কক্সবাজারে ছাত্রলীগ নেতা হত্যায় মামলা, মূল হোতা গ্রেফতার
কক্সবাজারে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইমন হাসান মওলাকে (২০) ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। রোববার (২৪ জুলাই) ভোরে মামলার প্রধান আসামি আবদুল্লাহ খানকে টেকনাফ থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। সেই সাথে নিহত ইমনের মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়। শনিবার মধ্যরাতে নিহতের বাবা মো. হাসান বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন, যার নম্বর ৫৫/৪৮১।
আসামিরা হলো- কক্সবাজার পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের পেশকারপাড়ার খাইরুল আহমদের ছেলে আবদুল খান প্রকাশ আবদুল্লাহ খান (২৭), তার সহোদর আবদুল্লাহ আহাদ ছোটন (২৪), একই এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে ছৈয়দ আকবর (৩৩), তার সহোদর রমজান আলী (৩০), মুন্না প্রকাশ কালা মুন্না (২৮), মো. জাফরের ছেলে মো. সানি (২৭), মো. জুয়েল প্রকাশ ফরহাদ (২৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বছরখানেক আগে নিহত ইমনের সাথে প্রধান আসামির ঝগড়া-বিবাদ হয়, যা সামাজিকভাবে নিস্পত্তিও হয়েছে। কিন্তু হত্যার মূল হোতা আবদুল্লাহ খান নিজের মনের মধ্যে ভিকটিমের জন্য আক্রোশ মনোভাব পোষণ করত। এ কারণে ইমনকে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি-ভীতিও দেখায় প্রধান অভিযুক্ত আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে ২১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিহত ইমন মোটরসাইকেল নিয়ে বাসায় ফেরার সময় প্রধান অভিযুক্তের বাড়ির পাশের ছিকু বরফ মিলের সামনে পৌঁছলে মামলায় অভিযুক্ত আসামি ও তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন ধারালো রামদা, কিরিচ, ছোরা, চাইনিজ ক্ষুর, লোহার রড, হাতুড়ি, লাঠি দিয়ে ভিকটিমকে মারাত্মকভাবে আঘাত করে। ওই সময় ভিকটিমের শোর-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ভিকটিমের মোটরসাইকেল নিয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় জনতায় সহতায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে প্রথমে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমন মারা যান।
এ বিষয়ে মামলার বাদী নিহতের বাবা হাসান বলেন, আমার ছেলে মৃত্যুর পূর্বে তাকে হত্যার সাথে জড়িতদের নাম ঠিকানা বলে গেছে। সে যাদের নাম ঠিকানা বলেছেন তাদেরকেই মামলার আসামি করা হয়েছে। এদিকে মামলার হওয়ার কয়েকঘন্টা পরেই প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ নিয়ে র্যাব ১৫-এর অফিসে রবিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় একটি সংবাদ সম্মেলন করে র্যাব ১৫। ধৃত আদুল্লাহ খানের বরাত দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-১৫ এর সহকারি পরিচালক নিত্য নন্দ বলেছেন, নিহতের ইমনের বাবা হাসানের শহরের বাজারঘটায় একটি পলিথিন, পাপস ও কার্পেটের দোকান রয়েছে। সেখানে একটি পাপস কিনতে গিলেই আবদুল্লাহ খান ও ইমনের মধ্যে বিবাদের শুরু। এরই জেরে ইমন ও তার বন্ধুরা মিলে আবদুল্লাহ ও তার সহযোগিদের ২০২১ সালে মারধর করে। ওই ঘটনায় আবদুল্লাহ পরিবার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নম্বর ৪১/৬৮১। তবে মামলাটি সামাজিকভাবে নিস্পত্তি হলেও এতে মনক্ষুন্ন ছিল আবদুল্লাহ খাঁন। সে প্রতিশোধ নিতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। সে সুযোগ ২১ জুলাই রাতে আবদুল্লাহ পায়।
তিনি আরো বলেন, ধৃতকে ইমন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা পুলিশ গ্রহন করবে।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি ( তদন্ত ) সেলিম উদ্দিন বলেন, নিহতের বাবার দেয়া এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিকে সোমবার আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া অন্যান্যদের গ্রেফতারেও অভিযান চলছে।
এমএসএম / জামান
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মৃত হাতিকে মাটিতে পুতে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা!
জাতীয় সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী ও বিশ্ব শান্তি কামনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন
আদমদীঘিতে হামীম পেট্রল পাম্পের ৩০ হাজার টাকা জরিমানা
হাটহাজারীতে অকটেন মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রয় বন্ধ রাখার অপরাধে জরিমানা।
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত যুবক নিহত
আদমদীঘিতে ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল শিশু হাবিবার
গোমতী নদীর তীর রক্ষায় সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান
বগুড়ার গাবতলীতে শ্যালো মেশিন ঘর থেকে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার
অভয়নগরে আইনশৃঙ্খলা সভা: দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান
হত্যা মামলার আসামির ‘ক্ষোভ’: ৫০ নিরীহ চরবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা
শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কমিটির মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মনপুরায় তরমুজে ভরা মাঠ, ঝড়ের আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত চাষিদের
জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও পাচার রোধে রাজশাহীতে বিজিবি মোতায়েন
Link Copied