ঢাকা মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন সাংগঠনিক নতুন কমিটির প্রক্রিয়া শুরু


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ১৭-৯-২০২২ দুপুর ৩:২৮

চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর এবং দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের তিন সংগঠনের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় কর্মকান্ড ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে। অনেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্ব ছেলে জেলা উপজেলা বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে। কমিটির সম্পাদকীয় পদ পদবীধারী এবং সদস্যদের সাথে সভাপতি সম্পাদকের সাথে তৃণমূলের সাথে কোন ধরণের সমন্বয় না থাকায় কমিটি গঠনের পর থেকে তারা সাংগঠনিক দক্ষতা এবং শক্তি প্রমান করতে পারেনি বলে তৃণমূল নেতা কর্মীদের অভিমত। কমিটির পদ পদবী বন্টনের ক্ষেত্রে বৈষম্য অবহেলা যোগ্য পদ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে হতাশায় অনেকে পদ পদবীতে থাকলে কর্মসূচিতে অংশ না নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। যোগ্য ব্যক্তিদের কমিটিতে স্থান না দেয়ায় চট্টগ্রাম নগরী এবং দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভায় পাল্টা কমিটি চট্টগ্রাম নগরীর ৪/৫টি থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের পাল্টা কমিটি দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে। দক্ষিণ জেলায় কমিটি গঠনের বিরোধে দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দিন সালাম মিঠুকে অব্যাহতি এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহীর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে বিএনপির কর্মসূচিতে সময় দেন, সাধারণ সম্পাদক মন্জুল আলম তালুকদার ব্যক্তিগত ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে জটিলতায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে বলে নেতা কর্মীরা জানায়। উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড চোখে পড়ার মত তেমন কিছু নেই।  উত্তর জেলা কমিটির সভাপতি দীর্ঘদিন নিস্ত্রীয় সহ সভাপতি গিয়াস উদ্দীন চেয়ারম্যান উপজেলা বিএনপির  সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় কর্মকান্ডে অন্য সংগঠনের তুলনায় অনেক কম বলে খবর নেতা কর্মীদের দাবি।  আগামী ২৩ ও ২৪ সেপ্টম্বর স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে কর্মী সভা আহ্বান করা হলে কর্মী সভার আদলে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করছে বলে দলীয় সূত্রে জানায়। 
জানা গেছে, ২০১৮ সালের ২৬ জুলাই কমিটিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম রাশেদ খানকে সভাপতি এবং নগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলুকে সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সহ সভাপতি আসাদুজ্জামান দিদার, যুগ্ম সম্পাদক সিনিয়র আলী মূর্তজা খান ও ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দীন নাহিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়াসহ ৭ জনের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেয়। ২০২০ সালের দিকে ১৭১ জনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্র। পূর্ণাঙ্গ কমিটি হওয়ার পর থেকে কমিটির অধিকাংশ সদস্য নিস্ক্রীয় এবং সাংগঠনিক কর্মকান্ডে দেখা যায়নি। মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটিতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছে বর্তমান সভাপতি এইচ.এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, সহ সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আলী মূর্তজা খান। সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছে বর্তমান কমিটির জিয়াউর রহমান জিয়া, ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দীন নাহিম, ডা. সিরাজুল ইসলাম ভুইয়া, এডভোকেট এনামুল হক এনাম, জহিরুল হক টুটুল, এছাড়াও বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে আলোচনায় রয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মেজবাহ উল নোমান, সাজ্জাদ হোসেন খান, শফি রানা, মাহবুব খালেদ, মুজিব উল্লাহ তুষার, নুরুল কাবর পলাশ, বাদশা, আবু বক্কর রাজু, আকবর হোসেন মানিকসহ অনেকে। চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের এক কর্মী মো. শফি রানা বলেন, আমি দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশ গ্রহণ করি, দলকে মনে প্রানে ভালোবাসি, দলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও জুটেনি বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে কোন পদ, আমি নিজকে গর্বিত মনে করি আমি জাতীয়তাবাদী আর্দশে বিশ্বাসী একজন বিশ্বসত্ব কর্মী। যতবার যখন যে কমিটি হয় তখন আমরা নামটা রহস্যজনকভাবে বাদ পড়ে যায়, যার কারণে এখন পদ পদ চাইব না দলের কাছে পদ দাবিও করব না। এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল কবির পলাশ বলেন, গত কমিটিতে অনেক যোগ্য ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করা হয়নি এখন সিনিয়ররা আমাকে যে পদে দিবে আমি সে পদ নিব, আমার চেইনের বাইরে আমার কোন নিজস্ব চাওয়া পাওয়া নেই। এ বিষয়ে নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সাজ্জাদ হোসেন খান বলেন, গত কমিটিতে আমি চেয়েছিলাম যুগ্ম সম্পাদক অথবা সহ সম্পাদক অথবা সম্পাদকীয় কোন পদ, কমিটি হওয়ার পর দেখলাম যারা পদ পদবী পেয়েছে অধিকাংশ অপরিচিত নিয়মিত কর্মসূচিতে দেখা যায় না, আমার মত অনেকে দলের জন্য জেল, জুলুম নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরও মূল্যায়ন হয়নি, আশা করি দলের ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত কর্মীদের আগামী কমিটিতে মূল্যায়ন করবে, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যাতে কেন্দ্র এবং সিনিয়র নেতারা বিয়ষটি গুরুত্বসহকারে মাথায় রাখে।  
এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী এবং নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দীন নাহিদ বলেন, দলীয় কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছি। কমিটি গঠনের সময়েও আমি কারাগারে ছিলাম দল আমার ত্যাগ এবং অবস্থান বুঝতে পেরে আমাকে কারাবন্ধি থাকা অবস্থায় কোন ধরণের লবিং ছাড়া যোগাযোগ ছাড়া আমাকে পদ দিয়ে কমিটিতে মূল্যায়ন করেছে যার কারণে আমি তৎ সময়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আশা করি এবার কমিটিতেও আমাকে বিগত দিনের কর্মকান্ড দেখে মূল্যায়ন করবেন বলে জানান। আরেক সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী ও নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, আমি দলের জন্য জেল, জুলুম মামলা হামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছি, স্কুল, কলেজ, থানা, মহানগর ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে এসেছি। যারা তৃণমূল থেকে তিলে তিলে উঠে আসা ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেয়া হলে সংগঠন তাদের কাছে নিরাপদ থাকবে এবং দলের জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে জানান। এ বিষয়ে নগর কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক এবং নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী এডভোকেট এনামুল হক এনাম বলেন, আমি দলের জন্য বহু মামলা হামলার শিকার হয়েছি, দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব দেয় বিগত দিনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সংগঠনকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্ঠা করবেন বলে জানান। এ বিষয়ে সভাপতি প্রার্থী বর্তমান কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান বলেন, আমি ছাত্রদলের ইউনিট, ওয়ার্ড, থানা, মহানগর, কেন্দ্রে পর্যন্ত রাজনীতি করে আসছি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কখনো পদকে বড় করে দেখিনি, যখন যে পদে ছিলাম সে পদে থেকে দলের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছি। নতুন কমিটির প্রসঙ্গে বলেন আগামী ২৩ তারিখ হয় তো বা রাশেদ-বুলুর কমিটির কমিটির শেষ মিটিং হতে পারে বলে তিনি ইংগিত দেন। ছাত্রদলের যখন আমরা দায়িত্ব ছিলাম, তখন থেকে আমরা প্রতিজ্ঞা করছিলাম এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের জন্য নতুন কিছু করে দেখাব। অংশ হিসেবে আমার পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং বিভিন্ন থানা কমিটি দিতে পেরেছি এরমধ্যে কিছু ঝামেলা রয়েছে বলে দাবি তিনি জানান। নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এইচ এম রাশেদ খান বলেন, কেন্দ্রীয় সংসদের নেতারা চট্টগ্রামে কর্মী সভায় যোগ দেয়ার জন্য আসবে, নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কোন ইংগীত নেই, তবে কেন্দ্রীয়  সংসদের সিদ্ধান্ত কখন তারা কি করবে, কেন্দ্র আমাকে যদি যোগ্য মনে চাইলে আবারও সভাপতি করে নতুন কমিটি পূর্ণ গঠন করতে পারে বলে জানান। এদিকে ২০১৮ সালের ৭ জুলাই চবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন সালাম মিঠুকে সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা মনজুরুল আলম তালুকদারকে সাধারণ সম্পাদক করে সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহি, সহ সভাপতি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ দৌলতী, মোর্শেদুল আলম, এডভোকেট মহিউদ্দীন শিকদার। আব্দুস সবুর, শফিউল করিম শফি, সালাউদ্দিন সুমন, মোহাম্মদ আলীকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফৌজুল কবির ফজলুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে প্রথমে আংশিক কমিটি পরে ১৫১ জনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। শফিকুল ইসলাম রাহীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হলে পরে রাহী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ পত্র জমা দিলেও কেন্দ্র তা গ্রহণ করেনি বলে সূত্রে জানায়। তৃণমূল নেতা কর্মীদের দাবি দক্ষিণ জেলা স্বেছাসেক দল সাংগঠনিক কর্মকান্ডে ঝিমিয়ে পড়ছে। দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুল ইসলাম রাহী বলেন, সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিলেও কেন্দ্র তা গ্রহণ না করে সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন, সাংগঠনিক কর্মকান্ডের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলা এবং পৌরসভায় স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি রয়েছে এমন কি কিছু কিছু ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডে পর্যন্ত কমিটি রয়েছে যেটা দক্ষিণ জেলায় অন্য কোন সংগঠনের সম্ভব হয়নি। দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল আলম তালুকদার বলেন, দক্ষিণ জেলার ব্যানারে প্রতিটি কর্মসূচি আমরা গুরুত্বসহকারে পালন করে আসছি তুলনামূলকভাবে চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর জেলার চেয়ে দক্ষিণ জেলার কমিটি অনেক শক্তিশালী এবং সাংগঠনিক তৎপরত অনেকে বেশী রয়েছে বলে দাবি করেন। 
অন্যদিকে ২০১৮ সালের ১৭ জুলাই চট্টগ্রাম উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে মোহাম্মদ মোরসালিনকে সরোয়ার উদ্দিন সেলিমকে সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাফায়েত উল ইসলাম সাবাল, সহ-সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন চেয়ারম্যান, যুগ্ম সম্পাদক মো. নুরুল হুদা সোহেল ও মো. আকবর আলী. ইউসূফ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম বাবুলকে দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়। পরে ২৭১ জনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হয়। দলীয় কোন্দল গ্রুপিং এ সভাপতি মোরসালিন দলীয় কর্মর্সূচিতে দীর্ঘদিন ধরে গরহাজির বলে নেতা কর্মীদের অভিযোগ। সভাপতি যেখানে নিজেই অনুপস্থিত সেখানে দলীয় কর্মসূচি সফল করতে তৃণমূল নেতা কর্মীদের চরম বেগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানায়। কমিটির সহ সভাপতি গিয়াস উদ্দীন চেয়ারম্যান জানান, আমি জেলে থাকা অবস্থায় আমাকে মূল্যায়ন করে হাটহাজারী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছি। দল আমাকে মূল্যায়ন করেছে আমিও দলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে বিএনপির কর্মসূচিগুলো গুরুত্বসহকারে পালন করে আসছি। জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক ইউসুফ তালুকদার বলেন, সভপতি অনেক দিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে আসে না, উনি না আসাতে কর্মসূচি পালনে কঠিন হয়ে পড়ছে। উনি পদে থেকে কর্মকান্ডে না থাকায় সাধারণ নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের প্রসঙ্গে উত্তর জেলার সভাপতি মোহাম্মদ মোরসালিন বলেন, উত্তর জেলার আওতাধিন প্রত্যেক উপজেলা এবং পৌরসভায় কমিটি রয়েছে তারাও নিজ নিজ এলাকায় কর্মসূচি পালন করে আসছে। আমি অনুপস্থিত থাকি বিষয়টি সঠিক না আমার সভাপতিত্বে প্রতিটি কর্মসূচি উত্তর জেলায় পালিত হয়েছে শুধু মাত্র একটি কর্মসূচিতে যেতে পারেনি মানুষের সমস্যা থাকতে পারে এ ছাড়া প্রতিটি কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকেন বলে দাবি করেন। ২৪ তারিখ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে কর্মী সভা সফল করতে আমরা উপজেলা এবং পৌরসভায় প্রস্তুতি সভাও করে আসছেন বলে দাবি করেন।  

এমএসএম / এমএসএম

বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন: ৪৯৬ নারী পেলেন টাকা

দুর্নীতি প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলায় কুপিয়ে হত্যা

নবীগঞ্জে বদর দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা ও ইফতার মাহফিল

আদমদীঘিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি,আলোচনা সভা ও মহড়া অনুষ্ঠিত

শ্রীপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

ধামইরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্ততি দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড মহড়া

ঘুষ ছাড়া মেলেনা খারিজ হাটিকুমরুলে" সেবাবঞ্চিত ভুক্তভোগীদের অভিযোগ

রায়গঞ্জে অনুমোদনহীন ৬ ইটভাটায় ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

শরণখোলায় ছাগল গিলে নিস্তেজ ১২ ফুটের অজগর উদ্ধার, পুনরায় সুন্দরবনে অবমুক্ত

‎পবিত্র রমজান মাসে মহিষখলা বাজারে কয়লা-পাথরবাহী ট্রাকের দাপট, ধুলা-শব্দদূষণে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

জুড়ীতে রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ