ঢাকা রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬

সুপার সাইক্লোন সিডরের ১৫ বছর

নির্মাণাধীন বেড়িবাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে শংকা


মাসুদ মীর, শরণখোলা photo মাসুদ মীর, শরণখোলা
প্রকাশিত: ১৪-১১-২০২২ দুপুর ৪:৫০

২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলে আঘাত হেনেছিল সুপার সাইক্লোন সিডর। কেড়ে নিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ ও পশু-পাখির প্রাণ। নষ্ট হয়েছিল হাজার হাজার হেক্টর ফসলের জমি, ক্ষতি হয়েছিল গাছপালার। বিধ্বস্ত হয়েছিল ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা। মৃত্যু ভাসিয়ে নিয়েছে আপনজনদের।

সিডরের ১৫ বছর পরে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ হলেও নদী শাসণ ব্যবস্থা না থাকায় তার স্থায়িত্ব নিয়ে উপকূলবাসীর মধ্যে শংকা রয়েছে। জীবনযাত্রার মান কিছুটা স্বাভাবিক হলেও আতঙ্ক কাটেনি সিডরে বিধ্বস্ত উপকূলীয় এলাকার মানুষের। ঘূর্ণিঝড় সিডরে বিধ্বস্ত এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ২৬ জানুয়ারি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৩৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ইতোমধ্যে টেকসই বেড়িবাঁধের শতভাগ কাজ শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে হস্তান্তরের অপেক্ষা। তবুও আতংক কাটছেনা এলাকাবাসীর। ২০২০ সালের ৮ ও ৯মে দুই দিনের আকস্মিক ভাংঙ্গনের ফলে বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের গাবতলা ও বগী গ্রাম সংলগ্ন ৩৫/১ পোল্ডার সংলগ্ন এলাকার প্রায় ৫বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এছাড়া ২০২০ সালের ১৯ মে রাতে সাউথখালী ইউনিয়নের বগী থেকে গাবতলা পর্যন্ত  প্রায় দুই কিলোমিটার নির্মানাধীন বেড়িবাধ ভেঙ্গে লোকালয় প্লাবিত হয়। ওই সময়ে সেনাবাহিনীকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বাঁধ নির্মানের দায়িত্ব প্রদান করা হলে ২০২০ সালের ১৬ জুন সাউথখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত অধিক ঝুকিপূর্ণ বগী থেকে গাবতলা পর্যন্ত আট কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি প্যাকেজে ১হাজার ৭‘শ মিটার রিং বাঁধ নির্মান করে সেনাবহিনী।

২০২২ সালের ১১ এপ্রিল বুধবার গাবতলা এলাকার আশার আলো মসজিদ সংলগ্ন এলাকার মূল বাঁধে প্রায় ২০ ফুট দীর্ঘ এক ফাঁটল দেখা গেছে। পাশাপাশি গাবতলা এলাকার বাসিন্দা সবেদ আলী খাঁনের গাছপালা সহ প্রায় এক বিঘা জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। 

দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের ইউপি সদস্য মো. জাকির হাওলাদার বলেন, উপজেলার সাউথখালী বাসীর প্রানের দাবী ছিল টেকসই বেড়িবাঁধ। বাঁধ নির্মানে সরকার প্রচুর বরাদ্ধ দিলেও একটি স্বার্থান্বেষী মহলের কারসাজিতে বাধেঁ মাটির পরিবর্তে বালুর ব্যবহার ও নদী শাসন না করে বাঁধ নির্মাণ করায় এ বাঁধে প্রতিনিয়ত ফাঁটল ও বাঁধ পাশ^বর্তী এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এতে বাঁধের অস্তিত্ব নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন এ জনপ্রতিনিধি। 

পানি উন্য়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, নদী শাসন ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ইতিমধ্যে ডিডিপি আকারে একটি প্রকল্প একনেকে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

এমএসএম / জামান

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন

তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু হবে, রংপুর অঞ্চলের দুই কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ চলছে কুড়িগ্রামে- ত্রাণমন্ত্রী

শেরপুরে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের জাকাত প্রকল্পে সেলাই মেশিন বিতরণ

দরিদ্রতা কমিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য- সফিকুর রহমান কিরণ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কড়াইয়ে কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষের ইফতার

শ্রীপুরে আমলসার ইউনিয়নে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফের চাউল বিতরণ

বরগুনায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায়, অপসারণের দাবি স্থানীয়দের

‎ঈদ সামনে রেখে কুতুবদিয়ায় অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার সার্ভিসের সচেতনতামূলক প্রচারণা

চট্টগ্রাম বন্দরে ইনল্যান্ড মাষ্টার পদে পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগ

পাকশী থেকে ২ টি ওয়ান শুটার গান ও ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার

আদমদীঘিতে ১১০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ গ্রেপ্তার -২

গজারিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ