ঈশ্বরগঞ্জে ২১ মাসে ৪ হাজার বস্তা চাল আত্মসাতের অভিযোগ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের রাজিবপুর ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির ২০০ কার্ডের ২১ মাসে প্রায় ৪ হাজার ২০০ বস্তা (১২৬ টন) চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভোক্তভোগী চার নারী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ২৪ ডিসেম্বর ৩১৬ জনের নামে ভিজিডি কার্ড (মাসে ৩০ কেজি চাল) অনুমোদন হয়। তাদের মধ্যে ২০০ ভোক্তভোগী কার্ড না পাওয়ায় চাল পায়নি। পরে বিষয়টি সন্দেহ হলে খোঁজখবর নিয়ে তারা জানতে পারে ২১ মাস ধরে ২০০ ভোক্তভোগীর চাল কে বা কারা জাল স্বাক্ষর করে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি চেয়ারম্যান আব্দুল আলী ফকিরকে জানালে তিনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীদের হুমকি দেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বললে ভোক্তভোগী রোকেয়া বেগম বলেন, আমার নামে ভিজিডির কার্ড হয়েছে আমি নিজে জানি না। কিছুদিন আগে কার্ড হওয়ার বিষয়টি জানতে পারি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ২২ মাস যাবৎ আমার স্বাক্ষর জাল করে চাল কে বা কারা তুলে নিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পরে বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে কদিন আগে তিনি আমাকে ৩০ কেজি চালের একটি বস্তা দিয়েছেন।
আরেক ভুক্তভোগী মজিতা খাতুন বলেন, আনুমানিক দুই বছর আগে মেম্বার আমার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নেয়। কিন্তু পরে আমাকে কিছু জানায়নি। কিছুদিন আগে ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড করতে গেলে জানতে পারি আমার নামে ভিজিডি কার্ড আছে। পরে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করলেও কোনো লাভ হয়নি।
সাবেক চেয়ারম্যান মোতাব্বিরুল ইসলামের কাছে অনিয়মের বিষয়ে জানতে তিনি বলেন, আমার জানামতে আমার সময় কোনো অনিয়ম হয়নি। কিভাবে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে রাজিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আলী ফকির জানান, অভিযোগের কথাটি পরস্পর শুনছি। কিন্তু ইউএনও সাহেব আমাকে কিছু বলেননি। প্রকল্পটা আগের চেয়াম্যানের আমলের, আমি তো মাত্র কয়েক মাস পেয়েছি। তখন হয়তো একজনের কার্ড আরেকজন নিয়েছে। কিছু কার্ড বেচা-কেনা হয়েছে। কার্ড তো ঠিক আছে, অনিয়ম হয়েছে বিতরণে।
ওই ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা ট্যাগ অফিসার প্রানেশ চন্দ্র মিত্র বলেন, যতগুলো কার্ড আছে ততগুলো চাল দিয়েছি। আমি উপস্থিত থেকে কার্ডধারীর হাতে চাল বুঝিয়ে দিয়েছি। যে চাল নিচ্ছে সে প্রকৃত মালিক কি-না তা তো আমি জানি না। চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদ সচিব স্বাক্ষর করে তাদের কার্ড দিয়েছেন। তারাই বলতে পারেন প্রকৃত মালিক কে।
মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ্জহুরা বলেন, আমি অভিযোগের বিষয়ে কিছু জানি না। যদি অভিযোগ আসে তাহলে ইউএনও সাহেব আছেন, উনি হলেন সভাপতি। উনার সাথে পরামর্শ করে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজা জেসমিন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমএসএম / জামান
সম্পদ বিলিয়ে আজ অনুতপ্ত ৮৫ বছরের শামসুল, বললেন ‘ভুল করেছি’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাগেরহাটে আগমনকে ঘিরে বিএনপি ও সাধারণ কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা
পটুয়াখালীতে আনসারের উচ্চতর প্রশিক্ষণের সমাপনী : গণপ্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির আহ্বান মহাপরিচালকের
তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শালিখায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
শিবগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ
কালাইয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ, থানায় লিখিত অভিযোগ
বাউফলে ইদ্রিস মোল্লা ডিগ্রি কলেজের এডহক কমিটির সভাপতিকে সংবর্ধনা
রৌমারীতে স্বামীর স্বীকৃতির দাবিতে ৫ দিন ধরে অনশন স্ত্রীর, বিচার প্রতারণায় পরিবার
নবীগঞ্জে মাদ্রাসাবিরোধী অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সমাবেশ
গুরুদাসপুরে কৃষকের বাড়িতে দফায় দফায় অগ্নিকাণ্ড, আতঙ্কে পরিবার
রায়পুরে চরবংশিতে ছুরিকাঘাত, বিএনপি নেতাসহ আহত ৪
বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনে প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু, ভোটার ৪ হাজার