ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন রায়গঞ্জের দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের দর্জি শ্রমিক ও মালিকরা।চলছে রমজান। ঈদ আর বৈশাখ কড়া নাড়ছে দরজায়। তাই দর্জিপাড়া আর নতুন কেনা পোশাক ফিটিং এবং তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন রায়গঞ্জের দর্জি ও কারিগররা। এই দুই উৎসবের সাজ ও পোষাকের জন্য এখন দিন-রাতের ব্যস্ততা সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের দর্জি দোকানে।
উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রাহকের রুচি আর পছন্দের সাথে তাল মেলাতে ব্যস্ত পোষাক কারিগররা। সময় আর আধুনিকতা এসবের সাথে তাল মিলিয়েই নিত্য নতুন পোষাক তৈরিতেই এখন তাদের মনোযোগ। কখনও সালোয়ার কামিজ বা কখনো পাঞ্জাবি তৈরিতে মেশিনে অবিরত চলছে খরখর শব্দ। দর্জিপাড়ার কর্মব্যস্ত নারী-পুরুষ কর্মীরা। জমছে নতুন নতুন পোশাকের সারি। গেল দুই বছর করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আর গ্রাহকের হাতে সময়মত প্রিয় পোশাক তুলে দিতে ব্যস্ত দর্জি-কারিগররা।
রোজার প্রথমদিকে কাপড় তৈরির অর্ডার নেওয়া শেষ করা হয় এবং ২৫ রমজান পর্যন্ত কাজ করা হয় বলে জানিয়েছে দর্জি মালিকরা।তালুকদার মাকের্টের মুক্তার টেইলার্সের কারিগর জানান, গত দুই বছর করোনার কারণে ঈদে মার্কেট এতো জমজমাট ছিলো না। তাই আমাদের ব্যস্ততাও ছিলো না। আর আমাদের আয়ের একটা বড় অংশ পাই ঈদকে ঘিরে পোষাক তৈরি করে। কিছুদিন পর ঈদ। দুইবছর পর ঈদে এবার মানুষ অনেক কাপড় তৈরি করতে দিচ্ছে। আশা করছি এবার ঈদ আমাদের ভালোই কাটবে।
উপজেলার দুলাল মাহাতো, নিরেন মাহাতো, পলাশসহ অনেকেই বলেন, হাতে প্রচুর কাজ গত দুইবছর লকডাউনের পরে এখন নিত্য নতুন ডিজাইন এসেছে। প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি কাপড় সেলাই করছি। দিনে স্বভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা মজুরি পাচ্ছি। আশা করছি গত বছরের চেয়ে এবার আমরা পরিবার নিয়ে ঈদ ভালোই কাটাবো।
ঈদ উৎসবকে ঘিরে শুধু যে নামি-মমি টেইলার্স হাইজ গুলোই যে ব্যস্ত সময় পার করছে তা নয়। ঈদকে সামনে রেখে পাড়া মহল্লার ছোট ছোট দর্জি দোকান গুলোতে এখন চলছে রাত দিনের ব্যস্ততা।
গ্রামেও বিভিন্ন দর্জি দোকান ঘুরে দেখা গেছে একই চিত্র। প্রতিটি দোকানে সেলাই কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে দর্জিরা। প্রত্যেক দর্জি দিন রাতে সমান তালে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিদিন তৈরি করছেন অর্ডার করা পোশাক।
উপজেলার পাইকড়া ও পশ্চিম লক্ষিকোলা বাজারের মিডিয়া টেইলার্স এর মালিক আইয়ুব আলী বলেন, গত দু বছর করোনাভাইরাসের কারণে পোশাক কারিগরেরা ব্যাপক সংকটে ছিল।আমি নিজেই অর্ডার নেই এবং নিজেই কাপড় তৈরি করি। এখন প্রত্যেক দিনই অর্ডার পাচ্ছি। বেশি তৈরি করছি মেয়েদের সালোয়ার কুর্তি আর ছেলেদের কাবলি। ঈদের আগে ভীড় বেশি হয় তাই অতিরিক্ত কারিগর নিয়োগ দেই। তবে এবার অর্ডার এতো বেশি যা ভাবতেও পারিনি। গত বছরের তুলনায় এবারকাজ বেশি থাকায় এবারের ঈদটা আশা করি পরিবার নিয়ে ভালো কাটবে।
এমএসএম / জামান
নরসিংদীতে অনুমোদনহীন হাসপাতালে অভিযান, একটিকে সিলগালা, অপরটিকে জরিমানা
মাদারীপুরে গাছের মগডালে ঝুলছিলো মাইক্রো চালকের মরদেহ
নন্দীগ্রামে দিগন্ত শিক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ
চৌগাছায় বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
পাবনা থেকে কাজের সন্ধানে এসে মাগুরায় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু
মনোহরদীতে গাঁজা সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড
অবৈধ তেল মজুদে গোপালগঞ্জে জরিমানা
দাউদকান্দিতে আগাম সরগরম ভাইস চেয়ারম্যান পদ: বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলে চুলচেরা বিশ্লেষণ
সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ২৪ টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা
শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
রৌমারীতে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুদ
সন্দ্বীপ পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ডের মা গঙ্গা পূজা ও মহোৎসব অনুষ্ঠিত