ঢাকা রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

শেরপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ


শেরপুর প্রতিনিধি   photo শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০-১২-২০২২ দুপুর ৩:১৬
বগুড়ার শেরপুরের আয়রা গ্রামে মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া গৃহহীন ও ভূমিহীনদের জন্য আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণাধীন ঘরে নিম্নমানের উপকরণ ও নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘরগুলোতে সিসি ঢালাই কাজে ইট, খোয়া ব্যবহার ও অন্যান্য সামগ্রীগুলোর অবস্থা নি¤œমানের। তবে নির্মাণকাজগুলোতে স্থানীয় প্রশাসনের সঠিক তদারকি না থাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উন্নয়ন প্রকল্প ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা বলে মনে করছেন সচেতনমহল।
 
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে শেরপুর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের মোট ১৭১ টি ঘর নির্মান করার কথা রয়েছে। তবে বর্তমানে ৯১ টি ঘর 
নির্মানের কাজ চলমান রয়েছে বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তবে প্রতিটি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের আবাসনের জন্য দুই শতাংশ জমিসহ ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। নকশা অনুযায়ী সাড়ে ১৯ ফুট ও ২২ ফুট আট ইঞ্চি সাইজের দুই রুম বিশিষ্ট মুল ঘরের সাথে বারান্দা, রান্নাঘর ও টয়লেট থাকছে। এর জন্য দুই লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা ছাড়াও মালামাল পরিবহনের জন্য অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
 
উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের আয়রা গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ স্থানে ৩০টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের আবাসনের জন্য ঘরগুলোর নির্মাণ কাজ চলছে। কাজের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি ঘরের নিচে তিন ইঞ্চি সিসি ঢালাই দেয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও সেক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে বালু ও ঢালাই সহ দুই ইঞ্চি। তাছাড়া ঘর নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ও সিমেন্ট বালির পরিমাণ সমন্বয় না করে বালির ভাগ বেশী দেয়ার অভিযোগ তুলছে স্থানীয়রা। এতে নির্মাণাধীন ঘরগুলোর স্থায়ীত্ব ও টেকশই নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ওই এলাকার নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাজ প্রায় ৪০ শতাংশ হয়ে গেছে। 
 
আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৯নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রকল্পে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি), উপজেলা প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সদস্য এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত।
 
নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, এ উপজেলায় প্রতিটি গৃহ নির্মাণে প্রকল্পকাজগুলো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তার মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে ইট-বালি-সিমেন্ট ক্রয়সহ একক তদারকির মাধ্যমে করছেন। সেক্ষেত্রে কমিটি শুধু অনুমোদন দিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট মির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, এটা আমার দেখার এখতিয়ারের মধ্যে পড়েনা, তবে বিষয়টি উপজেলা প্রকৌশল অফিস দেখছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামছুন্নাহার শিউলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘ওই প্রকল্পের কাজগুলো আমি দেখিনি, তবে ৩ ইঞ্চি সিসি ঢালাই করার কথা।’এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা সুলতানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএসএম / এমএসএম

বোয়ালখালী সাংবাদিক ফোরাম - চট্টগ্রামের আত্মপ্রকাশ

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে এপেক্স ক্লাব অফ গোপালগঞ্জ-এর ৫ম দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত

রাজস্থলীতে এ্যাম্ভুল্যান্সের চালক ডিউটি অবহেলায় রোগীবহন ভোগান্তি স্বীকার

ভূরুঙ্গামারীতে সার্কেল এএসপি নেতৃত্বে ভারতীয় প্রাসাধনী ও বাসুমতি চাল জব্দ

নবীনগরে ছাত্রের মায়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার

রাজারহাটে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা ২০২৬ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু

জিয়ার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে তারেক মঞ্চের মতবিনিময় সভা, ১২ জুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

সেচ ব্যবস্থা উন্নয়নে বড় পরিকল্পনা বিএনপির: প্রধানমন্ত্রী

চাঁদপুরে খোর্দ্দ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সুবর্ণচরে জামায়াত নেতার বাড়িতে ৯৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার

আমি সবার এমপি, সবার কল্যাণে কাজ করবো : প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

কক্সবাজারে ট্রাফিক পুলিশ ও দালালদের চাঁদার রাজত্ব