ঢাকা শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

কক্সবাজারে পুলিশের চাঁদাবাজি


শাহেদ ফেরদৌস হিরু, কক্সবাজার photo শাহেদ ফেরদৌস হিরু, কক্সবাজার
প্রকাশিত: ২৪-৫-২০২৩ বিকাল ৫:৫২

কক্সবাজারে শহরে প্রতিদিন বিভিন্ন জেলার অর্ধশত কোম্পানির গাড়ি প্রবেশ করে। এসব গাড়ি প্রবেশ ও পার্কিংয়ের জন্য বাস মালিকদের কাছ থেকে বিশেষ চুক্তির মাধ্যমে নগদ ও বিকাশে প্রতিমাসে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। 

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সড়কপথে কক্সবাজারে প্রতিদিন বিভিন্ন কোম্পানির অর্ধশত যাত্রীবাহী বাস প্রবেশ করে। সড়কে বাস যাতায়াতের সময় মামলা ও হয়রানি থেকে বাঁচতে ট্রাফিক পুলিশ,থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সাথে বিশেষ চুক্তি করেন বাস মালিক কর্তৃপক্ষ। সেই চুক্তির টাকা প্রতিমাসে পুলিশের নগদে বা বিকাশে পৌছিয়ে দেন বাস মালিক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি কক্সবাজার পর্যন্ত ৩টি হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ৩টি ট্রাফিক পুলিশের বিকাশ ও নগদে লেনদেনের রেকর্ড ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের হাতে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি পরিবহনের কর্মকর্তা জানান, আমার কোম্পানির  যাত্রীবাহী এসি বাস রয়েছে ৩৫টি। এসব বাস চট্টগ্রাম থেকে প্রতিদিন কক্সবাজার চলাচল করে। সড়কে এসব বাস চলাচলে বিভিন্ন সময় পুলিশের হয়রানি ও মামলার শিকার থেকে বাচতে চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশকে ১০ হাজার টাকা, মালুমঘাট হাইওয়ে থানা পুলিশকে ১০ হাজার টাকা, রামু হাইওয়ে থানা পুলিশকে ১০ হাজার টাকা, চকরিয়া ট্রাফিক পুলিশকে ৬ হাজার টাকা, ঈদগাহ ট্রাফিক পুলিশকে ৪ হাজার টাকা ও কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশকে ২০ হাজার টাকা দিতে হয়। ট্রাফিক পুলিশ, থানা পুলিশ ও হাইওয়ে থানা পুলিশদের  প্রতিমাসে টাকা না দিলে বিভিন্ন মামলার শিকার হতে হয়। এভাবে হয়রানি ও মামলার ভয় দেখিয়ে অর্ধশত কোম্পানির যাত্রীবাহি বাস থেকে প্রতিমাসে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন বলে পুলিশের কর্মকর্তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, হাইওয়ে থানা পুলিশের সদস্য ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোষ্ট বসিয়ে বিভিন্ন মালবাহী ট্রাকের চালকদের কাছ থেকে প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।এছাড়াও কুরিয়ার সার্ভিস পরিবহণ, যাত্রীবাহী লেগুনা, সিএনজি অটোরিকশা, ভাড়ায় চালিত প্রাইভেট কার, রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ডাম্পার ও বিভিন্ন অবৈধ পরিবহন মালিক ও চালকদের কাছ থেকে প্রতিমাসে টোকেনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগও রয়েছে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। 

জানতে চাইলে রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন মাসিক মাসোহারার বিষয়টি অস্বীকার করেন। জানতে চাইলে মালুমঘাট হাইওয়ে থানার ওসিও টোকেন ও মাসোহারার বিষয়টি অস্বীকার করেন।জানতে চাইলে চিরিঙ্গা হাইওয়ে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মোবাইলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।জানতে চাইলে কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জসিম উদ্দিন চৌধুরী, ট্রাফিক বিভাগের মাসিক আর্থিক লেনদেন বা মাসোহারার বিষয়টি আমার জানা নেই। কে বা কোন কর্মকর্তা টাকাগুলো নেয় যদি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পায় তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিওনের পুলিশ সুপার মহাম্মদ রহমত উল্লাহ বলেন, অর্ধশত বাস ও অন্যান্য বহন থেকে মাসিক মাসোহারা ও টোকেনের ব্যাপরে জানা নেই। খোজ নিয়ে যদি সত্যতা পাওয়া যায় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

আবারও র‍্যাগিংয়ের শিকার, হাসপাতালে পাবিপ্রবির নারী শিক্ষার্থী

রংপুরে ৪ খুন: নমুনা পরীক্ষায় আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

মাগুরায় ৩৫১ কাঁচা রাস্তা গেজেটভুক্ত, দ্রুত পাকাকরণের প্রত্যাশা

মাগুরায় ৩৫১ কাঁচা রাস্তা গেজেটভুক্ত, দ্রুত পাকাকরণের প্রত্যাশা

বাগেরহাটে ব্র্যাকের উদ্যোগে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উযযাপন, বিনামুল্যে আই ক্যাম্প পরিচলনা

পাঁচবিবিতে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল ও অসহায় ব্যক্তিকে হুইল চেয়ার বিতরণ

পিরোজপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ

কৃষকের জমি দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ

নড়াইলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারের

রূপগঞ্জে ফরটিস গ্রুপের বিরুদ্ধে জমি দখলের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ধামরাইয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

কুড়িগ্রামে সিএনজি চলাচলের অনুমতির দাবিতে চালকদের সড়ক অবরোধ