ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আক্কেলপুরে মাল্টা চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক দেলোয়ার


শাদমান হাফিজ শুভ, আক্কেলপুর photo শাদমান হাফিজ শুভ, আক্কেলপুর
প্রকাশিত: ১০-৯-২০২২ দুপুর ৪:২৫

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে মাল্টা চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক দেলোয়ার হোসেন । মাল্টা চাষী দেলোয়ার উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের আবাদপুর গ্রামের বাসিন্দা।
প্রায় দেড় বিঘা জমিতে ২০১৯ সালের শেষ পর্যায়ে উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় নিজ জমিতে চাষ করছেন বারি-১ জাতের মাল্টা। উৎপাদিত মাল্টা বিক্রি করে এবছর লাভবান হবেন এমটিই ধারণা তার।
সরোজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা যায়, কৃষক দেলোয়ার দেড় বিঘা জমিতে প্রায় ১৬০ টি মাল্টা গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছেই রয়েছে পর্যাপ্ত মাল্টা। অনেক গাছেই মাল্টার ভারে দিতে হয়েছে মাচা। কৃষক দেলোয়ারের পাশাপাশি বাগানের পরিচর্যা করেন পরিবারের অনান্য সদস্যরাও। প্রায় ২ বছরের অধিক সময় পূর্বে উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় শুরু করা মাল্টা বাগানের নিয়মিত তদারকি করেন উপজেলা কৃষি অফিস। এবছরই তার বাগানে প্রথম মাল্টা ধরতে শুরু করেছে। নিজ বাগানে উৎপাদিত মাল্টা স্থানীয় বাজারেই আশনুরূপ দামে বিক্রি হবে এমনই ধারণা করছেন।
এ ধরণের মাল্টা স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি খুচরো দামে প্রকার ভেদে বিক্রয় হয় ৯০ টাকা থেকে ১’শ ১০ টাকা পর্যন্ত। 
উপজেলা কৃষি অফিসের ওই ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার আবু বক্কর সিদ্দীক জানান,‘ আমি নিয়মিত ওই কৃষকের মাল্টা বাগান পরিদর্শন করি। ধারণা করা যাচ্ছে ওই বাগান থেকে এ বছর প্রায় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার কেজি পর্যন্ত মাল্টা উৎপাদিত হবে।’  
কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন,‘ আমি ৫০ শতাংশ জমিতে মাল্টা চাষ করি। এ বছর যে পরিমাণ ফল এসেছে তাতে আমি খুব খুশি। আমি আশাবাদী এই মাল্টা বাগান থেকে মাল্টা বিক্রির মাধ্যমে লাভবান হব।’   
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আক্কেলপুর উপজেলায় মাল্ট চাষ হয় প্রায় ১৮ হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষমাত্রা ১২৬ মেট্রিক টন। এর মধ্যে প্রকল্পের মাধ্যমে চাষ হয় ১৬ হেক্টর জমিতে। সঠিকভাবে পরিচর্যা হলে রোপনের প্রায় ২ বছরের মধ্যের ফল ধরতে শুরু করে। প্রকল্পের মাধ্যমে মাল্টা চাষীদের কৃষি অফিসের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বিনামূল্যে মাল্টা চাষ প্রশিক্ষণ, শতক প্রতি ৩ টি চারা, স্প্রে মেশিন, সিকেচার, চাকু, সার ইত্যাদি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এমরান হোসেন বলেন,‘ কমলা,মাল্টা, লেবু সাইট্রাস জাতীয় ফল। এধরণের ফসলের উৎপাদন ও বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এই উপজেলায় মাল্টা প্রায় ৯০ ভাগ চাষ হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় দেলোয়ার হোসেনকেও একটি বাগান করে দেওয়া হয়েছে। এই বছর তার বাগানে প্রথম ফলন এসেছে। আমরা আশাবাদী এ বছর যে পরিমাণ ফলন হয়েছে, আগামী বছর তার দ্বিগুণ হবে। এই উপজেলায় প্রথম মাল্টা চাষ হয়েছে। আশা করছি আগামীতে প্রায় ৫০ হেক্টর জমিতে আমরা এই ধরণের ফল উৎপাদন করতে আমরা সক্ষম হব।’
আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন,‘ কৃষক দেলোয়ার হোসেনের বাগানে পর্যাপ্ত ফল এসেছে। এই উপজেলায় এধরণের গবেষণাধর্মী ফলের চাষ আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। অনেক বেকার তরুণ যুবক-যুবতী রয়েছে তারাও কৃষি অফিসের সহায়তায় কৃষক দেলোয়ারের মত বিভিন্ন পরিক্ষামূলক বিভিন্ন ফসলের চাষ করে কৃষিতে বিপ্লব করতে পারেন।’

এমএসএম / এমএসএম

কারাগারে আসার ৮ দিনেই তরুণীর দুঃসাহসিক কাণ্ড, যেভাবে পালালেন

সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত বহাল, রংপুর বিভাগে অতিভারী বৃষ্টি হবে

টানা বৃষ্টি-বন্যায় বান্দরবানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিখাত, নষ্ট প্রায় ৩৬৮ হেক্টর কৃষিজমি

শাহজালাল (রহ.) মাজারে সিন্ডিকেট নিয়ে ভয়াবহ তথ্য দিলেন সাবেক ডিসি সারোয়ার আলম

কনে নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস খাদে, শিশুসহ নিহত ২

গণ–অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী আমরা কীভাবে উদ্​যাপন করব

বাঁশখালীতে বন্যার্তদের পাশে ছাত্রদল নেতা আফজাল রহমান, ৩০০ পরিবার পেল ত্রাণ

আদমদীঘিতে সাজাপ্রাপ্তসহ দুই জন গ্রেপ্তার

পাঁচবিবিতে গবাদি পশু বিতরণ

বিলাইছড়িতে ডাউন পাড়া সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির প্রাক নিবন্ধন সভা অনুষ্ঠিত।

রায়পুরে জুলাই শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতার উপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

হাকিমপুরে মাদক সেবনের দায়ে ২ জন ও বহনের দায়ে ১ জন আটক

মোবাইলে খেলা দেখতে গিয়ে খালে পড়ে মৃত্যু, দুই দিন পর ভেসে উঠল লাশ