অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও ট্রেডমার্ক ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস টেস্টিং ইনস্টিউশনের (বিএসটিআই) লোগো ব্যবহার করে মানহীন লাচ্ছা সেমাই বাজারজাত করছে ‘ছক্কা ফুড প্রডাক্টাস’ নামে একটি সেমাই কারখানা। কারখানাটি জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়নের চকরঘুনাথ গ্রামে অবস্থিত।
সেমাই কারখানাটির স্বত্বাধিকারী চকরঘুনাথ গ্রামের দেলোয়ার হোসেন। তিনি রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে গত বছরের ন্যায় এ বছরও একই ভাবে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে সেমাই বাজারজাত করছেন। এ বিষয়ে গত বছরের ১৯ এপ্রিল দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশও হয়েছিল। সংবাদ প্রকাশের পর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরির জন্য জরিমানাও গুনেছিলেন তিনি। কিন্তু বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহারের বিষয়টি থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। এতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন লোগো দেখে কেনা সাধারণ ক্রেতারা।
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে সরজমিন দেখা যায়, সেমাই কারখানাটিতে কাজ করছেন ১০-১৫ জন শ্রমিক। সেমাই তৈরিতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মাস্ক, হাতের গ্লাবস ব্যবহার না করেই গরমের মধ্যে কাজ করছেন তারা। এতে অনায়াশেই শরীরের ঘাম মিশে যাচ্ছে এসব সেমাইয়ের সাথে। কাজের তদারকি করছেন মালিকেরে ছেলে।
দেখা যায়, প্রতিটি সেমাইয়ের প্যকেটে ব্যবহার করা হচ্ছে বিএসটিআইয়ের লোগো ও ট্রেডমার্ক। তবে তাদের অনুমোদনের কাগজ দেখতে চাইলে বলেন, বাবা এলে দেখাতে পারবেন। পরবর্তীতে বুধবার আবার ওই কারখানায় গেলে দেখা যায় ভিন্নচিত্র। কালি ব্যবহার করে মিশিয়ে দেয়া হয় বিএসটিআইয়ের লোগো ও শ্রমিকরা ব্যবহার করছেন সুরক্ষা সামগ্রী। অনুমোদনের কাগজের পরিবর্তে দেখানো হয় আবেদনের কাগজ।
ছক্কা কোম্পানির এক সেমাই ক্রেতা মাসুদ বলেন, আমি বিএসটিআইয়ের অনুমোদন দেখেই বাজার থেকে ৮৫ টাকায় এই সেমাই এক প্যকেট কিনেছি। যদি অনুমোদন না থাকে তাহলে লোগো ব্যবহার করে আমাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে।
বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা বিএসটিআইয়ের অনুমোদন দেখেই এই সেমাই ক্রয় ও বিক্রয় করছেন।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নেয়ার জন্য আবেদন করেছি। বিএসটিআই কর্তৃপক্ষ লোগো ব্যবহারের মৌখিক অনুমতি দেয়ায় প্যাকেটে লোগো ব্যবহার করছি। এখনো লাইসেন্স পাইনি। আপনারা গতকাল আসার পর বিএসটিআই অফিসে কথা বলি। তাদের পরামর্শেই যে লোগো প্যাকেটের গায়ে এবং সেমাইয়ের লেভেলে রয়েছে তা কালি দিয়ে সব মুছে দেয়া হচ্ছে।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সামছুন নাহার মুঠোফোনে বলেন, গত দুই দিন পূর্বে আমি কারখানাটি পরিদর্শন করেছি। আমার পরামর্শেই বিএসটিআইয়ের অনুমোদনের জন্য তারা কর্তৃপক্ষকে সেমাইয়ের নমুনা দিয়েছে। ফলে তারা লোগো ও নাম ব্যবহার করছে।
জয়পুরহাট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তরের সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী বলেন, অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়া কেউ বিএসটিআইয়ের সিল বা লোগো ব্যবহার করতে পারবে না। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উৎপাদিত পণ্যের খাদ্যের গুণগতমান প্যাকেটের গায়ে উল্লেখ থাকতে হবে। ছক্কা ফুড প্রোডাক্টসের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম হাবিবুল হাসান বলেন, এ ব্যাপারে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে তদন্তে করে অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এমএসএম / জামান
বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ
আদমদীঘিতে সাজাপ্রাপ্তসহ দুই জন গ্রেপ্তার
পাঁচবিবিতে গবাদি পশু বিতরণ
বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত।
রায়পুরে জুলাই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতার উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক
হাকিমপুরে মাদক সেবনের দায়ে ২ জন ও বহনের দায়ে ১ জন আটক
মোবাইলে খেলা দেখতে গিয়ে খালে পড়ে মৃত্যু, দুই দিন পর ভেসে উঠল লাশ
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাড়ে চার বছরে ২,২০১ নরমাল ডেলিভারি
বাঘায় মাদক ও বলাৎকার মামলার অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ২
বড়লেখায় 'কৃষক কার্ড' বাস্তবায়নের তথ্য সংগ্রহের উদ্বোধন
সোনাহাট স্থলবন্দরের কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী ‘গেন্দি’ ১০৩ পিস ভারতীয় ইয়াবাসহ গ্রেফতার
চট্টগ্রামে বৃদ্ধের রহস্যজনক মৃত্যু: পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তারের দাবি পরিবারের