যৌতুকের জন্য স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ সালমা এখন ঘরছাড়া
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে যৌতুকের জন্য স্বামীর নির্যাতনে ঘরছাড়া হয়েছেন সালমা বেগম নামে এক গৃহবধূ। ১৩ বছেরর কন্যাসন্তান ও ১০ বছের পুত্রসন্তান নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সংসার টেকাতে পারেননি। অবশেষে সংসার ফিরে পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তিনি চরফ্যাশন উপজেলার চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের চরনাজিমুদ্দীন গ্রামের ইউনুছ মিয়ার মেয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালে সালমা বেগমের বিয়ে হয় একই উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রব হাওলাদারের ছেলে সেকান্তরের সাথে। বর্তমানে সেকান্তর চরমাদ্রাজ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চরনাজিমউদ্দীনের বাসিন্দা। তাদের প্রায় ১৬ বছরের দাম্পত্য জীবনে এক কন্যাসন্তান ও এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। কন্যাসন্তানের বয়স বর্তমানে ১৩ বছর ও পুত্রসন্তানের বয়স ১০ বছর। দাম্পত্য জীবনের শুরুতে সেকান্তরের সংসারে অভাব-অনটন থাকায় সালমা বেগম তার বাবার বাড়ি থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা নিয়ে স্বামীকে বাড়ি ও ঘর নির্মাণ করে দেন।
গত ৮-১০ বছর দাম্পত্য জীবন ভালো চললেও এই ৫-৬ বছরই যৌতুকের দাবিতে স্বামীর অত্যাচার ও নির্যাতন বেড়ে যায়। প্রায়ই মারধর করতেন স্বামী, ইট দিয়ে অনেকবার আঘাতও করেছেন। কিন্তু সব মুখ বুজে সহ্য করেছেন স্ত্রী। সন্তানদের কথা চিন্তা করে অত্যাচারী স্বামীর সঙ্গে ঘর করেছেন বছরের পর বছর। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও কমেনি স্বামীর অত্যাচার। দিন যত যেতে থাকে যৌতুকের দাবিতে তার ওপর বাড়তে থাকে অত্যাচারের মাত্রা। একপর্যায়ে সালমার স্বামী তার বাবার কাছ থেকে আরো তিন লাখ টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এই টাকা দিতে অক্ষমতা প্রকাশ করায় তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন আরো বেড়ে যায়।
সম্প্রতি সে প্রকাশ্যে হুমকি দেয়, তিন লাখ টাকা না এনে দিলে সালমাকে আর সংসারে রাখবে না এবং বেধড়ক মারপিট করতে থাকে। এ ঘটনায় অসহ্য হয়ে অন্যত্র প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেন সালমা। যৌতুকের দাবিতে স্বামী কর্তৃক অত্যাচার-নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে পাড়া-প্রতিবেশীর দ্বারস্থ হলে সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সামাজিক বিচার-সালিশে যৌতুক ছাড়া তাকে আবারো স্বামীর সংসারে নিয়ে যেতে চাপ দেয়া হলেও স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন সালমাকে সংসারে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে স্বামীর কথামতো যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সালমাকে ঘর থেকে বের করে দেয়া হয়। বর্তমানে বাবার বাড়িতে কন্যাসন্তান নিয়ে সংসার ছাড়া কেঁদে কেঁদে সালমার দিন-রাত কাটছে।
জানতে চাইলে সংসার ছাড়া সালমা বলেন, আমার একটি মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান আছে। আমি বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সংসার করতে চেয়েছি। কিন্তু যৌতুকলোভী ও মাদকাসক্ত স্বামী ও তার পরিবারের লোকজনের অত্যাচারে সংসার ছেড়ে বাবার বাড়িতে আসতে বাধ্য হয়েছি। আমি স্বামীর সংসারে ফিরতে চাই এবং অত্যাচার-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চাই।
এমএসএম / জামান
শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি তাদের অধিকার-এটি কারো দয়া নয়ঃ ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এম.পি
রায়পুর পল্লীবিদ্যুৎ এর ভুল বিলে দিশেহারা গ্রাহক
গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালী অনুষ্ঠিত
কাউনিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে মহান মে দিবস পালন
শ্রমিক দিবসেও খোলা কিশোর-কিশোরী ক্লাব, ছুটি পাননি শিক্ষকরা
রায়গঞ্জে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিধবার দোকান-জমি দখলের অভিযোগ
জাইমা রহমানের বিকৃত ছবি ছড়ানোয় নাগেশ্বরীতে জিডি, তদন্তে পুলিশ
রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন উদ্যােগে মে দিবস পালিত
আত্রাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত
শিবচরে বিদ্যুতস্পৃষ্ট হয়ে এক তরুণের মৃত্যু
রাতের মিছিল ঘিরে যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রীসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৯
লাকসামে শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত
Link Copied