ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

তানোরে প্রথম বারের মত ২০ হেক্টর জমিতে তীল চাষ


তানোর প্রতিনিধি photo তানোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-৫-২০২৩ দুপুর ৩:৩৯
রাজশাহীর তানোরে প্রথম বারেরমত তীলের চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষি অফিসের তদারকিতে এই প্রথমবারের মতো ২০ হেক্টর উচুঁ জমিতে তীল চাষ শুরু করা হয়েছে।
 
তবে, আগামীতে এর পরিমান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অল্প খরচে অধিক লাভ হলেও তানোরের সৃষকরা তীল চাষে তেমন ভাবে আগ্রহ পোষন করতেন না। এবছর উপজেলার পৌরসভার আমশো, বাঁধাইড়, মুন্ডুমালা ও কলমা ইউপির কিছু এলাকায় তীল চাষ হয়েছে। এতে করে চাষীরা ভালো ফলন পেলে আগামীতে তীল চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে বলে আসাবাদ ব্যক্তি করেন তিনি। এর আগে গত বছর গত বছর কৃষি অফিসারের তদারকিতে ৩ বিঘা জমিতে তীল চাষ করা হয়েছিলো। ফলন ও দামে কৃষকরা লাভবান হয়েছিলো। অপর দিকে কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকিতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সরিষা চাষ হয়েছিল রেকর্ড পরিমান জমিতে এবং বাম্পার ফলন ও দাম পেয়েছিল চাষীরা।
 
কৃষকরা বলছেন, জীবনে কখনো তীলের চাষাবাদ করিনি। কিন্তু কৃষি অফিসারের কথায় আমরা তীল চাষ করেছি এবং গাছও ভালো আছে। দেশে ও বিদেশে তীলের চাহিদা প্রচুর। শুধু মাত্র একটি চাষ দিয়েই তীল বপন করা হয়েছে। সার কীটনাশক বা আগাঝা বলতে কিছুই নেই। গাছের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে ফলন ভালো পাওয়া যাবে। বর্তমান বাজারে ১ মন তীল ৪-৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে নিম্মে ৪ মন তীল হলে ৪ হাজার টাকা মন হলে ১৬ হাজার টাকা দাম আসে। তবে বর্তমান বাজারে সাধারন জাতের তীল বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১০০-১৫০ টাকা কেজি ধরে। কিন্তু গবেষনার তীলের দাম অধিক।
 
কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গবেষনা সংস্থা ১৬ হেক্টর জমিতে যে পরিমান তীল লাগবে সেটা দিয়েছে ও বাকি চার হেক্টর জমিতে কৃষি অফিস থেকে দেওয়া হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অতীতে ২-৩ বিঘা জমিতে তীলের চাষ হত। কিন্তু এবার ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে যা রেকর্ড। দুই ধরনের তীল চাষ হয়েছে তার মধ্যে বিনা তীল চার ও বারি তীল চার জাতের চাষ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তীল চাষে খরচ একেবারেই কম। সার একবার ও কীটনাশক স্প্রে একবার সব মিলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘায় নিম্মে ৩ মন তীলের ফলন হলে ৪ হাজার টাকা মন ধরা হলে ১২ হাজার টাকা আসে। হিসেব করলে সাড়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা লাভ হবে বিঘাপ্রতি এবং ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে।
 
বিল কুমারী বিলে বোরো ধান কাটার পর পতিত অবস্থায় আছে এসব নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানতৈড় গ্রামে নিচে সবজি চাষ হয়, পড়ে থাকা জমিতে কোন কৃষক সবজি চাষ করতে চাইলে স্বল্প মেয়াদের সবজি বীজ সহ যাবতীয় সহযোগী তা করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?

বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা

লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত

টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র‍্যালি-মানববন্ধন

নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার

ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক

কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার

গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন

ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে

গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত

‎লালপুর গ্রামের রাস্তায় জলবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী