ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

তরুণীর পেটে কাঁচির তদন্ত প্রতিবেদন : চিহ্নিত করা হয়নি কাউকে


এহসান রানা, ফরিদপুর photo এহসান রানা, ফরিদপুর
প্রকাশিত: ২১-১২-২০২১ বিকাল ৫:৫৭
ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণীর অস্ত্রোপচারের পর পেটে কাঁচি রেখে সেলাই করার প্রায় দুই বছর পর তা বের করার ঘটনার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে গঠিত তদন্ত কমিটি।
 
জানা যায়, সোমবার (২০ ডিসেম্বর) হাসপাতালের পরিচালক সাইফুর রহমানের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।সাইফুর রহমান জানান, ওই প্রতিবেদনে এ ঘটনার জন্য কে দায়ী, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়নি। কিংবা কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করা হয়নি।
 
তিনি বলেন, বিদেশি কয়েকটি নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- বিভিন্ন দেশে এ জাতীয় ঘটনা আগেও ঘটেছে। তবে ভবিষ্যতে অস্ত্রোপচারের সময় অধিক সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।গত ১২ ডিসেম্বর (রবিবার) পেটে কাঁচি রেখে সেলাই করার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সভাপতি হলেন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুল হাসান। অপর দুই সদস্য হলেন গাইনি বিভাগের অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা ও সার্জারি বিভাগের মো. কামরুজ্জামান।
 
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০২০ সালের ৩ মার্চ সার্জারি ইউনিট-টু’র দায়িত্বে নিয়োজিত সহযোগী অধ্যাপক মোল্লা সরফউদ্দিনের অধীনে এ অস্ত্রোপচারের সময় আরও তিন-চারজন চিকিৎসক অংশ নেন। তবে কার গাফিলতিতে এ ঘটনা ঘটেছে, তা উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন জার্নালের উদ্বৃতি দিয়ে সেখানে বলা হয়েছে, এ জাতীয় ঘটনা অপ্রতুল নয়। এমন নয়, এটিই প্রথম ঘটেছে। এর আগেও বিভিন্ন দেশে অস্ত্রোপচারের সময় এ জাতীয় ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, গঠিত তদন্ত কমিটি এ ব্যাপারে বেশ কয়েকটি সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- অস্ত্রোপচারের সময় একজন নার্সকে যন্ত্রপাতির দায়িত্বে নির্দিষ্টভাবে নিয়োজিত করা। পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও আয়াদের আরও অধিক দায়িত্বশীল হওয়ায় পরামর্শও সেখানে দেয়া হয়েছে। এছাড়া অস্ত্রোপচারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
 
সোমবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, মনিরা খাতুন এখনও হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তার শারীরিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে আর কত দিন ভর্তি থাকা লাগবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটিগ্রামের বাসিন্দা খাইরুল মিয়ার মেয়ে মনিরা খাতুন (১৮)। ২০২০ সালের মার্চে ওই তরুণী মেজিনট্রিক ফিস্ট (রক্তের দলা) জনিত সমস্যা নিয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। এরপর ৩ মার্চ সার্জারি বিভাগ ইউনিট টু-তে এ সমস্যার জন্য তার অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই সময় চিকিৎসকদের অজ্ঞাতসারে অস্ত্রোপচারের কাজে ব্যবহৃত ছয় ইঞ্চি লম্বা অর্টারি ফরসেপ পেটের মধ্যে রেখে সেলাই করা হয়। এরপর মনিরা প্রায়ই পেটে ব্যাথা অনুভব করতেন। সম্প্রতি এক্সরে করে বিষয়টি ধরা পড়লে পেট থেকে কাঁচিটি বের করা হয়।
বিষয়টি জানার পর ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর (শনিবার) ওই হাসপাতালেই পুনরায় অস্ত্রোপচার করে তরুণীর পেট থেকে কাঁচি বের করা হয়।

এমএসএম / এমএসএম

ভারতীয় শিশু উদ্ধার,পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত পাঠালো পুলিশ

বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

মাগুরায় কওমী মাদরাসার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ফুটপাত দখলমুক্ত করতে শ্রীমঙ্গলে পৌরসভার অভিযান

কসবা-আখাউড়ায় বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন: শুরু হচ্ছে দুটি মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ

বাগেরহাট হামপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশু আইসোলেশনে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের

কাউনিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা: ইউপি সদস্যসহ প্রাণ গেল ২ জনের, আহত ৪

পাঁচবিবিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ

রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

ঘোড়াঘাটে নিজের বাড়িতে আগুন লাগালেন নেশাগ্রস্থ ব্যক্তি

স্টেশন মাস্টার ও কর্মচারী ইউনিয়ন নির্বাচনে সভাপতি কামরুল সম্পাদক ময়েন

শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষা সৈনিক মনোয়ারা রহমান'কে স্মরণ

নববর্ষের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত