা যেতে পারে চুয়াডাঙ্গায় এই কালো জাতের ছাগল প্রাধান্যতা বেশি। এই ছাগল খামারটি প্রতিষ্ঠার মূল কারণ আমাদের এখানে কালো জাতের ছাগল পাঠা ও সংরক্ষণ করা হয়।

চুয়াডাঙ্গা প্রাণীসম্প কর্মকর্তা  ডা. গোলাম মোস্তফা বলেন,  চুয়াডাঙ্গা ব্লাকবেঙ্গল গোটের জন্য একটি অভয়াশ্রম বলা যায়। এখানকার জলবায়ুর ও পারিপার্শ্বিকতা ভালো ও উষ্ণ অনুকূল আবহাওয়া হওয়ার কারণে ছাগল পালনের ক্ষেত্রে এটা সব থেকে উপযোগী এলাকা। ব্লাকবেঙ্গল গোটের জাত সংরক্ষণে সরকারের মহতি উদ্যোগ রয়েছে। ব্লাক বেঙ্গল ছাগল (কালো জাত) হলো চুয়াডাঙ্গার ব্রান্ড। চুয়াডাঙ্গা জেলাকে এই ছাগলের অভয়আশ্রম বলে মনে করি। এখানের আবহাওয়া, পারিপার্শ্বিকতা সহ সব দিক থেকেই এই ছাগল পালনের দিক থেকে উপযোগী। বিশ্বের মধ্যে ১০০ টি ছাগল গবেষণা করে দেখা গেছে এই কালো জাতের ছাগলই সব থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ।  জেলার প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। এই গ্রামীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য দারিদ্রতা ও কর্মসংস্থানসহ আমিষের চাহিদা পূরন করতে এই কালো জাতের ছাগল পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে। এছাড়াও যে কোন অনুষ্ঠানাদিতেও এই ছাগলের কদর রয়ে গেছে। চুয়াডাঙ্গার ব্লাক বেঙ্গল জাতের ছাগোলের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় দেশে এবং দেশের বাইরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও জেলার প্রতিটি বাড়িতেই ৪-৫ টা এই ছাগল পাগল করে। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার ঐতিহ্য।  গ্রামের বেশির ভাগ নারীরা তাদের আয়ের উৎস হিসেবেও এই ছাগলনে ভূমিকা রয়েছে। এ জেলায় ছাগলের মাংস ও চামড়া বিক্রি করে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। শীতকালে ঠাণ্ডাজনিত রোগ ছাড়া তেমন কোন রোগ বালাই হয় না এই জাতের ছাগলের। 

এমএসএম / এমএসএম

মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা

সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ

সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী

মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার

কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক

নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক

ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন

হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু

নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার

ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত

ধামরাইয়ে ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ