ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে চা বাগানের শ্রমিকদের কর্মবিরতি, ধর্মঘট


তানভীর ইসলাম, শ্রীমঙ্গল photo তানভীর ইসলাম, শ্রীমঙ্গল
প্রকাশিত: ১৩-৮-২০২২ দুপুর ২:৫২
৩০০ টাকা মজুরির দাবিতে কর্মসূচির চতুর্থ দিনেও দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রীমঙ্গলের ৪২টি চা বাগানের চা শ্রমিকরা। গতকাল শুক্রবার বিকেলের মধ্যে মালিক পক্ষের আশ্বাস না পেলে আজ থেকে কঠোর আন্দোলনে নামবে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তারা।
 
শুক্রবার  (১২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত এই কর্মবিরতি হয়।দেশের ২৩১ চা বাগানে এক যোগে প্রতিটি চা বাগানের বাগান পঞ্চায়েত সভাপতির নেতৃত্বে শ্রমিকদের স্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চা বাগানগুলো।
 
চা বাগানের নারী শ্রমিক উমা হাজরা বলেন, আমরা ১২০ টাকা মজুরি পাই, এদিয়ে আমাদের চলেনা। আমরা অনেক কষ্ট করে জীবন কাটাই। খাওয়াদাওয়া ভালো হয় না, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ভালো হয় না। সব কিছুর দাম বাড়ে আমাদের মজুরি বাড়েনা। আমরা কোন রকমে জীবন কাটাচ্ছি। চায়ের দাম ও উৎপাদন বাড়ে,  আমাদের মজুরি কেন বাড়বে না। আমরা যদি বেচে না থাকি তাহলে চা বাগানে ধস নামবে।
 
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বালিশিরা ভ্যালী সভাপতি বিজয় হাজরা বলেন, চা শ্রমিকদের একদিনের মজুরি দিয়ে ১ লিটার পেট্টল ও কেনা সম্ভব না। শ্রমিকরা কি নিদারুন কষ্টে রয়েছেন তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত উর্ধগতিতে ১২০ টাকা মজুরি দিয়ে কিচ্ছু হয় না। শ্রমিকরা ভালোমন্দ খেতে পারে না। মজুরি বৃদ্ধি না হলে শ্রমিকরা কঠিন পরিস্থিতিতে পরবে।
 
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) নিপেন পাল বলেন, আমরা গত ১৯ মাস ধরে কত আন্দোলন, সংগ্রাম করছি। কিন্তু মালিকপক্ষের টালবাহানা কমছে না। বর্তমান সময়ে বাজার দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারণে আমাদের চা-শ্রমিকরা দৈনিক ১২০ টাকা মজুরি দিয়ে অনেক কষ্টে দিনযাপন করছেন। প্রতিটি পরিবারে খরচ বেড়েছে। আমরা বারবার বাগান মালিকদের সাথে বৈঠক করছি। কিন্তু তারা বারবার টালবাহানা করে মজুরি বৃদ্ধি করছেন না। এতে করে শ্রমিকরা ভিতরে ভিতরে ক্ষোভে ফেপে উঠছেন। দেশ-বিদেশে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি বিবেচনা করে নুন্যতম মানবাধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার দিতে হবে। চা শ্রমিকের হাজিরা ১২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকায় বৃদ্ধি করার দাবি অনেক দিনের। মালিকপক্ষ ইতিমধ্যে ১৪ টাকা বর্ধিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। ১৪ টাকা বৃদ্ধি হলে একজন শ্রমিকের মজুরি হবে ১৩৪ টাকা। এই ১৩৪ টাকা দিয়ে কিভাবে একজন শ্রমিকের জীবন চলবে? সারাদিন পরিশ্রম করে এক লিটার পেট্রোলের দামও হবে না। ৪র্থ দিনও মালিকপক্ষ দাবি মানেনি। আমরা আমাদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করে যাব।
 
এদিকে চা শ্রমিকদের আন্দোলনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও চা বাগানের নাট মন্দিরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়। তিনি বলেন বর্তমান সময়ে ১২০ টাকা মজুরিতে চলা মুশকিল। তিনি বলেন শ্রমিকদের মজুরি ৩০০ টাকা করার এই যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত।
 
তিনি আরো বলেন, আমরা চা শিল্পের ক্ষতি চাই না। আমরা চাই চা শিল্প বেঁচে থাকুক। চা শিল্প বেঁচে থাকলে শ্রমিকরাও বাঁচবে। তাই চা শিল্প টিকিয়ে রাখতে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করে আগে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

এমএসএম / জামান

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?

বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা

লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র‍্যালি-মানববন্ধন

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার

ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক

কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন

ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে

গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত

‎লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী