ঢাকা সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

কালের বিবর্তনে যান্ত্রিক যুগে ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশশিল্প


ফুলছড়ি প্রতিনিধি photo ফুলছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-১১-২০২১ দুপুর ৩:১৬
কালের বিবর্তনে যান্ত্রিক যুগে ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশশিল্প। বর্তমানে বাঁশের তৈরি পণ্যের আর কদর নেই বললেই চলে। ফলে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে ফুলছড়ির বাগুড়িয়া গ্রামের এই শিল্প। এক সময় ফুলছড়ির ঘোলদহ বাগুড়িয়া, পাকারমাথায়সহ বেশকিছু জায়গায় এ শিল্পেরর তৈরি সব সামগ্রী গ্রামীণ জনপদের মানুষ গৃহস্থালিসহ বিভিন্ন চাষাবাদ, কৃষি ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁশের তৈরি সরঞ্জামাদি ব্যবহার করা হতো। এছাড়াও বাসাবাড়িসহ প্রায় সবখানেই চোখে পড়ত নানা রকমের বাঁশের তৈরি আসবাবপত্র। এখন সময়ের বিবর্তনে বদলে গেছে এসব চিরচেনা চিত্র।
 
মাঝেমধ্যে গ্রামীণ উৎসব ও মেলাগুলোতে বাঁশ শিল্পীদের তৈরি টোপা হোঁচা দারকী, কুলা, চাটাই, খলুই, ধামা, টোনা, পাল্লা, মোড়া, মই, ঝাড়নি, চালন ইত্যাদি চোখে পড়লেও নেই আগের মতো আর চাহিদা। বর্তমানে প্লাস্টিক ও বিভিন্ন ধরনের কাঠের বোর্ড ও অন্যান্য সামগ্রীর কদর বেড়ে যাওয়ায় এসব কুটিরশিল্পের চাহিদা এখন তলানিতে। এছাড়াও দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জনবসতি গড়ে ওঠায় বিভিন্ন জাতের বাঁশের চাষ না হওয়ায় কাঁচামালের ঘাটতির কারণেও দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়ছে এসব কুটিরশিল্প। 
 
উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের বাঁশশিল্প জাহাঙ্গীর মিয়া বলছেন, এক সময় দেশের বিস্তীর্ণ জনপদে চাষ হতো বাঁশ, যা আমাদের প‍ূর্বপুরুষরা এ বাঁশ দিয়ে  তৈরি  করত নিত্যদিনের গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত ও সৌখিন আসবাবপত্র। আর এসব আসবাবপত্র বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা। তাই আমরাও পেশার সঙ্গে জড়িত।
 
রজত মিয়া নামে এক বাঁশের কারিগর জানান, আমরা বাপ-দাদার সময় থেকে এই কাজ করে আসছি। কদর না থাকলেও টুকিটাকি কাজ করি, একবারে তো ছেড়ে দিতে পারব না! তবে বর্তমানে বাঁশের কাজ আর নেই। বাঁশের কিছু জিনিসপত্র বানাই। আর এগুলো বাজারে বিক্রি করতে গেলে ক্রেতা সংকটে পড়তে হয়। অনেক সময় গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত জিনিসপত্র একটু বেশি বিক্রি হয়। কাঁচামাল বেশি দামে কিনলেও তৈরিকৃত জিনিস কম দামে বেচতে হয়। বাঁশের এই তৈরি জিনিসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় একদিকে আমরাও থুব সংকটে পড়েছি।
 
এ বিষয়ে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লিটন মিয়া বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার এই ইউনিয়নের সৈয়দপুর, ঘোলদহ পাকার মাথা, কেতকীর হাটসহ এই শিল্পটি প্রচুর চালু। কিন্তু তা এখন বিলুপ্তির পথে। এই শিল্পে বাঁচিয়ে রাখতে আমি এই ইউনিয়নের একজন প্রতিনিধি হিসেবে বাঁশশিল্পের তৈরি একটি মেলা আয়োজন করে কারিগরদের মাঝে উৎসাহ প্রদানসহ নতুন প্রজন্মকে এই শিল্প সম্পর্কে উজ্জীবিত করব। এছাড়াও বিআরডিবিসহ বিভিন্ন এনজিওর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণদানের মাধ্যমে বাঁশশিল্পের কারিগরদের আর্থিক সহোযোগিতা করার চেষ্টা করব।

এমএসএম / জামান

মান্দায় ধান ব্যবসায়ীর ১৫ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

টাঙ্গাইলে ডাল-পালা ছাঁটাইয়ের নামে সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

পুঁটি মাছ ঘিরে নাসিরনগরের জেলে পাড়ায় কর্মযজ্ঞ, ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে শত মানুষের জীবিকা

‘সব সচিব নিয়ম মানলে আমিও আসব’: টুঙ্গিপাড়ায় ইউপি সচিবের বক্তব্য নিয়ে তোলপাড়, তদন্ত কমিটি গঠন

জিয়ানগরে ৫২ বছর অবৈধ দখলে থাকা সম্পত্তি উদ্ধার করলেন ইউএনও

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসআরবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও সিরাপ উদ্ধার

মান্দায় নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বিলাইছড়িতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

মুকসুদপুরে শিক্ষক ১৪ জন, এইচএসসি পরীক্ষার্থী একজন তিনিও ফেল: পাসের হার শূন্য

গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

প্রেম ও বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন সময়ে মোহনগঞ্জে আসেন অস্ট্রেলীয়ান ও ব্রিটিশ হাইকমিশনার

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে গৃহবধুর আত্মহত্যা, চিতলমারীর বাগান থেকে বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার

আঙ্গারজুর আলীম মাদ্রাসায় শিক্ষক সংবর্ধনা ও গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠিত