ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

তানোরে প্রথম বারের মত ২০ হেক্টর জমিতে তীল চাষ


তানোর প্রতিনিধি photo তানোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৫-৫-২০২৩ দুপুর ৩:৩৯
রাজশাহীর তানোরে প্রথম বারেরমত তীলের চাষ শুরু করা হয়েছে। কৃষি অফিসের তদারকিতে এই প্রথমবারের মতো ২০ হেক্টর উচুঁ জমিতে তীল চাষ শুরু করা হয়েছে।
 
তবে, আগামীতে এর পরিমান আরো বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।তানোর উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অল্প খরচে অধিক লাভ হলেও তানোরের সৃষকরা তীল চাষে তেমন ভাবে আগ্রহ পোষন করতেন না। এবছর উপজেলার পৌরসভার আমশো, বাঁধাইড়, মুন্ডুমালা ও কলমা ইউপির কিছু এলাকায় তীল চাষ হয়েছে। এতে করে চাষীরা ভালো ফলন পেলে আগামীতে তীল চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে বলে আসাবাদ ব্যক্তি করেন তিনি। এর আগে গত বছর গত বছর কৃষি অফিসারের তদারকিতে ৩ বিঘা জমিতে তীল চাষ করা হয়েছিলো। ফলন ও দামে কৃষকরা লাভবান হয়েছিলো। অপর দিকে কৃষি কর্মকর্তাদের তদারকিতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা সরিষা চাষ হয়েছিল রেকর্ড পরিমান জমিতে এবং বাম্পার ফলন ও দাম পেয়েছিল চাষীরা।
 
কৃষকরা বলছেন, জীবনে কখনো তীলের চাষাবাদ করিনি। কিন্তু কৃষি অফিসারের কথায় আমরা তীল চাষ করেছি এবং গাছও ভালো আছে। দেশে ও বিদেশে তীলের চাহিদা প্রচুর। শুধু মাত্র একটি চাষ দিয়েই তীল বপন করা হয়েছে। সার কীটনাশক বা আগাঝা বলতে কিছুই নেই। গাছের চেহারা দেখে মনে হচ্ছে ফলন ভালো পাওয়া যাবে। বর্তমান বাজারে ১ মন তীল ৪-৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে নিম্মে ৪ মন তীল হলে ৪ হাজার টাকা মন হলে ১৬ হাজার টাকা দাম আসে। তবে বর্তমান বাজারে সাধারন জাতের তীল বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ১০০-১৫০ টাকা কেজি ধরে। কিন্তু গবেষনার তীলের দাম অধিক।
 
কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, গবেষনা সংস্থা ১৬ হেক্টর জমিতে যে পরিমান তীল লাগবে সেটা দিয়েছে ও বাকি চার হেক্টর জমিতে কৃষি অফিস থেকে দেওয়া হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহম্মেদ বলেন, অতীতে ২-৩ বিঘা জমিতে তীলের চাষ হত। কিন্তু এবার ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে যা রেকর্ড। দুই ধরনের তীল চাষ হয়েছে তার মধ্যে বিনা তীল চার ও বারি তীল চার জাতের চাষ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তীল চাষে খরচ একেবারেই কম। সার একবার ও কীটনাশক স্প্রে একবার সব মিলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। বিঘায় নিম্মে ৩ মন তীলের ফলন হলে ৪ হাজার টাকা মন ধরা হলে ১২ হাজার টাকা আসে। হিসেব করলে সাড়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা লাভ হবে বিঘাপ্রতি এবং ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যাবে।
 
বিল কুমারী বিলে বোরো ধান কাটার পর পতিত অবস্থায় আছে এসব নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধানতৈড় গ্রামে নিচে সবজি চাষ হয়, পড়ে থাকা জমিতে কোন কৃষক সবজি চাষ করতে চাইলে স্বল্প মেয়াদের সবজি বীজ সহ যাবতীয় সহযোগী তা করা হবে।

এমএসএম / এমএসএম

সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা

নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত

অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন

মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার