ঢাকা শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

বাড়ছে চোখ ওঠা রোগী, আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতার পরামর্শ


সাইফুল ইসলাম, শালিখা photo সাইফুল ইসলাম, শালিখা
প্রকাশিত: ২০-১০-২০২২ দুপুর ২:৬

বাড়ছে চোখ ওঠা রোগী, আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতার পরামর্শ চক্ষু বিশেষজ্ঞদের। মাগুরার শালিখা উপজেলাসহ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগীর সংখ্যা।চোখ ওঠা ভাইরাস জনিত একটি রোগ। এ রোগ হলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা। চোখ উঠলে কখনো কখনো এক চোখে অথবা দুই চোখেই জ্বালা করে এবং লাল হয়ে চোখ ফুলে যায়। চোখ জ্বালা, চুলকানি, খচখচে ভাব থাকা, চোখ থেকে পানি পড়া, চোখে বার বার সাদা ময়লা আসা, কিছু ক্ষেত্রে চোখে তীব্র ব্যথা এ রোগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ।

চিকিৎসকরা বলেছেন, গরমে আর বর্ষায় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস বা কনজাংটিভার বলা হয়। তবে এ সমস্যাটি চোখ ওঠা নামেই বেশি পরিচিত। রোগটি ছোঁয়াচে ফলে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। চোখের একেবারে বাইরের স্বচ্ছ অংশটির ডাক্তারী নাম কনজাংকটিভা। ভাইরাসের সংক্রমণে সেখানে তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালী। ফুলে থাকা রক্তনালীগুলোর কারণেই চোখের রং লালচে হয়ে যায়, যেটাকে চোখ ওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস বলা হয়।

সরেজমিন জানা যায় শালিখার বেশিরভাগ ঘরেই এখন চোখ ওঠা রোগী। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই এই রোগ সেরে যায়। তবে জটিল রূপ ধারণ করলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কনজাংটিভাইটিস রোগটি আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ থেকে ছড়ায়। রোগীর ব্যবহার্য বস্তু যেমন রুমাল, তোয়ালে, বালিশ, টিস্যু অন্যরা ব্যবহার করলে অন্যরাও এতে আক্রান্ত হয়। এছাড়া কনজাংটিভাইটিসের জন্য দায়ী ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমেও ছড়ায়। আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে যারা থাকে, তারাও এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চোখ ওঠা রোগে করণীয় সম্পর্কে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইমুন নিছা বলেন, চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ। বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে, তবে সবচেয়ে বেশি ছড়ায় বার বার হাত চোখে দিলে। হাত সাবান দিয়ে ধুতে হবে। চোখের পানি সাবধানে টিস্যু দিয়ে মুছে নিতে হবে। ব্যবহার করা সেই টিস্যু সাবধানে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। যাতে করে রোগ না ছড়ায়। চোখ ঘষা বা চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শে আই ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। রোগীর ব্যবহার করা সামগ্রী অন্যদের ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। এক চোখে সমস্যা দেখা দিলে অন্য চোখকে সংক্রমণ থেকে নিরাপদে রাখতে হবে। সমস্যা এক সপ্তাহের মধ্যে না সারলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, কনজাংটিভাইটিস এটা সিজনাল একটি রোগ। গরমে এবং বৃষ্টিতে এই রোগ বেশি হয়।বাচ্চাদের চোখ উঠলে, স্কুলে অন্য বাচ্চাদের সুরক্ষিত রাখতে সে যেন কিছু দিন স্কুলে না যায়।ভাইরাস জ্বর যেমন ৫/৬ দিনে ভালো হয়ে যায়, এটাও তেমন এমনিতেই ভাল হয়ে যায়। তাই এ রোগে আতংকিত না হয়ে সতর্কতার পরামর্শ দেন তিনি।

এমএসএম / জামান

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা ও শিশু ধর্ষণ-হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন

ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক’র দীঘিনালা উপজেলা কমিটি গঠন

শালিখায় লিচুর বাম্পার ফলন, খুশি বাগান মালিকেরা

অধূমপায়ী ফোরামের প্রীতি কাবাডি ম্যাচে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের জয়

উত্তরায় জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিনের উদ্দ্যোগে ৫০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন

ত্রিশালে ডিএসকে দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের শিক্ষা বৃত্তি ও চেক বিতরণ

ফাঁকা চেকের অপব্যবহার করে একাধিক মামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পাঁচুড়িয়া সেতুর কাজ উদ্বোধন, উন্নয়ন নিয়ে আশার বার্তা এমপি বাবরের

ঘোড়াঘাটে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ নিহত-৩

মুকসুদপুরে আওয়ামীলীগ নেতা মজিবুল হক বাদল দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করে সংবাদ সম্মেলন

ঈদুল আজহা ঘিরে রাজারহাটে কামারপল্লিতে কাটছে ব্যস্ত সময়

শিশু রামিসা হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে কুমিল্লা আইন কলেজের মানববন্ধন

রাণীনগরে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে চোর আখ্যা দিয়ে লাঞ্চিত