শীতের আগমনে খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত গাছিরা
রাতের কুয়াশাছন্ন আকাশ আর শেষ রাতে শীতের আভাস জানান দিচ্ছে প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা। শীতের এই আগমনী বার্তায় চুয়াডাঙ্গার গাছিরা ব্যস্ত খেজুরের রস আহরণের (সংগ্রহ) জন্য খেজুর গাছ তৈরি (প্রস্তুত) করতে। শীতের মৌসুম শুরু হতে না হতেই আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য খেজুরের রস আহরণে জেলার প্রতিটি গ্রামে গাছিরা গাছ প্রস্তুত করতে শুরু করেছেন। যারা খেজুরের রস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে গাছ কাটায় পারদর্শী স্থানীয় ভাষায় তাদের গাছি বলা হয়।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দলবাড়িয়া-বেগমপুর সড়কের ধারে ও মাঠের খেজুর বাগানে গাছিরা হাত দা নিয়ে ও কোমরের সাথে গাছে দড়ি বেঁধে নিপুণ হাতে গাছ চাঁচা-ছােলার কাজ শুরু করেছেন। শীত মৌসুম এলেই জেলায় সর্বত্র শীত উদযাপনের নতুন আয়ােজন শুরু হয়। খেজুরের রস আহরণ ও গুড় তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এ এলাকার গাছিরা। তাদের মুখে ফুটে ওঠে রসালাে হাসি।
শীতের দিন মানেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রস ও নোলেন গুড়ের মৗে-মৌ গন্ধ। শীতের সকালে খেজুরের তাজা রস যে কতটা তৃপ্তিকর তা বলে বােঝানাে যায় না। আর খেজুর রসের পিঠা এবং পায়েস তা খুবই মজাদার। এ কারণে শীত মৌসুমের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলে খেজুর রসের ক্ষীর, পায়েস ও পিঠা খাওয়ার ধুম পড়ে যায়। প্রতিদিনই কােনাে না কােনাে বাড়িতে খেজুর রসের তৈরি খাদ্যের আয়ােজন চলে। শীতের সকাল বাড়ির উঠানে বসে সূর্যের তাপ নিতে নিতে খেজুরের মিষ্টি রস যে পান করেছে, তার স্বাদ কােনােদিন সে ভুলতে পারবে না। শুধু খেজুরের রসই নয়, এর থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু পাটালি ও গুড়। খেজুরের গুড় বাঙালির সংস্কৃতির একটি অঙ্গ। নোলেন গুড় ছাড়া আমাদের শীতকালীন উৎসব ভাবাই যায় না। দামুড়হুদা
উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের গাছি হারুন মােড়ল ও লােকনাথপুর ও পরাণপুর গ্রামের জব্বার ও সালাম জানান, আর মাত্র কয়েক দিন পরেই গাছ থেকে রস সংগ্রহ করা হবে। রস থেকে গুড় তৈরির পূর্বে শুরু হয়ে চলবে প্রায় মাঘ-ফালগুন মাস পর্যন্ত। প্রথমে বাজারগুলােতে উঠতে শুরু করবে সুস্বাদু খজুরের পাটালি ও গুড়। অবহেলায় বেড়ে ওঠা খেজুরের গাছের কদর এখন অনেক বেশি। এছাড়া খেজুর গাছের রস হতে উৎপাদিত গুড়ের দেশের বিভিন স্থানে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে জানান তারা।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা জানান, চুয়াডাঙ্গা জেলায় মোট ২ লাখ ৪৮ হাজার ৯৬০টি খেজুর গাছ রয়েছে। এরমধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৯৩ হাজার ৪৫০টি, দামুড়হুদা উপজেলায় ৮৩ হাজার ৭০০টি, জীবননগর উপজেলায় ৩৬ হাজার ৫০০টি এবং আলমডাঙ্গা উপজেলায় ৩৫ হাজার ৩১০টি খেজুর গাছ রয়েছে। এই গাছগুলো থেকে চলতি বছর ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন গুড় উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এমএসএম / জামান
মধুখালীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
রাণীশংকৈলে উত্তম কৃষি পদ্ধতির মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মান-সম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা
সিংড়ায় ৪ হাজার কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ বিতরণ
সংবাদ প্রকাশের পর অসহায় ছবদের আকন্দের ঘরে ছুটে গেলেন ইউএনও আরিফ উল্লাহ নিজামী
মনোহরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে ২৮ হাজার পরিবার
কালিয়ায় পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
বাঘা থানার অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
নোয়াখালীতে মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, পুলিশ দেখে পালালো যুবক
ভোলায় ইজিপিপি’র আওতায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন
হাতিয়ায় বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যু
নড়াইলে সলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা পরিদর্শন করলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার
ভূরুঙ্গামারীতে “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কমিটি”র সভা অনুষ্ঠিত
ধামরাইয়ে ৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ
Link Copied