গবিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত
'ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) 'আন্তর্জাতিক নারী দিবস- ২০২৩' পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সকাল ১০:৩০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সপোর্ট চত্বর থেকে শুরু করে বাদামতলা হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক পর্যন্ত শোভাযাত্রা ও মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়।
এ সময় বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. কৃষ্ণা ভদ্রা বলেন, ‘স্বাধীনতার মাসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করেছি, আমরা চতুর্থ বিপ্লবের মধ্যে আছি। বর্তমানে আমাদের অগ্রগতির জন্য, দেশের নারীদের কম্পিউটার শেখার পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। এর ধারাবাহিকতায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য উপাচার্য মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।'
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সিরাজুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, 'গ্রামে-গঞ্জে নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে এবং তারা খুবই অবহেলিত। তাদের শিক্ষাগত ও শিক্ষকের মান উন্নত করতে গেলে সকল শিক্ষকদের মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। এখানে যেসব নারীরা আছে তাদের সুযোগ দিলে নিঃসন্দেহে আমরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে পারবো। প্রধানমন্ত্রী চান নারী-পুরুষ সকলে সমানভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আমরাও সেই চিন্তা-চেতনা ধারন করি। যার ধারাবাহিকতায় আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।’
সমাপনী বক্তব্যে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪০ ভাগ নারী শিক্ষক এবং ৬০ ভাগ পুরুষ শিক্ষক রয়েছে। আমরা যখন শিক্ষক নিয়োগ করি, তখন নারী-পুরুষ শিক্ষকের যোগ্যতা একই হলে নারী শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে থাকি। কারণ আমরা চাই যেন নারী-পুরুষের অংশীদারিত্ব সমান হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন নারীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। শুধু আমাদের দেশে হচ্ছে তা নয়, স্বল্পোন্নত দেশে আরো বেশি হচ্ছে এবং উন্নত দেশগুলোতেও হচ্ছে। এক্ষেত্রে পুরুষের মন-মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। নারীদের যদি সম্মান না দেখাতে পারি এবং হেয় প্রতিপন্ন করে চলি তাহলে সমঅধিকার দেওয়া সম্ভব হবে না। পুরুষ শাসিত সমাজে নারীদের অবশ্যই সমান অধিকার দিতে হবে। সেটা প্রযুক্তিগত ব্যাপারে হোক বা অন্য কোনো ব্যাপারে। নারীদের প্রতি বৈষম্যের পরিবর্তন হয়েছে, তবে আরো পরিবর্তন হওয়া উচিত ছিল।’
মানববন্ধনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মো.আবু হারেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী রেজিস্ট্রার আবু মুহাম্মদ মুকাম্মেল, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএসএম / এমএসএম
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত গণিত বিভাগের নবীনবরণ ও বিদায় সংবর্ধনা
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ফিউচার রেডি ফার্মাসিস্ট’ শীর্ষক সেমিনার
গবির মাইক্রোবায়োলজি শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরি পরিদর্শন
নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে কুবি ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল
গবিসাস ও ব্লাড কালেক্টরসের সৌজন্য সাক্ষাৎ, সহযোগিতার প্রত্যয়
বিশ্বকাপে ঢাবিতে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
ইউট্যাব ও জিয়া পরিষদের আয়োজনে পবিপ্রবি ও ববি উপাচার্যকে সংবর্ধনা
দুধ থেকে স্বপ্নের স্বাদ: ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের এক মিষ্টিময় পাঠশালা
কুবির ৬ কর্মচারীর শাস্তিকে অবৈধ ঘোষণা আদালতের
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মত রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী পালন
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধুসভার ৩০০ গাছ রোপণ
পবিপ্রবির সৃজনী বিদ্যানিকেতনে দায়িত্ব হস্তান্তর, নবনিযুক্ত উপাচার্যকে সংবর্ধনা
শিক্ষক সংকটের কারণে সেশনজটে কুবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা
Link Copied