ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

খানসামায় রক্তরাঙা রঙ্গে ফুটেছে কৃষ্ণচূড়া;সেজেছে গ্রীষ্মের প্রকৃতি


জসিম উদ্দিন, খানসামা photo জসিম উদ্দিন, খানসামা
প্রকাশিত: ১৩-৫-২০২৩ দুপুর ৪:১৫

কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরি কর্ণে-আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে’ কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই মনোমুগ্ধকর গান আমাদের স্মরণ করে দেয় কৃষ্ণচূড়ার তাৎপর্য।
বৈশাখের আকাশজুড়ে যখন তীব্র তাপদাহ বইছে, ঠিক সেসময় প্রকৃতিতে একরাশ সৌন্দর্যের রঙিন আভা ছড়াচ্ছে কৃষ্ণচূড়ার গুচ্ছ। রক্তরাঙা লাল টুকটুকে কৃষ্ণচূড়ার ফুলে ফুলে সেজেছে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার প্রকৃতি। দিনভর কাঠফাটা রোদের আলো গায়ে মেখে চোখ ধাঁধানো কৃষ্ণচূড়ায় গ্রীষ্মের প্রকৃতি ও পরিবেশ যেন নতুন আবির মেখেছে। বৈশাখের রৈদ্দুরের সবটুকু উত্তাপ গায়ে মেখে নিয়েছে রক্তিম পুষ্পরাজি; সবুজ চিরল পাতার মাঝে যেন আগুন জ্বলছে।
গ্রীষ্মের ঘামঝরা দুপুরে কৃষ্ণচূড়ার ছায়া যেন প্রশান্তি এনে দেয় অবসন্ন পথিকের মনে। তাপদাহে ওষ্ঠাগত পথচারীরা পুলকিত নয়নে, অবাক বিষ্ময়ে উপভোগ করেন এই সৌন্দর্য্য।
এই গাছের নাম নিয়ে স্থানীয় অনেকেরই ধারণা,রাধা ও কৃষ্ণের নাম মিলিয়ে এ বৃক্ষের নাম হয়েছে কৃষ্ণচূড়া। কৃষ্ণচূড়া গাছের আরেক নাম যে গুলমোহর তা কম লোকই জানেন, কিন্তু কৃষ্ণচূড়াকে চেনেন না এমন লোক খোঁজে পাওয়া ভার।
এর বড় খ্যাতি হলো গ্রীষ্মে যখন এই ফুল ফোটে, এর রূপে মুগ্ধ হয়ে পথচারীরাও থমকে তাকাতে বাধ্য হন। কৃষ্ণচূড়া গাছ উচ্চতায় খুব বেশি হয় না।
সর্বোচ্চ ১২ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠে। তবে এর শাখা পল্লব অনেক দূর পর্যন্ত ছড়ানো থাকে। বছরের অন্য সময় গাছগুলো চোখে খুব একটা পড়ে না। সাধারণত এপ্রিলে প্রকৃতির সবুজ পেছনে ফেলে মানুষের দৃষ্টিতে আসে অত্যন্ত আকর্ষণীয় এই ফুল। তখন আর খুঁজে নিতে হয় না। পথচারীদের সহজেই চোখে পড়ে কৃষ্ণচূড়ার লাল টুকটুকে ফুল। বহুদূর থেকে দেখলে মনে হয় ওই দূরে আগুন লেগেছে। কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম ফুলে প্রকৃতি সেজেছে অপরূপ সাজে।

বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি আর অনেক বহু আন্দোলনের পটভূমির সাথে কৃষ্ণচুড়া গাছের সম্পর্ক খুব নিবিড়। ছড়া-কবিতা-গানে উপমা হিসাবে নানা ভঙ্গিমায় এসেছে এই ফুলের সৌন্দর্য্য বর্ণনা। শোভা বর্ধনকারী এ বৃক্ষটি দেশের গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি শহরের মানুষের কাছেও সমান গুরুত্ব বহন করে। শখের বশে এ গাছের কদর থাকলেও; এর কাঠ তুলনা মূলক দামী না হওয়া এবং ভালো কোন ব্যবহারে না আসায় বাণিজ্যিকভাবে এ গাছ বপনে আগ্রহ অনেক কম।”
খানসামা উপজেলায় কি পরিমাণ কৃষ্ণচূড়া বৃক্ষ রয়েছে তার সঠিক কোনো তথ্য, উপাত্ত না থাকলেও স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, অতীতে গ্রাম-গঞ্জে হাজার হাজার কৃষ্ণচূড়া বৃক্ষ থাকলেও সময় গড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা এখন শতাধিক সংখ্যায় পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যর পাশাপাশি মানুষ ও প্রকৃতির স্বার্থেই বেশি করে কৃষ্ণচুড়া গাছ লাগানোর আহ্বান জানান প্রকৃতিপ্রেমীরা।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রামে জঙ্গল সলিমপুরে অভিযান, র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত

ময়মনসিংহে গণভোট প্রচারণায় ভোটের গাড়ি

শীতার্তদের মাঝে স্ক্রীন প্রিন্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

সুন্দরবন রক্ষায় জার্মান সহযোগিতায় নতুন প্রকল্প

অসহায় রাকিবের পাশে হিউম্যান রাইটস মনপুরা শাখা

শিক্ষকের জাল সনদ! টাঙ্গাইলে শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

এনএসটি ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গোবিপ্রবি উপাচার্যের শুভেচ্ছা বিনিময়

জীবননগরে সেনা হেফাজতে নিহত ডাবলুর পরিবারের সাথে নূর হাকিমের সাক্ষাৎ

পঞ্চগড়ে ওয়াশব্লকের কাজ ফেলে দেড় বছর ধরে লাপাত্তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান

কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাজী ইয়াসিন

কুষ্টিয়ায় দেশীয় ও বিদেশি অস্ত্রসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী বোমা মাসুম গ্রেপ্তার

মাদক সেবন ও বহনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড ও জরিমানা

সলঙ্গায় মাছবাহী ট্রাকে পানি ভরাট"নষ্ট হচ্ছে মহাসড়ক-ঘটছে অসংখ্য দুর্ঘটনা