ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

তাড়াশে পাটের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি


তাড়াশ প্রতিনিধি photo তাড়াশ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৭-২০২১ দুপুর ১০:৪২

সিরাজগঞ্জের চলনবিলাঞ্চলের তাড়াশে পাটের বাম্পার ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার পাট চাষে ভাগ্য খুলেছে চলনবিলাঞ্চলের চাষিদের। চলনবিলাঞ্চলের পাটের মাঠ ছিল সবুজে ঘেরা। অনেক কৃষকই পাট কাটতে শুরু করেছেন। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাট কাটার এমন চিত্র এখন চোখে পড়বে এলাকায়। পাটের বাম্পার ফলনে মাঠে মাঠে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও পাটের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাটের বীজ, সার, কীটনাশকসহ অন্যান্য কৃষি উপাদানের দাম অনুকূলে থাকায় ও কৃষি অধিদফতরের উদ্যোগে এবং অফিসারদের পরামর্শে কৃষকরা এবার পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে পাট চাষ করতে খরচ হয়েছে ৮-৯ হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন, গত বছর ২১০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিল। কিন্তু এবার অফিসারগণ কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে ৫৯৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করিয়েছেন। বেশ কয়েকটি উন্নত জাতের পাট চাষ করার পরামর্শ দেয়া হয়। যেমন দেশি, তোষা, মেশতা, রবি-১ ও মহারাষ্ট্র জাত। এসব জাতের পাট ১৫ থেকে ১৭ হাত লম্বা হয়। পাটের দাম বেশি পেলে চাষিরা পাট চাষে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের ঘরগ্রামের পাটচাষি আগের আলী জানান, চলতি মৌসুমে দুই বিঘা জমিতে পাটের চাষ করেছিলাম। প্রতি বিঘায় ফলন পেয়েছি ১০ মণ। কৃষি বিভাগ থেকে আবারো সার্বিক সহযোগিতা পেলে সামনে আরো বেশি জমিতে পাটের আবাদ করব। 

স্থানীয় আরেক পাটচাষি জবান আলী ফকির বলেন, আমরা পাট কাটা, জাগ দেয়া, পাট ছড়ানো ও শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। এবার খালে পানি থাকায় পাট জাগ দিতে কোনো সমস্যা হয়নি। এছাড়া পাটের ফলন ভালো হওয়ায় প্রতি মণ পাট ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাট ছাড়ানোর সময় শ্রমিকদের জিজ্ঞাসা করলে ফরিদা খাতুন বলেন, আমরা টাকা দিয়ে পাট ছাড়ানোর কাজ করছি না। কাজ করছি পাটের সোলার জন্য। সারাদিন পাট ছিলে যে সোলা পাব তা আমরা নেব। এই সোলা শুকিয়ে বিক্রি করলে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পাব। 

চলনবিলে অবস্থিত তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার লুুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, চলনবিলাঞ্চলে পাটের আবাদ ভালো হয়েছে। বাংলাদেশের ঐতিহ্য সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিত পাট হারিয়ে যেতে বসেছিল। এই সোনালি আঁশ নাম ধরে রাখতেই আমরা এবার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি। ভালো বীজ সংগ্রহ ও বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে কৃষকের অর্থকরী ফসল পাট চাষ করানোর চেষ্টা করেছি। প্রতি বিঘা জমিতে ১০-১২ মণ পাট হচ্ছে। বাজারে প্রতি মণ পাট ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে পাটের চাহিদা ও মূল্য বৃদ্ধির কারণে কৃষকদের পাট চাষে আগ্রহ বাড়বে।

 

এমএসএম / জামান

ইউএনও’র নাম করে ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বরখাস্ত শিক্ষকের

সাতকানিয়ার সাঙ্গু নদে নিষিদ্ধ জালের থাবা,হুঁশ নেই মৎস কর্মকর্তার

সুন্দরবনে মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ১৪ জেলে

‎বরগুনায় অবৈধ কাঠ কয়লার কারখানায় ১ লাখ টাকা জরিমানা

আমের মুকুলের ঘ্রাণে প্রাণবন্ত নাঙ্গলকোট

শেরপুরে সাঁতারের জন্য পুকুর লিজ মুক্ত করার দাবিতে শিশুদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

বইমেলায় পাঠকের নজরে মাসুদ রানা'র থ্রিলার উপন্যাস ডাবল জিরো

শ্যামনগরে নূরনগর মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৫০ পরিবারে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নপুরায় ভিক্ষার টাকায় চলে জীবন: সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় পরিবারের পাশে যুব রেড ক্রিসেন্ট

বাম্পার ফলনেও হাসি নেই, ন্যায্য দাম না পেয়ে বিপাকে বকশীগঞ্জের আলুচাষি

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

গাজীপুরে সার সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধনের দাবিতে মানববন্ধন

কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ