ধামরাইয়ে সরকারি ভাবে স্বীকৃতি পায়নি ভাকুলিয়া ধুম কেতু বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
ঢাকার ধামরাইয়ের চৌহাট ইউনিয়নের ভাকুলিয়া গ্রামে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবে এমন প্রত্যাশা পাঁচ গ্রামবাসীর।ভাকুলিয়া এলাকায় কোন বিদ্যালয় না থাকার কারণে কোমলমতি শিশুদের দূরের অন্য গ্রামের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে অভিভাবকরা থাকেন মহা-দুঃশ্চিতায়।
৫টি গ্রামের কোমলমতি ছেলে- মেয়েদের লেখা পড়ার কথা চিন্তা করে গ্রামের হিতৈষী ব্যক্তিবর্গ ঐক্যমতের ভিত্তিতে নিজেদের খরচে ১৯৯৪ সালে দুইটি ঘরে টিন-কাঠ-বাশ দিয়ে ৫কক্ষ বিশিষ্ট একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেন। নাম দেয়া হয় ভাকুলিয়া ধুম কেতু বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এরপর ১৯৯৭ সাল থেকে যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর মধ্যেই ১৯৯৮ সালে ২৬ জুলাই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিবের বরাবর ৩৩ শতাংশ ভূমি দানপত্র দলিল করেও দেয়া হয়। শর্ত অনুযায়ী জমি দান করে দিলেও এখনো সরকারি ভাবে কোন স্বীকৃতিই পায়নি ভাকুলিয়া ধুম কেতু বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
জানাযায়, উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নের অন্তর্ভূক্ত ৫নং ওয়ার্ডে ছোট-বড় সব মিলিয়ে গ্রাম রয়েছে ৫ টি,জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় চার হাজার। এ ওয়ার্ডে কোমনমতি ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য গড়ে উঠেনি কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়। এমনকি আড়াই থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যেও নেই কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভাকুলিয়া ধুম কেতু বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০০২ সাল পর্যন্ত সুনামের সহিত শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যায় অবৈতনিক শিক্ষকরা।
এক সময় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঠিক তদারকির ও দায়িত্বে অবহেলা অন্যদিকে শিক্ষকদের সম্মানী না দেয়ার কারণে দিনে দিনে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ে। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা কার্যক্রম না চললেও রয়েছে সেই টিনের ঘর ও সামনে রয়েছে উন্মুক্ত খেলার মাঠ। এ মাঠে বিকালে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের খেলা-ধূলা করতে দেখা যায়। মাঠে খেলা-ধূলার চর্চা থাকলেও নেই বিদ্যালয়ে ছেলে মেয়েদের লেখা-পড়া।
সরকারের কাছে গ্রাম বাসীর দাবি বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে যেন সরকারিভাবে তালিকাভুক্ত করে পুণঃরায় শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। ভাকুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য সারোয়ার সরকার বলেন, কোমলমতি শিশুদের লেখা পড়ার কথা চিন্তা করে আমি আবুল কালাম আজাদ ও রফিজ উদ্দিন সিদ্দিকী ১৯৯৮ সালে ২৬ জুলাই ৬৭৯৩ নং দলিল মূলে ৩৩ শতাংশ ভূমি স্কুলের নামে দান করে দিয়েছি।
চৌহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভীন হাসান প্রীতি বলেন, ওই গ্রামে বিদ্যালয় থাকাটা অত্যান্ত জরুরি, কেননা এর আশপাশেও কোন স্কুল নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার (প্রাথমিক) তাজম্ন্নুাহার বলেন, বিদ্যালয়ের বিষয়টি নিয়ে আমি আমার উর্ধ্বতন কর্মকতাদের সাথে কথা বলবো।
এমএসএম / এমএসএম
মনপুরায় সাংবাদিককে মারধর-ছিনতাই, পুলিশের অভিযানে আটক ১
আত্রাইয়ে দোকান ঘরের সিঁদকেটে ৪ লাখ টাকার মালামাল চুরি
কালিয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার আসামি নান্নু গ্রেফতার
যশোরে তরুণীকে গনধর্ষণের অভিযোগে মামলা গ্রেফতার দুই
ভূরুঙ্গামারীতে কাস্টমস অফিসে যানবাহনের স্তূপ:নিলাম না হওয়ায় রাজস্ব ক্ষতির আশঙ্কা
গোপালগঞ্জে শিক্ষা ও সড়ক উন্নয়নের পাঁচ প্রকল্প উদ্বোধন
টাঙ্গাইলে ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে টেকসই কৃষি ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কৃষকদের নিয়ে কর্মশালা
আদমদীঘিতে গৃহবধুকে আটক রেখে নির্যাতনের পর পালাক্রমে ধর্ষন, নরীসহ গ্রেপ্তার-৪
নরসিংদীতে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
মারপিট ঘটনায় শিক্ষিকা ও অধ্যক্ষের অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
মাদারীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোকান ঘর নির্মাণ
মসজিদের ওয়াল ভেঙে রাস্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ