ঢাকা সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্বাধীনতার ৫২ বছরেও একটি ফেরি পায়নি দ্বীপের দেড় লক্ষাধিক মানুষ


নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া photo নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া
প্রকাশিত: ২৯-৫-২০২২ দুপুর ৪:১০

স্বাধীনতার ৫২ বছরেও ফেরি সার্ভিস চালু হয়নি বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ায়। ফলে কুতুবদিয়া চ্যানেল পার হতে দেড় লক্ষাধিক মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত।মুমূর্ষু রোগী নিয়ে নদী পারাপার কতো কষ্ট - ভোগান্তির ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ জানেনা। বর্ষাকাল আসলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করতে হয় দ্বীপবাসীকে। এ দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ মিলবে কি? এ প্রশ্ন কুতুবদিয়াবাসির দীর্ঘদিনের।  কিন্তু কেউ শুনেনা অবহেলিত জনসাধারণের কান্না।

অথচ দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা ও নদীতে (যেমন - দৌলতদিয়া, পাটুরিয়া, শিমুলিয়া,  আরিচা, বাংলাবাজার, গোয়ালন্দ, মাওয়া ঘাট প্রভৃতি)  স্রোত সহনীয় ফেরি  চলাচল করে থাকে। দেশের বিভিন্ন নদিতে নিত্যদিন ফেরি চলাচল করলেও এ সুবিধা থেকে অর্ধশত বছর ধরে বঞ্চিতই থেকেছে কুতুবদিয়াবাসি। 

স্বাধীনতার ৫২ বছরেও ফেরি সার্ভিস চালু না হওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকিতে পারাপার করছে দ্বীপের অসহায় রোগী, শিশু, নারী ও বৃদ্ধ মানুষ। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, উপজেলার লোকজনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনা-নেওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। অনেক ঝুঁকি নিয়ে মালামাল পার করাতে হয়। মানুষের জানমালের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় ব্যবসায়ীক মালামাল নষ্ট হয়ে যায়। খরচও পড়ে বেশি। এছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও জ্বালানি আনার ক্ষেত্রে চরম দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়েছে। জেলার শিক্ষায় শীর্ষে  থাকা এ উপজেলা মৎস্য, লবণ, কৃষি ও পর্যটনে রাজস্ব খাতে ভুমিকা রাখছে। তারপরও যুগযুগ ধরে ঝুঁকি নিয়ে  ঘাট পারাপার করতে হচ্ছে দ্বীপে বসবাসকারী মানুষের। 

দ্বীপের সচেতন মহল হতাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, দেশের ছোট বড় অনেক নদীতে সেতু নির্মিত হয়েছে। সেসব নদীতে থাকা অনেক ফেরি এখন বেকার হয়ে গেছে। কিন্তু   দ্বীপবাসীর দুঃখ লাঘবে সেখান থেকেও একটা ফেরি ভাগ্য জুটে না। উল্লেখ্য,   দ্বীপে আজ থেকে ৫/৬ শত বছর আগে বসতি শুরু হয়।‘সাগর বেষ্টিত এ উপজেলায় চিকিৎসার যথাযথ সুবিধা  না থাকায় গর্ভবতী মা ও মুমূর্ষু রোগী নিয়ে দুর্যোগের সময়ে বিপাকে পড়তে হয় স্বজনদের। এখানে ফেরি সার্ভিস চালু থাকলে এ সমস্যার সৃষ্টি হতো না।’

চারদিকে  সমুদ্রে ঘেরা এ উপজেলার উৎপাদিত পণ্য দ্রুত পরিবহনের অভাবে প্রতিবছর আর্থিকসহ বিবিধ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে কৃষকরা।  চট্টগ্রাম, চকরিয়া ও কক্সবাজার  থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য বড়ঘোপ - মগনামা নৌ রুটের  নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু করার দাবি কৃষকসহ এলাকার বিভিন্ন পেশার মানুষের।

কুতুবদিয়া উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক হুমায়ুন সিকদার বলেন, এ ফেরি সার্ভিস চালু হলে পর্যটক, বিভিন্ন পেশার লোকজন ও নিত্যপণ্য আনা-নেওয়ার চাহিদা পূরণ হবে বলে। এছাড়া ঘাটে ইজারাদারদের জিম্মি দশা থেকেও মুক্তি পাবে দ্বীপবাসী। 

ফেরি চলাচল শুরু হলে বিভিন্ন  ভারী যানবাহন অতিসহজে কুতুবদিয়ার গ্রামেগঞ্জে প্রবেশ করতে পারবে বলে জানান, আইডিয়াল লাইব্রেরির মালিক জাহাঙ্গীর আলম। দ্বীপাঞ্চল সম্পাদক আকবর খান জানান,, ফেরি চালু হলে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও চকরিয়া থেকে সড়কপথে অতিসহজেই গাড়িযোগে দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে এ উপজেলায় আসা-যাওয়া সম্ভব হবে।উল্লেখ্য ২০০৮ সালে সাবেক সচিব কুতুবদিয়ার কৃতি সন্তান আ,ম,ম নাসির উদ্দিন পারাপারে সী ট্রাক চালুর উদ্যোগ নেন। কিন্তু তাঁর সেই আন্তরিক প্রচেষ্টায় পারাপারে চালু হওয়া সী ট্রাক কয়েকমাস পর অদৃশ্যে কারণে বন্ধ হয়ে যায়। আবার পূর্বের মতো পারাপারে চরম ঝুঁকিতে পড়ে দ্বীপবাসী। সচেতন মহল মনে করেন পার্শ্ববর্তী মগনামার সঙ্গে ফেরিসেবা চালু থাকলে সব সমস্যা সহজে সমাধান হবে।   

এমএসএম / এমএসএম

নদীয়া সীমান্তে ২২ কোটি টাকার স্বর্ণের বিস্কুটসহ দর্শনার যুবক বিএসএফের হাতে আটক

মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় পানছড়িতে সেনাবাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ

ধামইরহাটে ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক কৃতি শিক্ষার্থীদের এপ্লাস সংবর্ধনা প্রদান

বাগেরহাটে চাঞ্চল্যকর নারীসহ ৩ জন হত্যাকান্ডের মুল আসামী গ্রেফতার, রহস্য উৎঘাটন

কমলগঞ্জে অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে হামলার অভিযোগ

টাঙ্গাইলে পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে ইটভাটা মালিকদের সাথে পরিবেশ অধিদপ্তরের মতবিনিময়

মিরসরাইয়ে গনমাধ্যমকর্মীর উপর হামলার প্রতিবাদে প্রতিবাদ ও মানবন্ধন

ফুলছড়ির চরাঞ্চলে কৃষকদের ভোগান্তি, বাড়তি সার মজুদের অভিযোগ

দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে হিলিতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার

সবুজ বিলাইছড়ি গড়ার প্রত্যয়ে উপজেলা প্রশাসনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কুড়িগ্রামে সার না পেয়ে কৃষকদের ক্ষোভ, ডিলারের গোডাউনে ভাঙচুর

অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুত: শ্রীপুরে বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে ৩২৮ বস্তা সার উদ্ধার

বিলাইছড়িতে দুই ইউএনওকে ঘিরে বিদায় ও বরণ সংবর্ধনা