চুয়াডাঙ্গায় কদর বেড়েছে তালের শাঁসের
জৈষ্ঠকে বলা হয় ‘মধু মাস’। এ মাসে হরেক রকমের ফল বাজারে ওঠে। বাজারে আম, লিচুসহ হরেক রকমের ফল দেখা মিলছে। তার মধ্যে দেখা মিলছে তালের শাঁস। বিশেষ করে ভাদ্র মাসে পাকা তালের বড়া একটি অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার।
পাকা তালের পূর্ব অবস্থাটির নামই হলো তালের শাঁস। এটি খেতে নরম, সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। কিন্তু পুরো জৈষ্ঠের মধু মাসে বাজারে কচি তালের শাঁস খুবই চোখে পড়ে। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বড়বাজার, রেল বাজার কোট মোড়, নতুনবাজার ভালাইপুর মোড়, এবং দামুড়হুদা বাসস্টান্ডে, জয়রামপুর কাঁঠাল তলা, কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি মোড়ে পাওয়া যাচ্ছে মৌসুমী কচি তাল।
আর এ সময় কদর বাড়ে এ ফলের। বর্তমানে এর চাহিদা অনেকাংশে বেড়েছে। বিক্রেতারা শাঁস কাটছেন আর ক্রেতারা নিচ্ছেন।
আজ বুধবার জেলা শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় কাঁচা তালে ভরা বাজার। বাজারের ধারে, পাকা সড়কের পাশে, জনসমাগম বেশি এমন পথের ধারে এখন শোভা পাচ্ছে এ তাল ফল।
আবার কোথাও কোথাও ভ্যানযোগে পাড়া-মহল্লাতেও ঘুরে ঘুরে তাল শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। আর পসরা সাজিয়ে বসছে ভ্রাম্যমান দোকানীরা। মৌসুমী ফল হিসেবে তালের শাঁসের বেশ চাহিদা থাকায় ক্রেতারা বেশ আগ্রহ ভরে কিনছেন।
তালের শাঁস অতি সু স্বাদু হওয়ায় সকল শ্রেণীর মানুষের মাঝে এটি জনপ্রিয় ফল। চাহিদা মাফিক সময় মতো শাঁস কেটে সারতে পারছেন না বিক্রেতারা, তাই তাদের ১/২জন সহকারিকে সাথে নিয়ে এ কাজ করেন। সে হিসেবে একটি আস্ত কচি তাল ১৫/২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
নতুনবাজার ক সংলগ্ন রাস্তার পাশে তালের শাঁস বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, কৃষি কাজের পাশাপাশি তারা প্রতি বছর এ সময় তালের শাঁস বিক্রী করা শুরু করেন। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার আটকবর অঞ্চল ও তার আশপাশ থেকে কচি তালগুলো ক্রয় করে নিয়ে আসা হয়।
প্রায় দেড় থেকে দুই মাস চলে এই তালের শাঁস বিক্রি। ক্রেতাদের চাহিদামফিক প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা এসব স্থানে বসে প্রতিজন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শাঁস বিক্রি করেন। এতে গড়ে প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত লাভ করে থাকেন।
কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি মোড়ের আরেক বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন জানান, যখন কাজ কম থাকে সেসময় এ ব্যবসা করেন। প্রতিদিন গড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। যা লাভ হয় তা দিয়ে সংসার চালানো হচ্ছে। তবে ফলন কম হোওয়ায় দাম একটু বেশি। প্রতি হালি তাল শাঁস ২০ টাকা করে বিক্রি করছি।
গরমে তালের শাঁস খেতে বেশ আরামদায়ক। মধুর মাসে তাই এই ফলের চাহিদা থাকায় নারী-পুরুষরা পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর
তাল শাঁস ক্রেতা চাঁদপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম বলেন, বছরের এ সময়ে তালের শাঁস খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে গরমের দিনে তালের শাঁস খুবই উপকারী। তবে এবার তাল শাঁসের দাম অনেক বেশি।
এমএসএম / এমএসএম
মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা
সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী
মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার
কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক
ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার
ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত
ধামরাইয়ে ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ
Link Copied