ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় কদর বেড়েছে তালের শাঁসের


শামীম রেজা, চুয়াডাঙ্গা photo শামীম রেজা, চুয়াডাঙ্গা
প্রকাশিত: ১-৬-২০২২ বিকাল ৬:১
জৈষ্ঠকে বলা হয় ‘মধু মাস’। এ মাসে হরেক রকমের ফল বাজারে ওঠে। বাজারে আম, লিচুসহ হরেক রকমের ফল দেখা মিলছে। তার মধ্যে দেখা মিলছে তালের শাঁস। বিশেষ করে ভাদ্র মাসে পাকা তালের বড়া একটি অত্যন্ত সুস্বাদু খাবার।
 
পাকা তালের পূর্ব অবস্থাটির নামই হলো তালের শাঁস। এটি খেতে নরম, সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। কিন্তু পুরো জৈষ্ঠের মধু মাসে বাজারে কচি তালের শাঁস খুবই চোখে পড়ে। চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের বড়বাজার, রেল বাজার কোট মোড়, নতুনবাজার ভালাইপুর মোড়,  এবং দামুড়হুদা বাসস্টান্ডে, জয়রামপুর কাঁঠাল তলা, কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি মোড়ে  পাওয়া যাচ্ছে মৌসুমী কচি তাল।
 
আর এ সময় কদর বাড়ে এ ফলের। বর্তমানে এর চাহিদা অনেকাংশে বেড়েছে। বিক্রেতারা শাঁস কাটছেন আর ক্রেতারা নিচ্ছেন। 
 
আজ বুধবার জেলা শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, ছোট-বড় কাঁচা তালে ভরা বাজার। বাজারের ধারে, পাকা সড়কের পাশে, জনসমাগম বেশি এমন পথের ধারে এখন শোভা পাচ্ছে এ তাল ফল।
 
আবার কোথাও কোথাও ভ্যানযোগে পাড়া-মহল্লাতেও ঘুরে ঘুরে তাল শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তালের শাঁস সংগ্রহ করে বাজারে নিয়ে আসা হচ্ছে। আর পসরা সাজিয়ে বসছে ভ্রাম্যমান দোকানীরা। মৌসুমী ফল হিসেবে তালের শাঁসের বেশ চাহিদা থাকায় ক্রেতারা বেশ আগ্রহ ভরে কিনছেন।
 
তালের শাঁস অতি সু স্বাদু হওয়ায় সকল শ্রেণীর মানুষের মাঝে এটি জনপ্রিয় ফল। চাহিদা মাফিক সময় মতো শাঁস কেটে সারতে পারছেন না বিক্রেতারা, তাই তাদের ১/২জন সহকারিকে সাথে নিয়ে এ কাজ করেন। সে হিসেবে একটি আস্ত কচি তাল ১৫/২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
 
নতুনবাজার ক সংলগ্ন রাস্তার পাশে তালের শাঁস বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, কৃষি কাজের পাশাপাশি তারা প্রতি বছর এ সময় তালের শাঁস বিক্রী করা শুরু করেন। তিনি দামুড়হুদা উপজেলার আটকবর অঞ্চল ও তার আশপাশ থেকে কচি তালগুলো ক্রয় করে নিয়ে আসা হয়।
 
প্রায় দেড় থেকে দুই মাস চলে এই তালের শাঁস বিক্রি। ক্রেতাদের চাহিদামফিক প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা এসব স্থানে বসে প্রতিজন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শাঁস বিক্রি করেন। এতে গড়ে প্রায় ৩০০-৩৫০ টাকা পর্যন্ত লাভ করে থাকেন।
 
কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি মোড়ের আরেক বিক্রেতা বিল্লাল হোসেন জানান, যখন কাজ কম থাকে সেসময় এ ব্যবসা করেন। প্রতিদিন গড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। যা লাভ হয় তা দিয়ে সংসার চালানো হচ্ছে। তবে ফলন কম হোওয়ায় দাম একটু বেশি। প্রতি হালি তাল শাঁস ২০ টাকা করে বিক্রি করছি।
 
গরমে তালের শাঁস খেতে বেশ আরামদায়ক। মধুর মাসে তাই এই ফলের চাহিদা থাকায় নারী-পুরুষরা পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আর 
 
তাল শাঁস ক্রেতা চাঁদপুর গ্রামের সাইফুল  ইসলাম বলেন, বছরের এ সময়ে তালের শাঁস খুবই ভালো লাগে। বিশেষ করে গরমের দিনে তালের শাঁস খুবই উপকারী। তবে  এবার তাল শাঁসের দাম অনেক বেশি।

এমএসএম / এমএসএম

সিলেটের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে মির্জা সম্রাটের উদ্যোগে মশা নিধন অভিযান

হাতিয়ায় ১৫ হাজার কেজি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা লাল চিনি জব্দ।

ধুনটে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত তুলসী রায়, আইসিইউতে ভর্তি

শিবগঞ্জে বাল্যবিয়ে ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ সভা ও অবসর জনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ।

বন্দরে মাকসুদা হত্যার প্রধান আসামি সাদ্দাম গ্রেপ্তার: মূল হোতা সামাউনকে খুঁজছে পুলিশ

চৌগাছায় বেড়গোবিন্দপুর বাওড় নিয়ে নোংরা রাজনীতির অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলন

আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন বিএনপির পূজামন্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক অনুদান বিতরণ

কুড়িগ্রামে সদর হাসপাতালে ৪ মাস বেতনহীন ৪৭ কর্মচারী, নতুন নিয়োগে টাকা দাবির অভিযোগ মানববন্ধন

ধামইরহাটে ১৪ বিজিবি কর্তৃক ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডলসহ ১ কারবারি আটক

নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

কৃষিজমির মাটি কাটায় ৩ লাখ টাকা জরিমানা

আদমদীঘিতে ২ মাদক কারবারির জেল-জরিমানা

ধামইরহাটে এম.পি এনামুল হক কর্তৃক দূর্গাপুজা উপলক্ষে ১৫০ পরিবারে নতুন শাড়ী বিতরণ