ঢাকা শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

ত্রিশালের চেচুয়া বিল : ফুটেছে লাল শাপলা, ভিড়ছে পর্যটক


ত্রিশাল প্রতিনিধি  photo ত্রিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩-১১-২০২১ রাত ৮:২৩

ফুটেছে লাল শাপলা, চারদিকে পাখির কলরব। বিলের এপাশ থেকে ওপাশ শুধু চোখ জুড়ানো লাল শাপলার সমারোহ। এ যেন রক্তিম নান্দনিকতার মনোলোভা রূপ। সকালে উদিত সূর্যের আভায় ফুটন্ত লাল শাপলা ও পড়ন্ত বিকেলে সূর্যাস্তের দৃশ্য মুহূর্তে যে কারো মন কাড়ে। এমন সৌন্দর্য বিরাজ করছে ত্রিশালের চেচুয়া বিলে। প্রায় ২০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তীর্ণ বিলটি। মাঝে মাঝে সাদা ও বেগুনী শাপলার দেখাও মেলে। এর সঙ্গে ভাসমান কচু ফুলের সাদা আভা এখানকার সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। ভ্রমণ পিপাসু মানুষ এই বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে ভিড় জমাচ্ছেন।

কোনো ধরনের চাষ ছাড়াই জন্মেছে লাল শাপলাগুলো। গোটা বিলের বুকজুড়ে এখন লাল শাপলার অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়। শিশির ভেজা রোদ মাখা সকালের জলাশয়ে চোখ পড়লে রং-বেরংয়ের শাপলার বাহারি রূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই বিলের দূরত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার। উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বিশাল বিল এটি। সারাদেশের মানুষ অবশ্য এ বিলকে প্রথমে চিনেছে একটি গুজবকে কেন্দ্র করে। একদিন রাত পেরিয়ে সকাল হতেই কিছু লোক দেখতে পায় সেখানে থাকা জমাটবাঁধা কচু হঠাৎ সরে গিয়ে অনেকটা জায়গা ফাঁকা হয়েছে। এটাকে অলৌকিক ভেবে কয়েকজন এখানে গোসল করে ও এর পানি খেয়ে রোগ থেকে মুক্ত হয়েছে বলে জানান। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সারাদেশের হাজার হাজার মানুষ বন্ধুর পথ পেরিয়ে কাঁদামাখা পানিতে গোসল, গড়াগড়ি ও কাদাযুক্ত পানি সংগ্রহ করতে এখানে ভিড় করে। এমন গুজবও ছড়ানো হয়েছিল যে, হাজারো সমস্যার একমাত্র সমাধান এই চেচুয়া বিল। বিলের পানিতে এক ডুবেই সেরে যাবে যে কোনো রোগ। এখানকার মাটি ও পানি নাকি সর্বরোগের ওষুধ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে ছড়ানো গুজবে হাজারো মানুষের তথাকথিত তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছিল ময়মনসিংহের এই চেচুয়া বিল। 

দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে আসা যায় চেচুয়া বিলে। যাতায়াতের সুবিধাও ভালো রয়েছে। বাস কিংবা নিজস্ব গাড়ি নিয়েও আসতে পারেন এই বিলে। প্রথমে ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড থেকে বালিপাড়া রোডে অটোভ্যানে করে ঠাকুরবাড়ি মোড়ে এসে নামতে হবে। ভাড়া নেবে ১০ টাকা। এরপর চেচুয়া বিল পর্যন্ত ভ্যান দিয়েও যেতে পারবেন আবার হেঁটেও যেতে পারবেন।

চেচুয়া বিল ভ্রমণ করতে এসে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে শিক্ষার্থী হুমায়রা আক্তার লাকি বলেন, প্রকৃতিতে নিজের রূপবৈচিত্র্য অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছে জলাভূমি ও বিলে ফুটে থাকা এ জলজ ফুলের রানী। শাপলা ফুলের উপস্থিতিতে যেন প্রাণ ফিরেছে গ্রামের শিশুদের উচ্ছল মাখা শৈশব। জলের ওপর বিছানো সবুজ পাতা ভেদ করে হাসছে লাল একেকটি শাপলা। দেখলে মনে হয় লাল শাপলা যেন রঙের গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে বিলজুড়ে। 

সৌন্দর্য রক্ষায় এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে এই বিলে ফুল তোলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঘুরতে আসা মানুষকে এলাকাবাসী সহযোগিতা করছেন। দর্শনার্থীদের নিয়মানুবর্তিতায় হয়তো এভাবেই বিলটি পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

এমএসএম / জামান

‎বাগেরহাটে দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ায় বালু উত্তোলনের পাইপ ভাংচুর

মোরেলগঞ্জে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯ জন আটক

ত্রিশালে শিক্ষক শূণ্যতায় ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম

টঙ্গীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

‎সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে গেছে ঝুলন্ত সেতু, পর্যটকদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

তীব্র যানজটে চার ঘণ্টা আটকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃত্যু

বাল্কহেডে চাঁদা দাবি, না পেয়ে মারধর, টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ কথিত নেতা রাসেদের বিরুদ্ধে

শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পরিবারের

মান্দায় বিতর্কিত ইউএনও পদন্নোতিতে সুশীল সমাজের ক্ষোভ:বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি

মনপুরায় হাসপাতালের ময়লা পরিষ্কারে অর্ধশতাধিক যুবদল নেতাকর্মী

ত্রিশালে জরাজীর্ণ ঘরে দিন কাটছে বৃদ্ধা সমেলার