ঢাকা শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

রাশিয়ার ওপর আরেক প্রস্থ নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব ইইউর


সকালের সময় ডেস্ক photo সকালের সময় ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬-৪-২০২২ দুপুর ২:১৬

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ সংলগ্ন শহর বুচায় গণহত্যার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করে বিশ্বের বৃহত্তম এই দেশটির বিরুদ্ধে আরো এক প্রস্থ নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিচালনা পর্ষদ ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তরে এ প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছেন।

এখন এটির ওপর ইইউয়ের ২৭টি সদস্যরাষ্ট্রের মতামত নেয়া হবে। অধিকাংশ রাষ্ট্র যদি এই প্রস্তাব অনুমোদন দেয়, তাহলেই কার্যকর হবে এসব নিষেধাজ্ঞা।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা রিয়া নভোস্তির বরাত দিয়ে দেশটির সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম আরটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার কয়লা এবং ৪টি রুশ ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন ও ইউরোপের বন্দরে রুশ জাহাজ প্রবেশ ও অবস্থানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তাব দিয়েছেন। এছাড়া রাশিয়া থেকে কাঠ, সিমেন্ট, সামুদ্রিক খাবার ও স্পিরিট আমদানির ওপরও নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছেন তিনি। তবে খাদ্যপণ্যবাহী রুশ জাহাজগুলোকে ইউরোপের বন্দরে প্রবেশে বাধা দেয়া হবে না। পাশাপাশি রাশিয়ার তেল ও জ্বালানি গ্যাসও নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল ইউরোপ। দেশটির মোট চাহিদার ৪০ শতাংশ গ্যাস ও ৩০ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের জোগান আসে রাশিয়া থেকে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর থেকে একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। এসব নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে ইউরোপে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ জব্দ, রাশিয়ার বেশ কিছু ব্যাংককে ইউরোপ থেকে বিতাড়িত করা, আমদানি পণ্যের পরিমাণ হ্রাস এবং ইউরোপে বিভিন্ন ‍রুশ কোম্পানির সম্পদ জব্দ করা।

জামান / জামান

হঠাৎ ‘অস্বাভাবিক’ গোপন বৈঠক ট্রাম্পের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের

ভারতের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে দুই পাকিস্তানি নিহত

পাত্রীদের নিকাব পরার শর্ত দিয়েছিলাম, কেউ রাজি হয়নি, পাইলট শুনে সবাই রাজি

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন, হাসপাতালে এখন লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে

ভারতীয় পাইলটকে মেরে রক্তাক্ত করা কো-পাইলটের পরিচয় প্রকাশ

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশনেও মৃত্যু হয়নি, এখন কী হবে এ নারীর?

৫ বছরে ২০ ভাগ বরফ হারিয়েছে সুইজারল্যান্ড

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল ফ্রান্স, পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ

মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী

ইসরায়েলে বিমান বিধ্বস্ত

হুথিদের লক্ষ্য করে রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা ইয়েমেনি বাহিনীর

সাংবাদিকদের সামনে জীবিত অবস্থায় নিজ সেনাকে দেখালো পাকিস্তান

হামলার শিকার সেই পাইলট কথা বললেন মোদির সঙ্গে, জানালেন যে তথ্য