ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

তানোরে প্রথম বারের মত ২০ হেক্টর জমিতে তীল চাষ


তানোর প্রতিনিধি photo তানোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-৫-২০২৩ দুপুর ৩:৩৯
রাজশাহীর তানোরে প্রথম বারেরমত তীলের চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষি অফিসের তদারকিতে এই প্রথমবারের মতো ২০ হেক্টর উচুঁ জমিতে তীল চাষ শুরু করা হয়েছে।
 
তবে, আগামীতে এর পরিমান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অল্প খরচে অধিক লাভ হলেও তানোরের সৃষকরা তীল চাষে তেমন ভাবে আগ্রহ পোষন করতেন না। এবছর উপজেলার পৌরসভার আমশো, বাঁধাইড়, মুন্ডুমালা ও কলমা ইউপির কিছু এলাকায় তীল চাষ হয়েছে। এতে করে চাষীরা ভালো ফলন পেলে আগামীতে তীল চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে বলে আসাবাদ ব্যক্তি করেন তিনি। এর আগে গত বছর গত বছর কৃষি অফিসারের তদারকিতে ৩ বিঘা জমিতে তীল চাষ করা হয়েছিলো। ফলন ও দামে কৃষকরা লাভবান হয়েছিলো। অপর দিকে কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকিতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সরিষা চাষ হয়েছিল রেকর্ড পরিমান জমিতে এবং বাম্পার ফলন ও দাম পেয়েছিল চাষীরা।
 
কৃষকরা বলছেন, জীবনে কখনো তীলের চাষাবাদ করিনি। কিন্তু কৃষি অফিসারের কথায় আমরা তীল চাষ করেছি এবং গাছও ভালো আছে। দেশে ও বিদেশে তীলের চাহিদা প্রচুর। শুধু মাত্র একটি চাষ দিয়েই তীল বপন করা হয়েছে। সার কীটনাশক বা আগাঝা বলতে কিছুই নেই। গাছের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে ফলন ভালো পাওয়া যাবে। বর্তমান বাজারে ১ মন তীল ৪-৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে নিম্মে ৪ মন তীল হলে ৪ হাজার টাকা মন হলে ১৬ হাজার টাকা দাম আসে। তবে বর্তমান বাজারে সাধারন জাতের তীল বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১০০-১৫০ টাকা কেজি ধরে। কিন্তু গবেষনার তীলের দাম অধিক।
 
কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গবেষনা সংস্থা ১৬ হেক্টর জমিতে যে পরিমান তীল লাগবে সেটা দিয়েছে ও বাকি চার হেক্টর জমিতে কৃষি অফিস থেকে দেওয়া হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অতীতে ২-৩ বিঘা জমিতে তীলের চাষ হত। কিন্তু এবার ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে যা রেকর্ড। দুই ধরনের তীল চাষ হয়েছে তার মধ্যে বিনা তীল চার ও বারি তীল চার জাতের চাষ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তীল চাষে খরচ একেবারেই কম। সার একবার ও কীটনাশক স্প্রে একবার সব মিলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘায় নিম্মে ৩ মন তীলের ফলন হলে ৪ হাজার টাকা মন ধরা হলে ১২ হাজার টাকা আসে। হিসেব করলে সাড়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা লাভ হবে বিঘাপ্রতি এবং ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে।
 
বিল কুমারী বিলে বোরো ধান কাটার পর পতিত অবস্থায় আছে এসব নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানতৈড় গ্রামে নিচে সবজি চাষ হয়, পড়ে থাকা জমিতে কোন কৃষক সবজি চাষ করতে চাইলে স্বল্প মেয়াদের সবজি বীজ সহ যাবতীয় সহযোগী তা করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারি মুকসুদপুর কলেজে অভিভাবক সমাবেশ

ভূরুঙ্গামারীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সার ডিলারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

জীবন ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা: কর্মচারীর সংবাদ সম্মেলন

গজারিয়ায় রুরাল পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কিমের উদ্বোধন

শ্যামনগরে মিথ্যা মামলা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

পার্বত্য অঞ্চলের বেকার যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানব সম্পদে পরিনত করতে হবেঃ মীর হেলাল উদ্দীন এমপি

যশোরে পৃথক অভিযানে ১৯ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন আটক

জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে কালিয়ার শুক্তগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

বাঘা বাজার বণিক সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ১৯৭ বস্ত সার নিয়ে গেল বিক্ষুব্দ কৃষক

কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় এমপি আজহারুল

এফএনবি কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ার নির্বাচিত হওয়ায় জাকির হোসেনকে টাঙ্গাইলে সংবর্ধনা

দাউদকান্দিতে মহাসড়কে বাস উল্টে আহত ২০