৩৭ লাখ টাকার বাগান বিক্রি করলেন হারবাং বিট কর্মকর্তা
গাছ পাচার চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে হারবাং বিটের অধীনে শ্রাবণ ঘাটা রইদ্দার ঘোনা এলাকার ৩৭ লাখ টাকা দামের গাছ বাগান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রাম বন বিভাগের চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও হারবাং বিট কর্মকর্তা মো. শাহিনুর বিপ্লবের বিরুদ্ধে।
হারবাং বিট কর্মকর্তা বলছেন, অবৈধ জবরদখলমুক্ত করে নতুন বাগান সৃজনের জন্য বাগনটি কাটা হচ্ছে। এদিকে চট্টগ্রাম বন বিভাগ বলছে, বনজদ্রব্য পরিবহন (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০১১ মোতাবেক ব্যক্তিমালিকানাধীন যুথ ভূমি থেকে গাছ কাটতে বা অপসারণ করতে হলে বন বিভাগের পারমিট বা অনুমোদন নিতে হবে।
অভিযোগ রয়েছে, বিট কর্মকর্তা শাহিন ও তার সহযোগী সৈকত মণ্ডলকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে আতাউর রহমান বরকতের কাছ থেকে ৩৭ লাখ বাগান কিনে নেন স্থানীয় গাছ পাচার চক্রের ৭ সদস্য। তারা হলেন- মাস্টার বেলাল উদ্দিন, আব্দুল মালেক (প্রকাশ বাইট্টা মালেক), ছৈয়দ ফকির, বাশেক, আজিজ উদ্দিন (প্রকাশ ক্লিয়ার আজিজ), আক্তার ও ছৈয়দনূর।
সরেজমিন দেখা গেছে, হারবাং বিট অফিসের এক কিলোমিটার পূর্বে বিশাল বাগানে চলছে গাছ কাটার মহোৎসব। সারি সারি কাটা গাছগুলো ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অন্যত্র। আর এসব গাছ কাটার নেতৃত্ব দিচ্ছে স্থানীয় ক্লিয়ার আজিজ নামে পরিচিত আজিজ উদ্দিন, বাইট্টা মালেক নামে পরিচিত মালেক ও মাষ্টার বেলাল উদ্দিন। এছাড়াও তাদের রয়েছে আরো চারজন পার্টনার। এই সিন্ডিকেটের সাথে হাত মিলিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার বাগান বিক্রি করেন বিট কর্মকর্তা শাহিন, এমনটি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা আরো জানান, বিট কর্মকর্তা শাহিনুর বিপ্লব যোগদানের পর থেকে শুরু হয়ে বন নিধন কার্যক্রম। ছোট-বড় শতাধিক বাগান বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেন তিনি এবং টাকার বিনিময়ে বনের জমিতে বসিয়েছেন হাজার হাজার ঘরবাড়ি।
গাছ পাচার চক্রের ৭ সদস্যের সাথে কথা বললে তারা জানান, আমরা চুনতি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও হারবাং বিট কর্মকর্তা শাহিনুর বিপ্লবের সাথে কথা বলেই ৩৭ লাখ টাকায় বাগান ক্রয় করেছি আতাউর রহমান বরকতের কাছ থেকে। তিনি মৌখিখভাবে কাটার অনুমতি দিয়েছেন। আমরা ইতোমধ্যেই তিন ভাগের দুভাগ কেটে ফেলেছি। বাকি গাছগুলো কাটার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
টাকার বিনিময়ে বাগান বিক্রির ব্যাপারে জানতে চাইলে হারবাং বিট কর্মকর্তা শাহিনুর বিপ্লব জানান, স্থানীয় আতাউর রহমান বরকত নামে একজন দীর্ঘদিন ধরে জায়গাটি দখল করে আছে। দখলমুক্ত করে সুফল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বাগানটি কাটা হচ্ছে। কোনো প্রকার টেন্ডার প্রক্রিয়া ও বন বিভাগের অনুমতি ছাড়া কিভাবে গাছ কাটা যায়- জানতে চাইলে তিনি জানান, এখানে টেন্ডার ও অনুমতি নেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ আমি দখলমুক্ত করার জন্য বাগানটি কাটছি। দখলমুক্ত হয়ে গেলে পুনরায় বাগানের আওতায় নিয়ে আসব বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, বন বিভাগের গাছ কাটা হচ্ছে এমন অভিযোগে সরেজমিন তদন্ত করেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তাদের সিদ্ধান্ত পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরেজমিন পরিদর্শন করার পরও কেন গাছ কাটা বন্ধ হয়নি- এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো উত্তর দেননি তিনি।
শাফিন / জামান
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মৃত হাতিকে মাটিতে পুতে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা!
জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশ্ব শান্তি কামনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন
আদমদীঘিতে হামীম পেট্রল পাম্পের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
হাটহাজারীতে অকটেন মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রয় বন্ধ রাখার অপরাধে জরিমানা।
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবক নিহত
আদমদীঘিতে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল শিশু হাবিবার
গোমতী নদীর তীর রক্ষায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান
বগুড়ার গাবতলীতে শ্যালো মেশিন ঘর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা সভা: দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
হত্যা মামলার আসামির ‘ক্ষোভ’: ৫০ নিরীহ চরবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মনপুরায় তরমুজে ভরা মাঠ, ঝড়ের আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত চাষিদের
জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও পাচার রোধে রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন
Link Copied