বিয়ের প্রলোভনে প্রতিবন্ধী মেয়ের সাথে পুলিশ সদস্যের শারীরিক সম্পর্ক
আলিফ হোসেনের সাথে শারীরিক প্রতিবন্ধী সুমীর (ছদ্মনাম) পরিচয় ফেসবুকের মাধ্যমে। পরিচয়ের পরই মেসেঞ্জারে তাদের কথাবার্তা। সুমী তার জীবনের করুণ কাহিনী বলেন, আলিফ তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং নিজের কথাও শোনান। কথা বলতে বলতে কখন যে রাত শেষ হয়ে যেত বুজতেই পারতেন না তারা। এভাবেই চলে প্রায় দুই বছর। পরে প্রথমেই ভালোবাসার প্রস্তাব দেন ওই পুলিশ কনস্টেবল। সুমী ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানতেন, এটা কখনো সম্ভব নয়। কারণ, সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান হাতটি কেটে ফেলতে হয়। কিন্তু আলিফ হোসেন স্বপ্ন দেখান কৃত্রিম হাত লাগিয়ে স্বাভাবিক করে তুলবেন তাকে। সব কষ্ট ভুলিয়ে দিয়ে তার পাশে থাকতে চান আলিফ। আলিফের এমন আবেগ ভরা কথা শুনে চোখে পানি আসে সুমীর। নতুন জীবনের স্বপ্নে বিভোর সুমী।
শারীরিক প্রতিবন্ধী সুমীর এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন ওই পুলিশ কনস্টেবল। একপর্যায়ে মেয়েটি বিয়ের চাপ দিলে মৌলভীর মাধ্যমে বিয়ে করেন তাকে। তবে বিয়ের কিছুদিন পরে অস্বীকার করেন।
অভিযুক্ত ওই পুলিশ সদস্য পঞ্চগড় জেলার আটয়ারী থানার বড় মালিগা গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মো. আলিফ হোসেন (২৫)। তিনি বর্তমানে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত।
ভুক্তভোগী সুমীর বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়ায়। তিনি গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বাসা ভাড়া নিয়ে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগের মাস্টার্সে পড়াশোনা করেন।
ভুক্তভোগী সুমীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের দিকে ওই পুলিশ সদস্যের সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের পর থেকেই মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে থাকেন ওই পুলিশ সদস্য। কিন্তু বারবারই মেয়েটি প্রতিবন্ধী ও তার যোগ্য নয় বলে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। এভাবে দুই বছর চলার পর মেয়েটি তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েন। প্রেমের একপর্যায়ে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দিলে মেয়েটি একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তারা। পরে মেয়েটি বিয়ে ছাড়া এই সম্পর্ক করতে বাধা প্রদান করে। একপর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্য একজন মৌলভী ডেকে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর মেয়েটিকে গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বাসা ভাড়া করে দেন ওই পুলিশ সদস্য। চাকরির কারণে ঢাকায় থাকায় মাসে কয়েকবার তিনি বাসায় আসতেন। এরপর মেয়েটির পেটে বাচ্চা এলে চাকরি থাকবে না বলে কোনাবাড়ী ইবনেসিনা হাসপাতালে নিয়ে বাচ্চাটি নষ্ট করে ফেলেন। সর্বশেষ গত ২৬ জুন ওই পুলিশ সদস্য ছুটিতে গ্রামের বাড়ি চলে যান। পরে মেয়েটি তার বাড়ী যেতে চাইলে তিনি নতুন বিয়ে করেছেন বলে জানান এবং যা কিছু হয়েছে সবকিছু ভুলে যেতে বলেন।
ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী নারী বলেন, বিষয়টি জানার পর আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ি। একপর্যায়ে আমি ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে একটি অভিযোগ দেই। পরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে আমাকে সঠিক বিচারের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) বেলা ১১টায় আমাকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ডাকা হয়েছে।
ওই নারী আরো বলেন, অভিযোগ দেয়ার পর থেকে সে আমার সাথে মীমাংসা করার চেষ্টা করছে। এমনকি আমাকে বেশ কয়েক লাখ টাকাও অফার করেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওই পুলিশ সদস্য আলিফ হোসেন বলেন, সবতো শুনেছেন ভাই। কিভাবে সমাধান করা যায় ব্যবস্থা করেন। ভুল তো করেই ফেলেছি। আপনাদের মিষ্টি খাওয়ার ব্যবস্থা করছি।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এমএসএম / এমএসএম
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কুতুবদিয়ায় একদিনেই পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
পাঁচবিবিতে বোর ধান চাল সংগ্রহের উদ্বোধন
পূর্বধলায় আলোচিত ধর্ষণকাণ্ড: ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা
Link Copied