দুর্গাপূজাকে ঘিরে খানসামায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হলো শারদীয় দুর্গাপূজা। আর মাত্র কয়েকদিন পরই শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই বড় উৎসব। এজন্য মূর্তি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার কারিগররা।সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর হবে মহালয়া। ১ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে ষষ্ঠ্যাদী কল্পারম্ভ বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। পরদিন ২ অক্টোবর সপ্তমী তিথিতে নব পত্রিকা প্রবেশন্তে সপ্তমী বিহিত পূজা। ৩ অক্টোবর মহাঅষ্টমী ও সন্ধী পুজা। ৪ অক্টোবর মহানবমী পূজা এবং ৫ অক্টোবর দশমী বিহিত পুজান্তে দর্পন বিসর্জন।
উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবীদুর্গার প্রতিমা।কারিগররা প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। জানা গেছে, খানসামা উপজেলায় ১৪৮ টি মন্ডপ থাকলেও একটি মন্ডপ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী।উল্লেখ্য যে, টংগুয়া কুমারপাড়ায় মেয়ে উপো বালা হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার না পাওয়া তার এভাবেই প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে কারণেই খানসামা উপজেলায় ১৪৭ টি মন্ডপে জন্য প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খানসামার প্রতিমা শিল্পীরা। তবে দ্রব্য মূল্যের সাথে তাল মিলিয়ে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে রং, তুলি ও সাজসজ্জার দাম বেশি হওয়ায় এবং প্রতিমা তৈরির মজুরি কম পাওয়ায় কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে শিল্পীদের।
আজ সরেজমিনে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, যেন দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। সুনিপুণ হাতে মাটি ও রংতুলির ছোঁয়ায় দেবীকে রাঙিয়ে তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেউ কাঁদা তৈরি করছেন, কেউ কাঁদা থেকে হাত-পা বানাচ্ছেন, আবার কেউ ব্যস্ত রং করায়। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছেলে-মেয়েরাও বাবার কাজে সহযোগিতা করছে। বছরের এ সময়টায় কাজের চাপ বেশি থাকায় বসে নেই গৃহিণীরাও। মাটি দিয়ে সুনিপুণ হাতে তৈরি করছেন কারুকাজময় অলঙ্কার। আর সেই অলঙ্কার প্রতিমার শরীরে জড়িয়ে দিয়ে সাজিয়ে তুলছেন অনন্যা রূপে। এমনই এক প্রতিমা শিল্পী কর্ণধার অলোক চন্দ্র পাল বলেন, আমি দীর্ঘ ১২ বছরের বেশি সময় যাবত প্রতিমা তৈরি করে আসছি। দুর্গা প্রতিমা ছাড়াও সকল ধরনের প্রতিমা আমরা তৈরি করি। এবার ১২ টি প্রতিমার অর্ডার পেয়েছি। তবে যে হারে পরিশ্রম সেই হারে পরিশ্রমের তুলনায় দাম অনেক কম।
খানসামা উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ধীমান দাস বলেন, পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে দুর্গোৎসব পালনে মন্ডপে মন্ডপে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এবারের দুর্গাপূজায় উৎসাহ উদ্দীপনা হবে না। কারণ উপো বালা হত্যাকান্ডে বিচার আমরা এখনো পাইনি। ফলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি বেদনা কাজ করছে। সেই কারণেই হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেকটা ভেঙ্গে পড়েছেন বলে তিনি জানান।
খানসামা থানার অফিসার ইনচার্জ চিত্র রঞ্জন রায় বলেন, আমরা আশা করছি প্রতি বারের ন্যায় এবারও আনন্দ পূর্ণ দুর্গোৎসব হবে সবাই যাতে দুর্গাপূজা করে সেই জন্য সবাই উৎসাহ প্রদান করছি। দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন করতে খানসামা উপজেলা পর্যায়ে ব্যাপক পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং সকল পূজা মন্ডব আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব সফল করতে মতবিনিময় সভাসহ সকল প্রস্তুতি দ্রুত নেওয়া হবে।
এমএসএম / জামান
নরসিংদীতে অনুমোদনহীন হাসপাতালে অভিযান, একটিকে সিলগালা, অপরটিকে জরিমানা
মাদারীপুরে গাছের মগডালে ঝুলছিলো মাইক্রো চালকের মরদেহ
নন্দীগ্রামে দিগন্ত শিক্ষা ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও পুরস্কার বিতরণ
চৌগাছায় বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
পাবনা থেকে কাজের সন্ধানে এসে মাগুরায় বজ্রপাতে শ্রমিকের মৃত্যু
মনোহরদীতে গাঁজা সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড
অবৈধ তেল মজুদে গোপালগঞ্জে জরিমানা
দাউদকান্দিতে আগাম সরগরম ভাইস চেয়ারম্যান পদ: বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তৃণমূলে চুলচেরা বিশ্লেষণ
সীতাকুণ্ডে অগ্নিকাণ্ডে ২৪ টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই, ক্ষতি অর্ধকোটি টাকা
শান্তিগঞ্জে সোনাই মিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
রৌমারীতে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে পেট্রোল মজুদ
সন্দ্বীপ পৌরসভা ৩ নং ওয়ার্ডের মা গঙ্গা পূজা ও মহোৎসব অনুষ্ঠিত
শরণখোলায় রিয়া মনি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন: গ্রেপ্তার ৩
Link Copied