অযত্নে নষ্ট হচ্ছে মান্দা সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স
কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অযত্নে মান্দা সরকারি হাসপালের সচল অ্যাম্বুলেন্স ধুলা-বালিতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। একের পর এক তিনটি ভাল অ্যাম্বুলেন্স বিকল পড়ে আছে। ২০১৬ সালে নতুন একটি অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি পাওয়ার পর চলমান অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে একেক করে তিনটি রোগী বহনযোগ্য অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে দুটি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে, অন্য একটি সচল থাকলেও অযত্নে নষ্টের পথে।
এভাবে খোলা আকাশের নিচে নষ্ট হচ্ছে ৩টি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স। অথচ একটু রক্ষণাবেক্ষণ করার অভাবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। নজরদারি নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। নজরদারি থাকলে রক্ষা পেতো কয়েক লাখ টাকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ।
অভিযোগ রয়েছে, মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩টি অ্যাম্বুলেন্স মেরামত বা রক্ষনাবেক্ষণ না করার অভাবে বছরের পর বছর পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। ইতোমধ্যে দুটি অ্যাম্বুলেন্স অযত্ন ও অবহেলায় কিছু অংশ নষ্ট হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে। অন্য একটি এখনও ভালো অবস্থায় রয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এগুলো আর কাজে লাগবে না। অ্যাম্বুলেন্স ২টি যদি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা না হয় তাহলে এগুলো একদিন নষ্ট হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে।
সময় থাকতে যদি নিলামের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে এগুলো মেরামত করলে, ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। বিভিন্ন ক্লিনিক মালিকেরা কম দামে ক্রয় করে প্রত্যান্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত পারবে।সাধারণ মানুষ ও জন প্রতিনিধিরা এমনটাই প্রত্যাশা করেছেন।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চত্বরের ভিতরে অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজ বাম দিকে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কোয়ার্টার সংলগ্ন খোলা আকাশের নিচে ২টি অ্যাম্বুলেন্স পড়ে আছে।অ্যাম্বুলেন্স গুলোর দরজা-জানালা খসে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অ্যাম্বুলেন্সের ভিতরে অনেক প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের হদিস নেই। পাশেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের নিচে বাম পাশে ২০১৬ সাল থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় খোলা আকাশের নিচে আরো ১টি অ্যাম্বুলেন্স পড়ে আছে। পড়ে থেকে গায়ে শেওলা জমতে শুরু করেছে।
জানা যায়, ২০১৬ সালে নতুন একটি অ্যাম্বুলেন্স পাওয়ার পর থেকে আগেরটি আর ব্যবহার না হওয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে । সব মিলিয়ে ৪টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে শুধু একটি ব্যবহার হচ্ছে। অথচ অনেক সময় রোগীর চাপ সামলাতে একজন ড্রাইভারকে ৫০ কিলোমিটার দূরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একাধিক বার রোগী নিয়ে যাওয়া আসা করতে হয়। হিমশিম খেতে হয় একজন চালকে। অনেক সময় রেফার্ডকৃত মুমূর্ষু রোগী অ্যাম্বুলেন্স ফাঁকা না পেয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাসে করে রাজশাহীতে যেতে হয়। অথচ কর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি না থাকায় অ্যাম্বুলেন্স গুলো খোলা আকাশের নিচে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বিজয় কুমার রায় জানান, এসব বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তারা ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের জানালে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব।
জামান / জামান
মা মেয়েকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে চান , অর্থ না থাকায় অপারেশন অনিশ্চিত
রাণীশংকৈলে ৩দিন ব্যাপি স্কাউট ক্যাম্পুরী ও সমাবেশ
আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ডুবল চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী
নিজের দেড় মাসের সন্তানকে ২৫ হাজারে বিক্রি করে দিলেন বাবা
৩ ব্রোকারেজ হাউজ-কে ডিএসই’র ফিক্স সার্টিফিকেশন প্রদান
বাগেরহাটের মোংলায় বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ গঠন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, অফিস ভাঙচুর
মধুখালী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিক দত্তর অভিযানে মধুমতি নদীতে অবৈধ ড্রেজার জব্দ
চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার
আদমদীঘিতে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে টুঙ্গিপাড়ায় পার্টনার কংগ্রেস
সিংড়া উপজেলা পর্যায়ে স্টেক হোন্ডারদের সাথে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
কাউনিয়ায় বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন রকসির পিতার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন