ঢাকা সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

তানোরে পানির দাবিতে ক্ষেতেই কৃষকদের প্রতীকী কর্মসূচি


সোহানুল হক পারভেজ, তানোর photo সোহানুল হক পারভেজ, তানোর
প্রকাশিত: ১৯-৭-২০২২ দুপুর ১১:৪৭
জ্যৈষ্ঠের বৃষ্টিতে ধান রোপণ করে বিপাকে পড়েছেন রাজশাহীর তানোর উপজেলার কৃষকরা। অনাবৃষ্টির কারণে এখন সেই ধান বাঁচাতে দিশেহারা কৃষক। বৃষ্টির দেখা নেই, আবার গভীর নলকূপে ধরনা দিয়েও ধানের জন্য সম্পূরক সেচের পানি পাচ্ছেন না তারা। পানির সংকটে পড়ে প্ল্যাকার্ড হাতে মাঠে দাঁড়িয়ে পানির দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। প্ল্যাকার্ডে বড় বড় হরফে লেখা রয়েছে- ‘আমরা কৃষক, আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নই।’
 
আজ মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে তানোর উপজেলার মোহর গ্রামে এ দৃশ্য দেখা গেছে। স্থানীয় ‘মোহর স্বপ্ন আশার আলো’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে কৃষকরা মাঠে দাঁড়িয়ে এই প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে পানির দাবি জানান।
 
সংগঠনের পরিচালক আলমগীর হোসেন বলেন, তারা আলু চাষের জন্য আগাম আমন ধান রোপণ করে থাকেন। এবার জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষদিকে যখন একটু বৃষ্টি হয়েছিল, তখন তিনি পাঁচ বিঘা জমিতে আমন ধান রোপণ করেছিলেন। ধান লাগানোর জমি চাষ দিয়ে রাখার পর বীজতলাও তৈরি করে নিয়েছিলেন। আশা ছিল ১৫-২০ দিন বয়সী চারা রোপণ করবেন। এদিকে, আস্তে আস্তে বীজতলার চারা বড় হলেও বৃষ্টির আর দেখা নেই। কোনো উপায় না পেয়ে আষাঢ় মাসের ১৮ তারিখ গভীর নলকূপে পানির সিরিয়াল দেয়ার জন্য নলকূপের চালকের কাছে ধরনা দিয়ে কোনোরকমে জমি তৈরি করে ধান রোপণের কাজ শেষ করেছেন তিনি। এরপর থেকে জমিতে আর পানি দেয়ার ব্যবস্থা হয়নি।
 
আলমগীর আরো বলেন, আশপাশের সব গ্রামের কৃষকের একই অবস্থা হয়েছে। সারাদিন গভীর নলকূপ চালু থাকলেও চাহিদার তুলনায় পানি পাওয়া যাচ্ছে না। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয় ‘মোহর স্বপ্ন আশার আলো’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।
 
আলমগীর হোসেন নিজ গ্রামের যুবকদের নিয়ে এই সংগঠন পরিচালনা করেন। সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামের যুবকদের নিয়ে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করে থাকেন। তাদের মনে হয়েছে, পানির সংকটের জন্য কৃষকরা কোনোভাবেই দায়ী নন। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণেই বৃষ্টি হচ্ছে না। তাই তারা পানির দাবি জানিয়ে মাঠে দাঁড়িয়েছেন। তারা বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আনতে চান।
 
কৃষাণি জমেলা বেগম (৪৫) বলেন, ‘আমি ধার-দেনা কইরি এক বিগি ভুঁইয়ে (এক বিঘা জমিতে) পানি সেচ দিয়ে ধান লাগাইছিলাম। আজ পানির অভাবে ধানগাছ শুইকি গিছে। চিন্তায় পড়িচি, ধান না হলে পরিবারের খাবার জোগাড় করব কী কইরি। তাই এই মাঠে ছুইটি আইচি। কাগজ ধইরি দাঁড়াইচি। আষাঢ় গেল, শাওন মাস চলছে। বৃষ্টির দেখা নাই। শাওন মাসেই আমার ধান পুইড়ি যাচ্ছে।’
 
জানতে চাইলে মোহর গ্রামের গভীর নলকূপের চালক মো. মকলেছুর রহমান বলেন, এই মৌসুমে আমাদের গভীর নলকূপ চালাতে হয় না। তবে এবার উল্টো হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকেই নিয়মিত ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে দিন-রাত পানি তুলেও সব জমিতে পানি দেয়া যাচ্ছে না। পানিও আগের তুলনায় কম উঠছে।

এমএসএম / জামান

জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত

অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন

মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার

নেত্রকোণায় সাবরেজিস্টার্ড অফিসে দলিলের তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকের উপর হামলা-থানায় অভিযোগ

আত্রাইয়ে ​কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি আওতায় কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ বিতরণ