ঢাকা শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

দুর্গাপুরে শীতে কদর বেড়েছে ভাপা ও চিতই পিঠার


আল নোমান শান্ত, দুর্গাপুর photo আল নোমান শান্ত, দুর্গাপুর
প্রকাশিত: ১৭-১২-২০২২ দুপুর ৪:১২

শীতে কদর বেড়েছে ভাপা ও চিতই পিঠার। শীতল আমেজ নিয়ে আসা বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পিঠা বিক্রি ধুম পড়ে যায় নেত্রকোণার দুর্গাপুরের বিভিন্ন হাট বাজারের মোড়ে মোড়ে। বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট পিঠার দোকান সাজিয়ে বসছেন বিক্রেতারা।মৌসুমকে কেন্দ্র করে পিঠা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন মৌসুমি পিঠা বিক্রেতারা ও কারিগরেরা। এখন শুধু বাড়িতে নয়, শীত এলে বিভিন্ন পাড়া বা মহল্লার অলিগলিতে দেখা যায় হরেক রকমের পিঠার দোকান। 

সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে চিতই পিঠার দোকান। আর সেই পিঠার স্বাদ নিতে দোকানে ভিড় জমান সব শ্রেণির মানুষ। পুরুষদের পাশাপাশি অনেক নারীও দোকানে পিঠা বিক্রি করছেন। এর মাধ্যমে তারা বাড়তি আয় করতে পারছেন। অন্যদিকে গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে ধুম পরে যায় হরেক রকমের পিঠা বানানোর। ভোর বা সন্ধ্যায় নারীরা চুলোর পাশে বসে দুধ-পুলি তেলপুয়া পিটা সহ বিভিন্ন পিঠা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। এ সময় আত্মীয়-স্বজনরা বেড়াতে আসলে তাদের পিঠাপুলি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়ে থাকে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, উপজেলাসহ পৌর শহরের পুলিশমোড়,কাচারি মোড়,থানা মোড়,মধ্যে বাজার,কালিবাড়ি মোড়,প্রেসক্লাব মোড়,মার্কাজ মোড়,দক্ষিণপাড়া আশ্রয় প্রকল্পের বাজারগুলো সহ বিভিন্ন হাট বাজার মোড়ে এবং গ্রামের দোকানে মাটির চুলায় তৈরি হচ্ছে নানা ধরনের পিঠা। বেশির ভাগই চোখে পড়ে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা। শীত আসলেই এসব দোকান বসে,তারা বাড়তি রোজগার করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। 

সাধারণত ভাপা পিঠা ও চিতই পিঠা ১০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তার মধ্যে ভাপা পিঠা তৈরি করতে প্রয়োজন চালের গুঁড়া, নারিকেল কুরানো, খেজুর গুড়, লবণ, সামান্য পানি দিয়ে গোলাকার এ পিঠার জন্য ছোট ২টি বাটি, ২টুকরো পাতলা কাপড় দিয়ে ডেকে ফুটন্ত পানির ভাব ৩/৪ মিনিট দিয়ে তৈরি করা হয় ভাপা পিঠা। অপরদিকে চালের গুরো পানিতে মিশিয়ে মাটির খোলায় তৈরি করা হয় চিতুই পিঠা। অতি সাধারণ এ পিঠাটি সরিষা বা ঝাল মসলা দিয়ে খেতে খুবই মজা। একটু সন্ধ্যা নামলেই ক্রেতারা ভিড় করছে এসব পিঠা তৈরির দোকানের সামনে। অনেকেই সেখানেই দাঁড়িয়ে খাচ্ছেন। আবার অনেকেই প্যাকেটে করে বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন।

ভাপা পিঠা প্রেমিক মিজান তালুকদার বলেন, চালের গুঁড়ার সঙ্গে গুড় এবং নারিকেল মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ভাপা পিঠা। গরম গরম ভাপা পিঠার মজাই আলাদা। ভাপা পিঠা আমাদের দেশের গ্রামীণ বাংলার দেশীয় সংস্কৃতি লালন করছে। অন্যদিকে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেকারত্ব দূরীকরণ ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছে।

পৌর শহরের এক পিঠা বিক্রেতা জানান,বেচা-বিক্রি বেশ ভালোই। ক্রেতাদের আগমন ঘটে অনেক, ফলে চাহিদানুযায়ী বানানো হয়ে থাকে। গরমে তিনি বিভিন্ন ধরনের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করলেও শীতের মৌসুমে তিনি ভাপা পিঠা ও সিদ্ধ ডিম বিক্রি করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনযাপন করছেন।

 

প্রীতি / প্রীতি

হরিপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

কাপ্তাইয়ে অসুস্থ রোগীর পাশে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার দেবতাছড়ি-রৈস্যাবিলি অঞ্চল কমিটি

বারহাট্টায় কাল্‌ব এর ১৫ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সলঙ্গায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আবারও চলছে আল -আমীন সামিদুলের চোরাই সিন্ডিকেটসহ ইয়াবা ব্যবসা

মোহনগঞ্জে শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের ‘গড়িমসি’

হাটিকুমরুলে মেডিপ্যাথ স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন

শেরপুরে ৩৩ হাজার ১০০ কেজি সরকারি চাল জব্দ: আটক ১

জাতীয় পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক পেলেন রাজারহাট উপজেলার সন্তান তাহসিন আবরার জারিফ

নাঙ্গলকোটে ব্র্যাক ও সেলফের উদ্যোগে কিশোরীদের মাঝে হাঁস মুরগী ও নদগ অর্থ বিতরণ

রায়গঞ্জে ছয় বছরেও চালু হয়নি ২৬ কোটি টাকার পানি সরবরাহ প্রকল্প, সেবা বঞ্চিত ৭'শ গ্রাহক

জুড়ীতে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামী গ্রেফতার

সংখ্যালঘু পরিবার নির্যাতনের অভিযোগে কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ককে শোকজ

কুতুবদিয়া ‎ইউএনওর ইমামতিতে জুমার নামাজ, মুসল্লীদের মাঝে ইতিবাচক সাড়া