ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

বগুড়ার শেরপুরে অসময়ের বৃষ্টিতে আলুর ক্ষতির আশংকা কৃষকদের


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫-২-২০২২ দুপুর ৩:৪১

অসময়ের বৃষ্টিতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আলুর জমিতে পানি জমে গেছে।  নিচু জমির শাকসবজি ও শীতকালীন সবজির ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

জানা যায়, শেরপুর উপজেলার কুসুম্বী, গাড়ীদহ, শাহ বন্দেগী, খামারকান্দি, ভবানীপুর, সীমাবাড়ি, বিশালপুর ও মর্জাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলুর ভালো ফলন হয়। এসব এলাকার কৃষকেরা সবসময় আগাম আলুসহ শীতকালীন অন্যান্য শাকসবজি চাষ করেন। গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে নিচু এলাকার আলুক্ষেতে পানি জমেছে। পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় প্রায় ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির আলুতে পচন ধরার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। অনেককে আগাম জাতের আলু পানির মধ্য থেকে তুলতে দেখা গেছে।

কুসুম্বি গ্রামের বর্গাচাষি  মনিরুজ্জামান বলেন, তিনি এ বছর স্থানীয় সমিতি থেকে এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ৫  বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন। অসময়ের বৃষ্টিতে যদি তাঁর জমির সব আলু পচে যায় তাহলে তাকে পথে বসতে হবে। বৃষ্টির পানি সরে গেলে  আলু তুলে এসব জমিতে নতুন করে ধানের আবাদ করবেন তিনি।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফাল্গুন মাসের মধ্য ভাগ নাগাদ আলু তোলা শেষ হবে কিন্তু মাঘের মাঝামাঝিতে এমন অপ্রত্যাশিত বৃষ্টির কারনে আলু পচে যেতে পারে। অন্তত ৯৫ শতাংশ কৃষক এখনো ফসল ঘরে তুলতে পারেননি। হঠাৎ বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষকই বড় ধরনের ক্ষতির আশংকা করছেন।

অনেক এলাকায় আগাম আলু তোলা শুরু হয়েছিল। বৃষ্টির কারণে তোলা সম্পন্ন হওয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। সবজির মধ্যে নিচু জমিতে চাষ করা বাঁধাকপি ও আলুর ক্ষতি হয়েছে। পানি জমে থাকলে বাঁধাকপি গাছের গোড়ায় পচন দেখা দিবে। কিছুটা দেরিতে বোনা আলুর ক্ষেত্রেও বৃষ্টি যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে।

উপজেলার রামনগর গ্রামের কৃষক রইস উদ্দিন বলেন, তার মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে বাঁধাকপি চাষ  হলেও তা তুলতে পারবেন কি-না আশংকা করছেন। বিক্রির উপযোগী না হওয়ায় সেগুলো জমিতেই রেখে দিতে হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি তিন বিঘা জমিতে আলু বুনেছিলেন, কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায়  ফসলে পচনের আশঙ্কায় আছেন। অন্য একটি জমিতে বাঁধাকপি চাষ করেছিলেন তিনি। জমিটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় পানি জমে গেছে।

গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তবিবর রহমান বলেন, অসময়ের বৃষ্টিতে এ বছর আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বিশেষ করে রামনগর, বোংগা ও কালসীমাটি গ্রামের কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় এ বছর ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃষ্টিতে যে কৃষকদের জমিতে জমে যাওয়া পানি সেচে বের করে দিতে না পারলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল হাসান বলেন, বৃষ্টি হলেও ভারি বর্ষণ হয়নি। তাই রবিশস্য ও অন্যান্য ফসলের খুব বেশি ক্ষতি হওয়ার কথা নয়।

শাফিন / জামান

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহে সার ডিলারশিপ নিয়োগে সীমাহীন দুর্নীতি

সুবর্ণচরে ভূয়া চিকিৎসক রাসেলের অপচিকিৎসায় প্রাণ হারাতে বসেছে ১ শিশু

শিবগঞ্জে কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৪ জনের কারাদণ্ড

মধুখালীতে কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা

কুড়িগ্রামে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, নিয়োজিত ১ হাজার ৭১ কর্মী

বকশীগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর ঝোপে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

নরসিংদীতে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজির বার্মিজ অজগর উদ্ধার

কামরুজ্জামান সিকদার কামালকে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান

জয়পুরহাটে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জেলা বিএনপির মতবিনিময়

রাজারহাটে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত